ঢাকা ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে র‍্যাবের অভিযানে ৪১ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার দাখিল ২০২৬ ইং সালের পরীক্ষার্থীনিদের বিদায় ও ৬ষ্ঠ শ্রেণীর নবীন বরণ অনুষ্ঠিত বাঘা থানায় অ্যাডিশনাল ডিআইজির দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি পায়ের খন্ডিত অংশ উদ্ধার করে পুলিশ  আশুলিয়ায় মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেওয়ায় এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ করে কুড়িগ্রামে করলা চুরির অভিযোগে স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল অধ্যক্ষের অবহেলায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত সাভার ও আশুলিয়ায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকট অতিষ্ঠ জনজীবন মানুষের বাংলা নববর্ষ মেলার উদ্বোধন করেন সাভার পৌরসভা মেয়র পদপ্রার্থী মোঃ খোরশেদ আলম পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ছাতকে আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

অধ্যক্ষের অবহেলায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
11 / 100 SEO Score
39

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জনেরই এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফরম পূরণের টাকা জমা দিলেও অধ্যক্ষের চরম অবহেলায় তা সম্পন্ন না হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। পরীক্ষার মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও ৩৯ জন শিক্ষার্থী জানতে পারেন, তাদের ফরম পূরণই করা হয়নি। আরও ভয়াবহ তথ্য হলো, এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৪ জনের নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনও সম্পন্ন করেনি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান জানান, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা নেওয়ার বিষয়টি। তবে নিজের দায় এড়িয়ে তিনি বলেন,অফিস সহকারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বারবার জিজ্ঞাসা করার পরও সে জানিয়েছিল সব হয়ে গেছে। ব্যক্তিগত ঝামেলার কারণে আমি নিজে বিষয়টি তদারকি করতে পারিনি। তিনি আরও দাবি করেন যে, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ও চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত ফরম পূরণ করে জমা দিলে সমস্যার সমাধান হবে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান জানিয়েছেন, অধ্যক্ষ সোমবার বোর্ডে এসেছিলেন কিন্তু প্রয়োজনীয় কোনো কাগজপত্র (হার্ড কপি) সঙ্গে আনেননি। তিনি বলেন,আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করা। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আগে নিশ্চিত করা হবে, এরপর তদন্ত সাপেক্ষে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরীক্ষার দোরগোড়ায় এসে এমন অনিশ্চয়তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন দরিদ্র পরিবারের এই শিক্ষার্থীরা। অনেক অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, কষ্ট করে ফরম পূরণের টাকা জোগাড় করলেও অধ্যক্ষের খামখেয়ালিতে তাদের সন্তানদের একটি বছর নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অধ্যক্ষের অবহেলায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

আপডেট সময় : ০৬:০৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
11 / 100 SEO Score
39

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জনেরই এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফরম পূরণের টাকা জমা দিলেও অধ্যক্ষের চরম অবহেলায় তা সম্পন্ন না হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। পরীক্ষার মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও ৩৯ জন শিক্ষার্থী জানতে পারেন, তাদের ফরম পূরণই করা হয়নি। আরও ভয়াবহ তথ্য হলো, এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৪ জনের নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনও সম্পন্ন করেনি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান জানান, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা নেওয়ার বিষয়টি। তবে নিজের দায় এড়িয়ে তিনি বলেন,অফিস সহকারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বারবার জিজ্ঞাসা করার পরও সে জানিয়েছিল সব হয়ে গেছে। ব্যক্তিগত ঝামেলার কারণে আমি নিজে বিষয়টি তদারকি করতে পারিনি। তিনি আরও দাবি করেন যে, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ও চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত ফরম পূরণ করে জমা দিলে সমস্যার সমাধান হবে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান জানিয়েছেন, অধ্যক্ষ সোমবার বোর্ডে এসেছিলেন কিন্তু প্রয়োজনীয় কোনো কাগজপত্র (হার্ড কপি) সঙ্গে আনেননি। তিনি বলেন,আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করা। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আগে নিশ্চিত করা হবে, এরপর তদন্ত সাপেক্ষে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরীক্ষার দোরগোড়ায় এসে এমন অনিশ্চয়তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন দরিদ্র পরিবারের এই শিক্ষার্থীরা। অনেক অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, কষ্ট করে ফরম পূরণের টাকা জোগাড় করলেও অধ্যক্ষের খামখেয়ালিতে তাদের সন্তানদের একটি বছর নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।