জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-এর বিক্ষোভ মিছিল ধর্ষণ ও সহিংসতার বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ করে
- আপডেট সময় : ০৮:৪২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে
নরসিংদীসহ দেশব্যাপী সংঘটিত ধর্ষণ ও সহিংসতার ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু)। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে মিছিলটি শুরু হয়।
মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বটতলায় গিয়ে শেষ হয়। এসময় অংশগ্রহণকারীরা ‘ধর্ষকের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না’, ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, ধর্ষকের ফাঁসি চাই’, ‘ধর্ষকের আস্তানা ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘আমার বোন ধর্ষিত কেন জবাব চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেও জবাবদিহি দাবি করা হয়। জাকসুর সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় বটতলায় আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।
জাকসুর কার্যকরী সদস্য মোহাম্মদ আলী চিশতি বলেন, “বিগত সময়ে নোয়াখালীতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার পর আমাদের মা-বোনেরা ছাত্রলীগের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একইভাবে হাতিয়ায় শাপলাকলিতে ভোট দেওয়ার পরও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
এসব ঘটনায় মামলা হলেও আজ পর্যন্ত আমরা বিচার পাইনি। কারণ, এসব ঘটনার পেছনে ক্ষমতাসীন দলের লোকজনের সম্পৃক্ততা রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, দেশে যদি ধর্ষণের মতো অপরাধে বিচারহীনতার সংস্কৃতি চলতে থাকে এবং দলীয় প্রভাবের কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যায়, তাহলে একসময় জনগণ নিজেরাই বিচার হাতে তুলে নিতে বাধ্য হবে।
” জাকসুর সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম বলেন, “নরসিংদীতে এক শিশুকে তার বাবার কোল থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি কি এই দায় এড়াতে পারেন? যেভাবেই ক্ষমতায় আসুন না কেন, এখন আপনি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে আছেন। আপনার তৃণমূল প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণ করুন।
অন্যথায় সরকার ব্যর্থতার দায় এড়াতে পারবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ধর্ষণের বিচারে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা না গেলে, দেশের জনগণ একসময় নিজেদের উদ্যোগে সমাধানের পথ খুঁজবে। সমাবেশ শেষে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান বক্তারা।



















