মেঘবৃষ্টি উপেক্ষা করে চকরাজাপুর পুলিশ ফাঁড়ি পরিদর্শনে ওসি সেরাজুল হক
- আপডেট সময় : ০২:২৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে চকরাজাপুর পুলিশ ফাঁড়ি পরিদর্শনে বাঘা থানার ওসি
প্রতিকূল আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর চরাঞ্চলে নবনির্মিত পুলিশ ফাঁড়ি পরিদর্শন করেছেন বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সেরাজুল হক। শুক্রবার (১০ জুলাই) টানা বৃষ্টি, কাদামাটিপূর্ণ সড়ক এবং দুর্গম পথ অতিক্রম করে তিনি ফাঁড়িটির সার্বিক কার্যক্রম ও উদ্বোধন-পূর্ব প্রস্তুতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাঘা থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) সুপ্রভাত মণ্ডল, উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রদ্যুৎ কুমার এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মুস্তাফিজুর রহমান। তারা ফাঁড়ির বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখে অবকাঠামোগত সুবিধা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চকরাজাপুর চরাঞ্চলের বাসিন্দারা দ্রুত ও সহজে পুলিশি সেবা পাওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে অনেক সময় আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত ঘটনায় পুলিশের দ্রুত উপস্থিতি নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ত। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পুলিশি সেবা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দিতে এই নতুন পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণ করা হয়েছে।
পরিদর্শনের সময় কর্মকর্তারা ফাঁড়ির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে নেওয়া বিভিন্ন প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন। ভবনের কক্ষসমূহ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের প্রস্তুতির বিষয়েও তারা দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে বলে সন্তোষ প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বাঘা থানার ওসি মো. সেরাজুল হক বলেন, নতুন এই পুলিশ ফাঁড়ি চালু হলে চরাঞ্চলের মানুষ আরও দ্রুত ও সহজে পুলিশি সেবা পাবেন। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপরাধ প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফাঁড়িটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও জানান, জনগণের আস্থা অর্জন এবং সেবার মান উন্নয়নে পুলিশ সর্বদা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
জানা গেছে, নবনির্মিত চকরাজাপুর পুলিশ ফাঁড়ির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শনিবার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। উদ্বোধনের পর চরাঞ্চলের প্রায় ২০ হাজার মানুষ সরাসরি এই ফাঁড়ির মাধ্যমে পুলিশি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, নতুন এই উদ্যোগের ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পুলিশি সহায়তা পাওয়া সহজ হবে এবং এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী হবে।


















