ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভারের মোফাজ্জল মোমেনা চাকলাদার মহিলা ডিগ্রি কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত বাঘার চকরাজাপুরে ২০০ পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ সাভারে নারী মাদক সিন্ডিকেটে আঘাত: ৫০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ও ফেনসিডিলসহ দুই নারী কারবারি গ্রেপ্তার নান্দাইলে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি পুনর্গঠন সভাপতির দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী আসন্ন বাঘা পৌর নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী মো কামাল হোসেন বাঘায় ফ্রি ফায়ার গেম ঘিরে সংঘর্ষে কুপিয়ে জখম ১ গ্রেপ্তার ফরিদ রাজশাহীতে দুই সাংবাদিকের ওপর নৃশংস হামলা সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি সাভার পৌরসভা ২ নং ওয়ার্ডে ঢাকা জেলা যুবদলের উদ্যোগে বংশী নদীতে মৎস্য অবমুক্তকরণ করে নান্দাইলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রথমবার এক টেবিলে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা জুলাই শহীদ জুবাইদের পরিবারের পাশে ছাত্রদল, পৌঁছে দিল তারেক রহমানের উপহার

হার্টের সুস্থতায় পটাশিয়াম কেন জরুরি, রোজ কতটুকু দরকার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৪৩:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩১৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
254

কীভাবে পটাশিয়ামের ওপর নির্ভরশীল

পটাশিয়াম মূলত হৃৎপেশির সংকোচন–প্রসারণ নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিক থাকলে হৃৎস্পন্দন থাকে নিয়মিত ও ছন্দোবদ্ধ। কিন্তু পটাশিয়ামের ঘাটতি বা অতিরিক্ততা—উভয় অবস্থাতে হৃদ্‌যন্ত্রের ছন্দে গোলযোগ দেখা দিতে পারে, যা কখনো কখনো মারাত্মক হতে পারে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পটাশিয়ামের ভূমিকা

উচ্চ রক্তচাপ হৃদ্‌রোগের বড় ঝুঁকি। পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে কয়েকটি উপায়ে। এটি শরীর থেকে অতিরিক্ত সোডিয়াম (লবণ) বের করে দিতে কিডনিকে সাহায্য করে ও রক্তনালির দেয়ালকে শিথিল রাখে। ফলে রক্ত চলাচল সহজ হয় এবং রক্তচাপ কমতে সহায়তা করে।

খাবার থেকে পটাশিয়াম গ্রহণই শ্রেয়

পটাশিয়ামের সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর উৎস হলো প্রাকৃতিক খাবার। কলা, কমলা, পেঁপে, আলু, টমেটো, পালংশাক, ডাল, শিম, দুধ, মাছ ও মাংসে পর্যাপ্ত পরিমাণে পটাশিয়াম পাওয়া যায়। নিয়মিত এসব খাবার খাদ্যতালিকায় রাখলে শরীর সহজেই প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম পেয়ে যায়।

কতটুকু পটাশিয়াম দরকার

সাধারণভাবে সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৭০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম প্রয়োজন। এটি খাবারের মাধ্যমেই গ্রহণ করা সবচেয়ে নিরাপদ। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত নয়।

সতর্কতা জরুরি

যাঁদের কিডনির রোগ রয়েছে বা যাঁরা কিছু নির্দিষ্ট হৃদ্‌রোগের ওষুধ, যেমন ডাইইউরেটিক বা এসিই ইনহিবিটর সেবন করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে পটাশিয়ামের মাত্রা সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। অতিরিক্ত পটাশিয়ামও হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

সুস্থ হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য পটাশিয়াম একটি নীরব, কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক। সুষম খাদ্যাভ্যাস, কম লবণ গ্রহণ ও পর্যাপ্ত পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। হৃৎস্বাস্থ্য রক্ষায় সচেতন খাদ্য নির্বাচন হতে পারে সবচেয়ে সহজ ও শক্তিশালী পদক্ষেপ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হার্টের সুস্থতায় পটাশিয়াম কেন জরুরি, রোজ কতটুকু দরকার

আপডেট সময় : ১০:৪৩:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
254

কীভাবে পটাশিয়ামের ওপর নির্ভরশীল

পটাশিয়াম মূলত হৃৎপেশির সংকোচন–প্রসারণ নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিক থাকলে হৃৎস্পন্দন থাকে নিয়মিত ও ছন্দোবদ্ধ। কিন্তু পটাশিয়ামের ঘাটতি বা অতিরিক্ততা—উভয় অবস্থাতে হৃদ্‌যন্ত্রের ছন্দে গোলযোগ দেখা দিতে পারে, যা কখনো কখনো মারাত্মক হতে পারে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পটাশিয়ামের ভূমিকা

উচ্চ রক্তচাপ হৃদ্‌রোগের বড় ঝুঁকি। পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে কয়েকটি উপায়ে। এটি শরীর থেকে অতিরিক্ত সোডিয়াম (লবণ) বের করে দিতে কিডনিকে সাহায্য করে ও রক্তনালির দেয়ালকে শিথিল রাখে। ফলে রক্ত চলাচল সহজ হয় এবং রক্তচাপ কমতে সহায়তা করে।

খাবার থেকে পটাশিয়াম গ্রহণই শ্রেয়

পটাশিয়ামের সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর উৎস হলো প্রাকৃতিক খাবার। কলা, কমলা, পেঁপে, আলু, টমেটো, পালংশাক, ডাল, শিম, দুধ, মাছ ও মাংসে পর্যাপ্ত পরিমাণে পটাশিয়াম পাওয়া যায়। নিয়মিত এসব খাবার খাদ্যতালিকায় রাখলে শরীর সহজেই প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম পেয়ে যায়।

কতটুকু পটাশিয়াম দরকার

সাধারণভাবে সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৭০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম প্রয়োজন। এটি খাবারের মাধ্যমেই গ্রহণ করা সবচেয়ে নিরাপদ। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত নয়।

সতর্কতা জরুরি

যাঁদের কিডনির রোগ রয়েছে বা যাঁরা কিছু নির্দিষ্ট হৃদ্‌রোগের ওষুধ, যেমন ডাইইউরেটিক বা এসিই ইনহিবিটর সেবন করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে পটাশিয়ামের মাত্রা সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। অতিরিক্ত পটাশিয়ামও হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

সুস্থ হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য পটাশিয়াম একটি নীরব, কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক। সুষম খাদ্যাভ্যাস, কম লবণ গ্রহণ ও পর্যাপ্ত পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। হৃৎস্বাস্থ্য রক্ষায় সচেতন খাদ্য নির্বাচন হতে পারে সবচেয়ে সহজ ও শক্তিশালী পদক্ষেপ।