ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঘা থানা পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ যুবক আটক উলিপুরে কুলির টাকায় নির্মিত সেতু ২ যুগের দুর্ভোগের অবসান রাজশাহী মেডিক্যালে চিকিৎসা সেবা নিয়ে চরম ক্ষোভ, ইন্টার্নদের কর্মবিরতিতে ভোগান্তি বেড়েছে সাভার পৌর বিএনপির সভাপতি খন্দকার শাহ মঈনুল হোসেন বিল্টু আর নেই মনোনয়ন না পেলেও থামবেন না: জনসেবার রাজনীতিতে দৃঢ় নুর উন নাহার বেগম মনোরঞ্জন পরিবেশে সময় কাটানোর অতুলনীয় স্থান উলিপুর টুপামারী (জিয়া) পুকুরপাড় কুয়াকাটায় ফিস ফ্রাই রাস্তা নির্মাণে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ সরকারি বালু ব্যবহারে চাঞ্চল্য ঠিকাদারের মালমা দেয়ার হুমকিতে আতঙ্কে সাধারণ মানুষ। অনিশ্চয়তা কাটিয়ে হাসিমুখে পরীক্ষার টেবিলে ৩৩ শিক্ষার্থী রাজশাহী চেম্বার নির্বাচনে ইমাম মেহেদীর বিশাল জয় ব্যবসায়ীদের আস্থার প্রতিফলন রাজশাহীর পদ্মা পাড়ে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য আতঙ্কে স্থানীয়রা

শেষ ম্যাচে ওমানকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে স্বস্তির জয় পেল অস্ট্রেলিয়া

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৮২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
14 / 100 SEO Score
201

এতে কি অস্ট্রেলিয়ানদের মনখারাপ কিছুটা কমবে? হয়তো কমতে পারে। মাত্র ৯.৪ ওভারে ১০৮ রান তুলে ৯ উইকেটের দাপুটে জয় যে কোনো দলের জন্যই স্বস্তির।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া প্রথমে ওমানকে আটকে দেয় ১০৫ রানে। এরপর মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেডদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে খুব সহজেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে তারা।

এই জয়টি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যৌথভাবে দ্রুততম রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডের সমান। এর আগে ২০২৪ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৯.৪ ওভারে লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছিল ইংল্যান্ডও।

যদিও আগেই গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া, তবু জয়টি আরও বড় হতে পারত। ১০ উইকেটের জয় হাতছানি দিচ্ছিল। কিন্তু লক্ষ্য থেকে ১৩ রান দূরে থাকতে ওপেনার হেড ১৯ বলে ৩২ রান করে আউট হলে সেই সম্ভাবনা আর থাকেনি। এক প্রান্তে অধিনায়ক মার্শ ৩৩ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন। তিন নম্বরে নেমে জশ ইংলিস ৬ বলে ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দেন বোলাররাই। বিশেষ করে লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। তিনি ২১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন।

টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়া অস্ট্রেলিয়া শুরু থেকেই ওমানকে চাপে রাখে। ইনিংসের প্রথম বলেই জাভিয়ের বার্টলেট ওমানের ওপেনার আমির কালিমকে বোল্ড করেন। কিছুক্ষণ পর ফেরান আরেক ওপেনার যতিন্দর সিংকেও। ওমানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন ওয়াসিম আলী।

বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে জয় দিয়ে, তবে হতাশা কাটেনি। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মার্শ স্বীকার করেন, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে তারা নিজেদের সেরা খেলাটা দেখাতে পারেননি। জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের কথাও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, ড্রেসিংরুমে এখন গভীর হতাশা।

ম্যাচসেরা জাম্পাও বলেন, কয়েকটা দিন খুব কঠিন গেছে। বিশ্বকাপ থেকে এত দ্রুত বিদায় নেওয়া সত্যিই কষ্টের, আর ড্রেসিংরুমে এখন এক ধরনের নীরবতা কাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শেষ ম্যাচে ওমানকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে স্বস্তির জয় পেল অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
14 / 100 SEO Score
201

এতে কি অস্ট্রেলিয়ানদের মনখারাপ কিছুটা কমবে? হয়তো কমতে পারে। মাত্র ৯.৪ ওভারে ১০৮ রান তুলে ৯ উইকেটের দাপুটে জয় যে কোনো দলের জন্যই স্বস্তির।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া প্রথমে ওমানকে আটকে দেয় ১০৫ রানে। এরপর মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেডদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে খুব সহজেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে তারা।

এই জয়টি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যৌথভাবে দ্রুততম রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডের সমান। এর আগে ২০২৪ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৯.৪ ওভারে লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছিল ইংল্যান্ডও।

যদিও আগেই গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া, তবু জয়টি আরও বড় হতে পারত। ১০ উইকেটের জয় হাতছানি দিচ্ছিল। কিন্তু লক্ষ্য থেকে ১৩ রান দূরে থাকতে ওপেনার হেড ১৯ বলে ৩২ রান করে আউট হলে সেই সম্ভাবনা আর থাকেনি। এক প্রান্তে অধিনায়ক মার্শ ৩৩ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন। তিন নম্বরে নেমে জশ ইংলিস ৬ বলে ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দেন বোলাররাই। বিশেষ করে লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। তিনি ২১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন।

টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়া অস্ট্রেলিয়া শুরু থেকেই ওমানকে চাপে রাখে। ইনিংসের প্রথম বলেই জাভিয়ের বার্টলেট ওমানের ওপেনার আমির কালিমকে বোল্ড করেন। কিছুক্ষণ পর ফেরান আরেক ওপেনার যতিন্দর সিংকেও। ওমানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন ওয়াসিম আলী।

বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে জয় দিয়ে, তবে হতাশা কাটেনি। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মার্শ স্বীকার করেন, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে তারা নিজেদের সেরা খেলাটা দেখাতে পারেননি। জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের কথাও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, ড্রেসিংরুমে এখন গভীর হতাশা।

ম্যাচসেরা জাম্পাও বলেন, কয়েকটা দিন খুব কঠিন গেছে। বিশ্বকাপ থেকে এত দ্রুত বিদায় নেওয়া সত্যিই কষ্টের, আর ড্রেসিংরুমে এখন এক ধরনের নীরবতা কাজ করছে।