ঢাকা ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানিকগঞ্জে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ শেষে হত্যা অভিযুক্ত পলাতক গণপিটুনিতে বাবা-চাচা নিহত হয়েছে আমিনবাজারে গ্যাস সংযোগ চালুর দাবিতে ঢাকা আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে ভোগান্তিতে যাত্রীরা চট্টগ্রামে মামলার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই প্রাইভেট কার উদ্ধার, চাকরিচ্যুত চালক গ্রেপ্তার মতিহারে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে রূপা-১৬ পরিবারের মিলনমেলা চিলমারীতে বাড়ির পাশে বাঁশঝোপে মিলল নিখোঁজ শিশু আয়শার মরদেহ রাজশাহীর পদ্মা পাড়ে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে স্থানীয়রা অবশেষে মিলল রূপপুর পারমাণবিকে জ্বালানি লোডিংয়ের লাইসেন্স উলিপুরে প্রস্তাবিত বাইপাস সড়ক প্রকল্প পরিদর্শন নান্দাইলে ১০০ পরিবারের মাঝে বিশুদ্ধ পানির জন্য নলকূপ বিতরণ বাঘা থানা পুলিশের অভিযানে চুরি মামলার আসমিসহ আটক ৪

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় হাইকোর্টের ব্যাখ্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০০:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬ ১৬৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
14 / 100 SEO Score
186

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ কেন অবৈধ হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংশোধন) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সংসদ সচিবালয় থেকে নবনির্বাচিত সাংসদদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে, তা কেন অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না।

একই সঙ্গে গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ৩ নম্বর তফসিল- যার অধীনে রাজনৈতিক দলগুলো ৩০টি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল- তা কেন বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়েও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব।

রিটের বিরোধিতা করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু, ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। তাদের সহযোগিতা করেন আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা, আইনজীবী সাদ্দাম হোসেন, আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

এর আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট করা হয়। রিটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ বাতিল চাওয়া হয়। এছাড়া সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই খোদা রনি ও অ্যাডভোকেট গাজী মো. মাহবুব আলম রিট দুটি দায়ের করেন। এছাড়া গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদ বাতিল ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে আরেকটি রিট দায়ের করা হয়। রিটে জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় হাইকোর্টের ব্যাখ্যা

আপডেট সময় : ০৮:০০:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
14 / 100 SEO Score
186

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ কেন অবৈধ হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংশোধন) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সংসদ সচিবালয় থেকে নবনির্বাচিত সাংসদদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে, তা কেন অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না।

একই সঙ্গে গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ৩ নম্বর তফসিল- যার অধীনে রাজনৈতিক দলগুলো ৩০টি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল- তা কেন বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়েও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব।

রিটের বিরোধিতা করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু, ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। তাদের সহযোগিতা করেন আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা, আইনজীবী সাদ্দাম হোসেন, আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

এর আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট করা হয়। রিটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ বাতিল চাওয়া হয়। এছাড়া সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই খোদা রনি ও অ্যাডভোকেট গাজী মো. মাহবুব আলম রিট দুটি দায়ের করেন। এছাড়া গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদ বাতিল ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে আরেকটি রিট দায়ের করা হয়। রিটে জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়।