ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঘায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর পালিত সাভার থানা থেকে লুট হওয়া ৩৭ রাউন্ড গুলিসহ এক যুবক গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ সাভারের জাল সাক্ষরে মন্দিরের চাল আত্মাসাৎ ও হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ধামরাইয়ে ৪ বাড়ির সামনে কাফনের কাপড় আতঙ্কে এলাকাবাসী রয়েছেন নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধন আদালতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গায়ে হাত দেওয়ার অভিযোগ পরীমনির, মামলায় জামিন সাংবাদিক ও মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি বেতন বৃদ্ধি ঘিরে শ্রমিক অসন্তোষ এড়াতে চট্টগ্রামে সমন্বয় সভা বাঘার তেঁতুলিয়া বাজারে নকল ঔষধ তৈরির কারখানায় অভিযান আড়ানী রেলব্রিজ (KPI) পুলিশ প্রশাসনের বাৎসরিক পরিদর্শন

বাঘায় ফ্রি ফায়ার গেম ঘিরে সংঘর্ষে কুপিয়ে জখম ১ গ্রেপ্তার ফরিদ

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬ ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
227

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চণ্ডীপুরে মোবাইল গেম ‘ফ্রি ফায়ার’ খেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে মো. লাচ্চু (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত অন্যতম আসামি ফরিদ মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে বাঘা থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার ফরিদ মণ্ডল উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়নের চণ্ডীপুর গ্রামের মৃত মাছের প্রামাণিকের ছেলে। মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রের তথ্যানুযায়ী, গত শনিবার (১ আগস্ট) রাতে চণ্ডীপুর মাঠে অনলাইনভিত্তিক গেম ‘ফ্রি ফায়ারে’ হার-জিত ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে কয়েকজন যুবকের মধ্যে প্রথমে হাতাহাতি হয়।

এর কিছুক্ষণ পর রাত পৌনে ৮টার দিকে চণ্ডীপুর বাজারে পল্লী চিকিৎসক জহুরুলের দোকানের সামনে একদল যুবক লাচ্চুর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে লাচ্চুর মাথায় কোপ দিলে তিনি রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম হন।

স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, যেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা তার মাথায় ১২টি সেলাই দেন। এ ঘটনায় আহত লাচ্চুর ছেলে পিয়াস আলী বাদী হয়ে বাঘা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় চণ্ডীপুর গ্রামের আজিদুলের ছেলে রবিন, শাহজাহানের ছেলে আল-আমিন, জমসেদের ছেলে হালিম ও ফরিদ মণ্ডলসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১২ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক জানান: মামলা দায়েরের পর রোববার (২ আগস্ট) রাতে অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি ফরিদ মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (৩ আগস্ট) তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদিকে, সোমবার (৩ আগস্ট) বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসাধীন আহত লাচ্চুর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ। তিনি আহত ব্যক্তির চিকিৎসার সুব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাঘায় ফ্রি ফায়ার গেম ঘিরে সংঘর্ষে কুপিয়ে জখম ১ গ্রেপ্তার ফরিদ

আপডেট সময় : ১১:৪৮:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
227

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চণ্ডীপুরে মোবাইল গেম ‘ফ্রি ফায়ার’ খেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে মো. লাচ্চু (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত অন্যতম আসামি ফরিদ মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে বাঘা থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার ফরিদ মণ্ডল উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়নের চণ্ডীপুর গ্রামের মৃত মাছের প্রামাণিকের ছেলে। মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রের তথ্যানুযায়ী, গত শনিবার (১ আগস্ট) রাতে চণ্ডীপুর মাঠে অনলাইনভিত্তিক গেম ‘ফ্রি ফায়ারে’ হার-জিত ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে কয়েকজন যুবকের মধ্যে প্রথমে হাতাহাতি হয়।

এর কিছুক্ষণ পর রাত পৌনে ৮টার দিকে চণ্ডীপুর বাজারে পল্লী চিকিৎসক জহুরুলের দোকানের সামনে একদল যুবক লাচ্চুর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে লাচ্চুর মাথায় কোপ দিলে তিনি রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম হন।

স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, যেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা তার মাথায় ১২টি সেলাই দেন। এ ঘটনায় আহত লাচ্চুর ছেলে পিয়াস আলী বাদী হয়ে বাঘা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় চণ্ডীপুর গ্রামের আজিদুলের ছেলে রবিন, শাহজাহানের ছেলে আল-আমিন, জমসেদের ছেলে হালিম ও ফরিদ মণ্ডলসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১২ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক জানান: মামলা দায়েরের পর রোববার (২ আগস্ট) রাতে অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি ফরিদ মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (৩ আগস্ট) তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদিকে, সোমবার (৩ আগস্ট) বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসাধীন আহত লাচ্চুর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ। তিনি আহত ব্যক্তির চিকিৎসার সুব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।