ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার পৌরসভায় মেয়র পদে প্রার্থী হতে চান খোরশেদ আলম, মানবিক ও মাদকমুক্ত পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ সাভার মডেল থানা ওসি সাইফুল সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে সড়ক দুর্ঘটনার শঙ্কা দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর প্রেমের সম্পর্কের পর ৪ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ তরুণীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ জমকালো আয়োজনে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত বাঘায় পাকুড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সিরাত মাহফিল অনুষ্ঠিত রাসুল (সা.) এর আদর্শে সমাজ গড়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সুমন সরকার রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট প্রধানমন্ত্রী গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত আহত ১ কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন

সেচ্ছায় রাজশাহী প্রেসক্লাব থেকে অব্যাহতি নিলেন রেজাউল ও শামসুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৭০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহী প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য পদ ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে সেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. রেজাউল করিম ও বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামসুল রহমান। শনিবার (৪ এপ্রিল) এক লিখিত পত্রের মাধ্যমে তিনি এ সিদ্ধান্ত জানান।

পত্রে রেজাউল করিম উল্লেখ করেন, গত ৩০ মার্চ রাজশাহী প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে অভিযোগ করা হয়, তিনি একটি মানববন্ধন থেকে প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে ‘সম্মানহানিকর’ বক্তব্য দিয়েছেন।

তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই বলে দাবি করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধন করা ও দাবি উপস্থাপন করা তার সাংবিধানিক ও নৈতিক অধিকার। তার ওপর সংঘটিত হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত ওই মানববন্ধনে কেবল ন্যায়বিচার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছিল।

সেখানে প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। চিঠিতে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তার ওপর হামলার ঘটনায় প্রেসক্লাবের অবস্থান কী এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না।

একই সঙ্গে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক দাপ্তরিক পদক্ষেপ না নেওয়া এবং সামাজিক মাধ্যমে তাদের পরিচয় বহাল রাখাকে গঠনতন্ত্রবিরোধী বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রেজাউল করিম তার পত্রে অভিযোগ করেন, প্রেসক্লাবের বর্তমান কার্যক্রমে গঠনতন্ত্রের যথাযথ অনুসরণ নেই এবং একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে নীতিগত অবস্থান থেকে তিনি কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পত্র প্রাপ্তির পর থেকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের সঙ্গে তার কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক থাকবে না।

যোগাযোগ করা হলে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, “আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে আমার ওপর সন্ত্রাসী হামলার বিচার দাবি করেছি। সেখানে কোনোভাবেই প্রেসক্লাবের সম্মানহানিকর বক্তব্য দেইনি।

নোটিশটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও একপাক্ষিক বলে আমার কাছে প্রতীয়মান হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “আমার ওপর হামলার ঘটনায় ন্যায়বিচার চাওয়াই যদি অপরাধ হয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। বরং প্রশ্ন হচ্ছে—সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না।

তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো আমাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।” উল্লেখ্য, মো. রেজাউল করিম বর্তমানে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সেচ্ছায় রাজশাহী প্রেসক্লাব থেকে অব্যাহতি নিলেন রেজাউল ও শামসুল

আপডেট সময় : ১১:০৯:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহী প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য পদ ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে সেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. রেজাউল করিম ও বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামসুল রহমান। শনিবার (৪ এপ্রিল) এক লিখিত পত্রের মাধ্যমে তিনি এ সিদ্ধান্ত জানান।

পত্রে রেজাউল করিম উল্লেখ করেন, গত ৩০ মার্চ রাজশাহী প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে অভিযোগ করা হয়, তিনি একটি মানববন্ধন থেকে প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে ‘সম্মানহানিকর’ বক্তব্য দিয়েছেন।

তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই বলে দাবি করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধন করা ও দাবি উপস্থাপন করা তার সাংবিধানিক ও নৈতিক অধিকার। তার ওপর সংঘটিত হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত ওই মানববন্ধনে কেবল ন্যায়বিচার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছিল।

সেখানে প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। চিঠিতে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তার ওপর হামলার ঘটনায় প্রেসক্লাবের অবস্থান কী এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না।

একই সঙ্গে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক দাপ্তরিক পদক্ষেপ না নেওয়া এবং সামাজিক মাধ্যমে তাদের পরিচয় বহাল রাখাকে গঠনতন্ত্রবিরোধী বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রেজাউল করিম তার পত্রে অভিযোগ করেন, প্রেসক্লাবের বর্তমান কার্যক্রমে গঠনতন্ত্রের যথাযথ অনুসরণ নেই এবং একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে নীতিগত অবস্থান থেকে তিনি কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পত্র প্রাপ্তির পর থেকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের সঙ্গে তার কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক থাকবে না।

যোগাযোগ করা হলে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, “আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে আমার ওপর সন্ত্রাসী হামলার বিচার দাবি করেছি। সেখানে কোনোভাবেই প্রেসক্লাবের সম্মানহানিকর বক্তব্য দেইনি।

নোটিশটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও একপাক্ষিক বলে আমার কাছে প্রতীয়মান হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “আমার ওপর হামলার ঘটনায় ন্যায়বিচার চাওয়াই যদি অপরাধ হয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। বরং প্রশ্ন হচ্ছে—সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না।

তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো আমাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।” উল্লেখ্য, মো. রেজাউল করিম বর্তমানে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।