নান্দাইলে স্ত্রীর সামনে স্বামী’র ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করল পুলিশ
- আপডেট সময় : ১১:১১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
কিশোরগঞ্জের- হোসেনপুর উপজেলায় শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে এসে আমিন (২০) নামের এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যুর হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। নিহত আমিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর থানা এলাকার বাসিন্দা। নাসির উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাত্র তিন মাস আগে তাদের দু-জনের মধ্য প্রেমের সম্পর্কে’র পর হোসেনপুর উপজেলা সিদলা ইউনিয়নের টান সিদলা গ্রামের বাসিন্দা হারুন মিয়া মেয়ে ফাতেমা আক্তার তিন্নির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
ফাতেমা আক্তার তিন্নি স্ব-পরিরে দক্ষিণ সূরাটি গ্রামে নানার বাড়িতে বসবাস করতেন। স্বামী-স্ত্রী দু-জনার নতুন জীবনের স্বপ্ন শুরু হতেই এমন মর্মান্তিক পরিণতি পরিবার ও স্বজনদের স্তব্ধ করে দিয়েছে। জানতে চাইলে মৃত আমিনের স্ত্রী তিন্নি বলেন-রোজার প্রথম দিন আমি আমার স্বামীকে নিয়ে নানা বাড়িতে আসি তারপর থেকে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক ভালোই চলছিল-হঠাৎ গত দুই দিন ধরে আমাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়-দুই-জনার মধ্যে কথার কাটাকাটির একপর্যায়ে-রাগান্বিত হয়ে- রবিবার (১ মার্চ) সকাল ১১:টার দিকে আমিন শ্বশুরবাড়ি থেকে বের হন।
এরপর দুপু’র ১২: দিকে- ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর (সুরাটি) বাজারের পূর্ব পাশে এয়ারটেল ও রবি মোবাইল টাওয়ারের সংলগ্ন পশ্চিম পাশে পরিত্যক্ত দোচালা টিনের ঘরের দৌড়ের সাথে গলায় প্যান্টের বেল্ট পেঁচানো তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পাশে থাকা একটি ব্যাগে পাওয়া যায় তার ব্যবহারিক মোবাইল ফোন। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন এটি কি? আত্মহত্যা, নাকি? সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি রহস্যজনক; কাউকে হত্যা করে পরে ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে বলেও সন্দেহ করছেন অনেকে।
পরিবার, স্বজন ও স্থানীয়দের একটাই দাবি-নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হউক। নান্দাইল মডেল থানার (ওসি) আল আমিন জানান-খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে-মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে- ময়নাতদন্তের জন্য লাশ-ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়া দিন।









