ঢাকা ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার থানার ওসি অসুস্থ, এনাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন সাভারের দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঝুট ছিনতাই করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সবুজায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুড়িগ্রামের ঢাকা-রৌমারী মহাসড়কে অটোরিকশা-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৫ আশুলিয়ায় ৫২ কেজি গাঁজাসহ পেশাদার মাদক কারবারী গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ বাঘায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, ২ লাখ টাকা জরিমানা সাভারে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৬৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ আশুলিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ৩, হায়েস মাইক্রোবাসসহ অস্ত্র উদ্ধার পদ্মার কলতানে মেতে উঠল ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ ও গ্রামীণ মেলা সাভারের দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ভ্যানগার্ডের মতো থাকবে বিএনপি বললেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

৪৭তম বিসিএসে তথ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত বাঘার মেয়ে সাদিয়া আফরিন

আবুল হাশেম রাজশাহী ব্যুরোঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬ ২৫৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
186

৪৭তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষায় তথ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার নতুনপাড়া গ্রামের মেয়ে মোসা. সাদিয়া আফরিন পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এলাকাবাসীর মুখ উজ্জ্বল করেছেন।

সম্প্রতি প্রকাশিত ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। সাদিয়ার বাবা গিয়াস উদ্দিন আহমেদ সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং মা হাসিনা আহমেদ। মধ্যবিত্ত পরিবারের সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রের সেবায় কাজ করার স্বপ্ন পূরণের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেছেন।

তিনি ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে বাঘা উপজেলার মোজাহার হোসেন মহিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই তিনি মেধাবী ও পরিশ্রমী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতির পর দেশের অন্যতম প্রতিযোগিতামূলক এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তথ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।

সাদিয়ার এই সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছে মোজাহার হোসেন মহিলা ডিগ্রি কলেজ কর্তৃপক্ষ। কলেজের অধ্যক্ষ মো. নছিম উদ্দিন তাকে অভিনন্দন জানিয়ে কর্মজীবনের সর্বাঙ্গীণ সফলতা ও কল্যাণ কামনা করেছেন।

আবেগাপ্লুত বাবা গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সাদিয়া ছোটবেলা থেকেই পরিশ্রমী ও লক্ষ্যনিষ্ঠ ছিল। আমরা সবসময় তাকে সততা, নিষ্ঠা ও মানুষের সেবার শিক্ষা দিয়েছি। আজ তার এই অর্জন শুধু আমাদের পরিবারের নয়, পুরো এলাকার গর্ব।

আমি বিশ্বাস করি, সে একজন সৎ, দক্ষ ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে দেশের সেবা করবে।” স্থানীয়দের মতে, নতুনপাড়া গ্রামের এই মেধাবী তরুণীর সাফল্য প্রমাণ করে—অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রম থাকলে মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরাও বড় স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারে। তার এই অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

৪৭তম বিসিএসে তথ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত বাঘার মেয়ে সাদিয়া আফরিন

আপডেট সময় : ১২:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
186

৪৭তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষায় তথ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার নতুনপাড়া গ্রামের মেয়ে মোসা. সাদিয়া আফরিন পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এলাকাবাসীর মুখ উজ্জ্বল করেছেন।

সম্প্রতি প্রকাশিত ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। সাদিয়ার বাবা গিয়াস উদ্দিন আহমেদ সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং মা হাসিনা আহমেদ। মধ্যবিত্ত পরিবারের সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রের সেবায় কাজ করার স্বপ্ন পূরণের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেছেন।

তিনি ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে বাঘা উপজেলার মোজাহার হোসেন মহিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই তিনি মেধাবী ও পরিশ্রমী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতির পর দেশের অন্যতম প্রতিযোগিতামূলক এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তথ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।

সাদিয়ার এই সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছে মোজাহার হোসেন মহিলা ডিগ্রি কলেজ কর্তৃপক্ষ। কলেজের অধ্যক্ষ মো. নছিম উদ্দিন তাকে অভিনন্দন জানিয়ে কর্মজীবনের সর্বাঙ্গীণ সফলতা ও কল্যাণ কামনা করেছেন।

আবেগাপ্লুত বাবা গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সাদিয়া ছোটবেলা থেকেই পরিশ্রমী ও লক্ষ্যনিষ্ঠ ছিল। আমরা সবসময় তাকে সততা, নিষ্ঠা ও মানুষের সেবার শিক্ষা দিয়েছি। আজ তার এই অর্জন শুধু আমাদের পরিবারের নয়, পুরো এলাকার গর্ব।

আমি বিশ্বাস করি, সে একজন সৎ, দক্ষ ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে দেশের সেবা করবে।” স্থানীয়দের মতে, নতুনপাড়া গ্রামের এই মেধাবী তরুণীর সাফল্য প্রমাণ করে—অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রম থাকলে মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরাও বড় স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারে। তার এই অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।