ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার পৌরসভায় মেয়র পদে প্রার্থী হতে চান খোরশেদ আলম, মানবিক ও মাদকমুক্ত পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ সাভার মডেল থানা ওসি সাইফুল সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে সড়ক দুর্ঘটনার শঙ্কা দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর প্রেমের সম্পর্কের পর ৪ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ তরুণীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ জমকালো আয়োজনে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত বাঘায় পাকুড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সিরাত মাহফিল অনুষ্ঠিত রাসুল (সা.) এর আদর্শে সমাজ গড়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সুমন সরকার রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট প্রধানমন্ত্রী গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত আহত ১ কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন

বাঘায় দুই বোনের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

রাজীব আলী, রাজশাহী:
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৮৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই বোনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। আহতরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন থাকলেও এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

 

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে বিভাগীয় প্রেসক্লাব রাজশাহীর হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মিনারা বেগম এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

 

লিখিত বক্তব্যে মিনারা বেগম জানান, গত ২৭ মার্চ বিকাল আনুমানিক ৪টার দিকে তিনি তার বোন রেহেনা বেগমের বাসায় বেড়াতে গেলে জমিজমা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে একদল সন্ত্রাসী তাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালায়। এ ঘটনায় বাঘা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হরিরামপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম, রোজিনা খাতুন, সাদিকুল, কালু, খোকন মাস্টার, লালটু, বাচ্চু, বাবলুসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন তাদের ঘিরে ফেলে। এসময় জিআই পাইপ দিয়ে মিনারা বেগমকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়।

 

তিনি আরও জানান, তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার বোন রেহেনা বেগমকেও লাঠি ও বাঁশ দিয়ে মারধর করা হয়। এতে তার দুই পা ও ডান হাত ভেঙে যায় বলে দাবি করা হয়েছে। হামলাকারীরা তাদের মোবাইল ফোন, গলার চেইন ও ভ্যানিটি ব্যাগে থাকা প্রায় ৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে লোহার রড দিয়ে আবারও তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

 

মিনারা বেগম বলেন, ওরা আমাকে মারধর করে ফেলে রাখার পর আমি পানি চাইলে কেউ দেয়নি। এক পর্যায়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

 

তিনি অভিযোগ করেন, এত বড় হামলার পরও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বাঘা থানার ওসি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন।

 

তিনি আরও দাবি করেন, থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরও পুলিশ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বরং বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এদিকে আসামিরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

 

মিনারা বেগম বলেন, আমরা বিচার চাইতে গিয়েও হয়রানির শিকার হচ্ছি। পুলিশ যদি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন না করে, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

এ বিষয়ে খোকন মাস্টারকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাঘায় দুই বোনের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:০৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই বোনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। আহতরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন থাকলেও এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

 

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে বিভাগীয় প্রেসক্লাব রাজশাহীর হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মিনারা বেগম এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

 

লিখিত বক্তব্যে মিনারা বেগম জানান, গত ২৭ মার্চ বিকাল আনুমানিক ৪টার দিকে তিনি তার বোন রেহেনা বেগমের বাসায় বেড়াতে গেলে জমিজমা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে একদল সন্ত্রাসী তাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালায়। এ ঘটনায় বাঘা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হরিরামপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম, রোজিনা খাতুন, সাদিকুল, কালু, খোকন মাস্টার, লালটু, বাচ্চু, বাবলুসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন তাদের ঘিরে ফেলে। এসময় জিআই পাইপ দিয়ে মিনারা বেগমকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়।

 

তিনি আরও জানান, তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার বোন রেহেনা বেগমকেও লাঠি ও বাঁশ দিয়ে মারধর করা হয়। এতে তার দুই পা ও ডান হাত ভেঙে যায় বলে দাবি করা হয়েছে। হামলাকারীরা তাদের মোবাইল ফোন, গলার চেইন ও ভ্যানিটি ব্যাগে থাকা প্রায় ৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে লোহার রড দিয়ে আবারও তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

 

মিনারা বেগম বলেন, ওরা আমাকে মারধর করে ফেলে রাখার পর আমি পানি চাইলে কেউ দেয়নি। এক পর্যায়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

 

তিনি অভিযোগ করেন, এত বড় হামলার পরও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বাঘা থানার ওসি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন।

 

তিনি আরও দাবি করেন, থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরও পুলিশ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বরং বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এদিকে আসামিরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

 

মিনারা বেগম বলেন, আমরা বিচার চাইতে গিয়েও হয়রানির শিকার হচ্ছি। পুলিশ যদি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন না করে, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

এ বিষয়ে খোকন মাস্টারকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।