ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নান্দাইলে মেধাবী ও অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে আর্থিক সহায়তা চেক বিতরণ সাড়ে তিন বছরের শি’শুকে ধ র্ষ ণে র চেষ্টার অভিযোগ আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অফিস সহায়ক আটক: ফরম ফিলাপের ৩৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রশাসনে যোগ্য কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন আলোচনায় রথীন্দ্রনাথ দত্ত সাভার পৌরসভা নবনির্বাচিত মহিলা দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মোঃ খোরশেদ আলমের সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরোও গতিশীল ও জবাবদিহিতামূলক করতে হবে-তথ্য সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী এয়াসের খান চৌধুরী প্রাথমিক গোল্ডকাপে রানার্সআপ বালিকা দলকে সংবর্ধনা সাভারের দুই ভাইকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা সাবেক কাউন্সিলরের আবুল হোসেন মোল্লা সংবাদ সম্মেলন করে মাদক ছাড়লে তিন মাসের ভরণ পোষণের দায়িত্ব নেবেন সাবেক চেয়ারম্যান হিমেল বাঘা থানার অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ আটক ৮

প্রশাসনে যোগ্য কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন আলোচনায় রথীন্দ্রনাথ দত্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
20

রাষ্ট্রের প্রশাসন ক্যাডারে সততা, দক্ষতা ও জনসেবার মানসিকতা থাকা সত্ত্বেও অনেক কর্মকর্তা তাদের প্রাপ্য মূল্যায়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন— এমন অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। এই প্রসঙ্গে সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রথীন্দ্রনাথ দত্তের নাম।

বিশ্লেষক ও ঘনিষ্ঠজনদের মতে, রাষ্ট্র পরিচালনায় দক্ষ, সৎ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের যথাযথ মূল্যায়ন একটি কার্যকর প্রশাসনের পূর্বশর্ত। কিন্তু বিভিন্ন বাস্তবতায় সেই মূল্যায়ন অনেক সময় প্রশ্নবিদ্ধ হয়। সরকারি চাকরির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে থাকার কারণে রথীন্দ্রনাথ দত্তকে অনেকে মানবিক, সৎ ও নীতিনিষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে জানেন।

দল-মত-ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন বলে জানান তার শুভানুধ্যায়ীরা। ব্যক্তিগত সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায়দের সহায়তা, সামাজিক উদ্যোগ ও জনকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত থাকায় তিনি জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবেও পরিচিত। তবে তার শুভানুধ্যায়ীদের অভিযোগ, অতীতের রাজনৈতিক বাস্তবতায় তিনি কাঙ্ক্ষিত মূল্যায়ন পাননি।

প্রশাসনে তার চেয়ে জুনিয়র অনেক কর্মকর্তা সচিব ও জেলা প্রশাসক পদে উন্নীত হলেও রথীন্দ্রনাথ দত্ত যুগ্ম সচিব পদেই থেকে গেছেন। সম্প্রতি বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী এ বিষয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, “রথীন্দ্রনাথ দত্তের চেয়ে জুনিয়র কর্মকর্তারা সচিব ও ডিসি পদে উন্নীত হলেও তিনি সেই সুযোগ পাননি। তার বড় ভাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় তিনি বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। এখন সময় এসেছে তাকে যোগ্য মর্যাদা ও অবস্থানে মূল্যায়ন করার।

রিজভীর এই বক্তব্যের পর প্রশাসনিক মহল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, প্রশাসনে পদোন্নতি ও মূল্যায়নের ক্ষেত্রে মেধা, সততা, দক্ষতা ও কর্মজীবনের অবদানই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচ্য।

বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে যোগ্য কর্মকর্তাদের ন্যায্য মূল্যায়ন অপরিহার্য। ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা শুধু একজন কর্মকর্তার অধিকারই নিশ্চিত করবে না, বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনগণের আস্থাও বাড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রশাসনে যোগ্য কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন আলোচনায় রথীন্দ্রনাথ দত্ত

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
20

রাষ্ট্রের প্রশাসন ক্যাডারে সততা, দক্ষতা ও জনসেবার মানসিকতা থাকা সত্ত্বেও অনেক কর্মকর্তা তাদের প্রাপ্য মূল্যায়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন— এমন অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। এই প্রসঙ্গে সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রথীন্দ্রনাথ দত্তের নাম।

বিশ্লেষক ও ঘনিষ্ঠজনদের মতে, রাষ্ট্র পরিচালনায় দক্ষ, সৎ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের যথাযথ মূল্যায়ন একটি কার্যকর প্রশাসনের পূর্বশর্ত। কিন্তু বিভিন্ন বাস্তবতায় সেই মূল্যায়ন অনেক সময় প্রশ্নবিদ্ধ হয়। সরকারি চাকরির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে থাকার কারণে রথীন্দ্রনাথ দত্তকে অনেকে মানবিক, সৎ ও নীতিনিষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে জানেন।

দল-মত-ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন বলে জানান তার শুভানুধ্যায়ীরা। ব্যক্তিগত সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায়দের সহায়তা, সামাজিক উদ্যোগ ও জনকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত থাকায় তিনি জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবেও পরিচিত। তবে তার শুভানুধ্যায়ীদের অভিযোগ, অতীতের রাজনৈতিক বাস্তবতায় তিনি কাঙ্ক্ষিত মূল্যায়ন পাননি।

প্রশাসনে তার চেয়ে জুনিয়র অনেক কর্মকর্তা সচিব ও জেলা প্রশাসক পদে উন্নীত হলেও রথীন্দ্রনাথ দত্ত যুগ্ম সচিব পদেই থেকে গেছেন। সম্প্রতি বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী এ বিষয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, “রথীন্দ্রনাথ দত্তের চেয়ে জুনিয়র কর্মকর্তারা সচিব ও ডিসি পদে উন্নীত হলেও তিনি সেই সুযোগ পাননি। তার বড় ভাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় তিনি বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। এখন সময় এসেছে তাকে যোগ্য মর্যাদা ও অবস্থানে মূল্যায়ন করার।

রিজভীর এই বক্তব্যের পর প্রশাসনিক মহল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, প্রশাসনে পদোন্নতি ও মূল্যায়নের ক্ষেত্রে মেধা, সততা, দক্ষতা ও কর্মজীবনের অবদানই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচ্য।

বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে যোগ্য কর্মকর্তাদের ন্যায্য মূল্যায়ন অপরিহার্য। ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা শুধু একজন কর্মকর্তার অধিকারই নিশ্চিত করবে না, বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনগণের আস্থাও বাড়বে।