চট্টগ্রামে মামলার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই প্রাইভেট কার উদ্ধার, চাকরিচ্যুত চালক গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ০৫:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলা হওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যে চুরি হওয়া একটি প্রাইভেট কার উদ্ধার করেছে। গতকাল শুক্রবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বায়েজিদ বোস্তামী থানার পূর্ব নাসিরাবাদ এলাকায় মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের পার্কিং থেকে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় মো. ইব্রাহিম নামের একজনকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি এক সময় ওই গাড়িটি চালাতেন। গাড়ির মালিক তাঁকে কাজ থেকে ছাঁটাই করেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, মো. ইব্রাহিম নামের ওই চালক ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখিয়ে চাকরি নিয়েছিলেন। প্রায় আট মাস কাজ করার পর প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়লে চাকরি হারান তিনি। তবে যাওয়ার সময় তাঁর কাছে রয়ে যায় গাড়ির একটি নকল চাবি। সেই চাবিই পরে কাজে লাগান। ১৬ এপ্রিল ভোরে মালিকের বাসার সামনে থেকে গাড়িটি চুরি করে নিয়ে যান। তবে শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাননি ইব্রাহিম। চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে মামলা হওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই গত শুক্রবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে চুরি হওয়া প্রাইভেট কারটিও।
পুলিশ জানায়, গাড়িটির মালিক মাসুমা আক্তার। চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার ৭৭ নম্বর বাসার সামনে পার্কিংয়ে গাড়িটি রাখা ছিল। ১৬ এপ্রিল ভোর ছয়টার দিকে টয়োটা প্রিমিও মডেলের গাড়িটি নিয়ে উধাও হয়ে যান ইব্রাহিম। পরদিন ১৭ এপ্রিল পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন মাসুমা।
চুরি যাওয়া গাড়িটির নম্বর চট্ট মেট্রো-গ-১৩-৩৬৯১। এর আনুমানিক মূল্য ২৫ লাখ টাকা। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের কাছে। এরপর শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে ডিবির একটি দল।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) উপকমিশনার মো. হাবিবুর রহমান প্রাং প্রথম আলোকে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বায়েজিদ বোস্তামী থানার পূর্ব নাসিরাবাদ এলাকায় মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে পার্কিং থেকে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় গাড়িসহ ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
হাবিবুর রহমান জানান, ইব্রাহিম কুমিল্লার মুরাদনগরের বাসিন্দা হলেও বর্তমানে চট্টগ্রামের ডবলমুরিং এলাকায় থাকেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গাড়ি চুরির কথা স্বীকার করেছেন। ডিবি কর্মকর্তারা বলছেন, এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



















