ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার পৌরসভায় মেয়র পদে প্রার্থী হতে চান খোরশেদ আলম, মানবিক ও মাদকমুক্ত পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ সাভার মডেল থানা ওসি সাইফুল সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে সড়ক দুর্ঘটনার শঙ্কা দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর প্রেমের সম্পর্কের পর ৪ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ তরুণীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ জমকালো আয়োজনে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত বাঘায় পাকুড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সিরাত মাহফিল অনুষ্ঠিত রাসুল (সা.) এর আদর্শে সমাজ গড়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সুমন সরকার রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট প্রধানমন্ত্রী গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত আহত ১ কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন

অধ্যক্ষের অবহেলায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জনেরই এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফরম পূরণের টাকা জমা দিলেও অধ্যক্ষের চরম অবহেলায় তা সম্পন্ন না হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। পরীক্ষার মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও ৩৯ জন শিক্ষার্থী জানতে পারেন, তাদের ফরম পূরণই করা হয়নি। আরও ভয়াবহ তথ্য হলো, এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৪ জনের নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনও সম্পন্ন করেনি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান জানান, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা নেওয়ার বিষয়টি। তবে নিজের দায় এড়িয়ে তিনি বলেন,অফিস সহকারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বারবার জিজ্ঞাসা করার পরও সে জানিয়েছিল সব হয়ে গেছে। ব্যক্তিগত ঝামেলার কারণে আমি নিজে বিষয়টি তদারকি করতে পারিনি। তিনি আরও দাবি করেন যে, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ও চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত ফরম পূরণ করে জমা দিলে সমস্যার সমাধান হবে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান জানিয়েছেন, অধ্যক্ষ সোমবার বোর্ডে এসেছিলেন কিন্তু প্রয়োজনীয় কোনো কাগজপত্র (হার্ড কপি) সঙ্গে আনেননি। তিনি বলেন,আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করা। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আগে নিশ্চিত করা হবে, এরপর তদন্ত সাপেক্ষে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরীক্ষার দোরগোড়ায় এসে এমন অনিশ্চয়তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন দরিদ্র পরিবারের এই শিক্ষার্থীরা। অনেক অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, কষ্ট করে ফরম পূরণের টাকা জোগাড় করলেও অধ্যক্ষের খামখেয়ালিতে তাদের সন্তানদের একটি বছর নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অধ্যক্ষের অবহেলায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

আপডেট সময় : ০৬:০৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জনেরই এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফরম পূরণের টাকা জমা দিলেও অধ্যক্ষের চরম অবহেলায় তা সম্পন্ন না হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। পরীক্ষার মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও ৩৯ জন শিক্ষার্থী জানতে পারেন, তাদের ফরম পূরণই করা হয়নি। আরও ভয়াবহ তথ্য হলো, এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৪ জনের নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনও সম্পন্ন করেনি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান জানান, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা নেওয়ার বিষয়টি। তবে নিজের দায় এড়িয়ে তিনি বলেন,অফিস সহকারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বারবার জিজ্ঞাসা করার পরও সে জানিয়েছিল সব হয়ে গেছে। ব্যক্তিগত ঝামেলার কারণে আমি নিজে বিষয়টি তদারকি করতে পারিনি। তিনি আরও দাবি করেন যে, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ও চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত ফরম পূরণ করে জমা দিলে সমস্যার সমাধান হবে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান জানিয়েছেন, অধ্যক্ষ সোমবার বোর্ডে এসেছিলেন কিন্তু প্রয়োজনীয় কোনো কাগজপত্র (হার্ড কপি) সঙ্গে আনেননি। তিনি বলেন,আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করা। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আগে নিশ্চিত করা হবে, এরপর তদন্ত সাপেক্ষে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরীক্ষার দোরগোড়ায় এসে এমন অনিশ্চয়তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন দরিদ্র পরিবারের এই শিক্ষার্থীরা। অনেক অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, কষ্ট করে ফরম পূরণের টাকা জোগাড় করলেও অধ্যক্ষের খামখেয়ালিতে তাদের সন্তানদের একটি বছর নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।