ঢাকা ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার পৌরসভায় মেয়র পদে প্রার্থী হতে চান খোরশেদ আলম, মানবিক ও মাদকমুক্ত পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ সাভার মডেল থানা ওসি সাইফুল সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে সড়ক দুর্ঘটনার শঙ্কা দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর প্রেমের সম্পর্কের পর ৪ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ তরুণীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ জমকালো আয়োজনে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত বাঘায় পাকুড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সিরাত মাহফিল অনুষ্ঠিত রাসুল (সা.) এর আদর্শে সমাজ গড়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সুমন সরকার রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট প্রধানমন্ত্রী গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত আহত ১ কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন

যানবাহনে প্রয়োজনে জ্বালানি তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দিলো সরকার

আনোয়ার হোসেন আন্নু বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ ৩৪৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) শুক্রবার (৬ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করে।

রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের সামনে গতকাল অন্য দিনের তুলনায় অনেক দীর্ঘ গাড়ির সারি দেখা গেছে। সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় ভোক্তারা বাড়তি জ্বালানি তেল—অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল—কিনতে ছুটছেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে ১০ লিটার, এসইউভি, জিপ বা মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কার্ভাড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার জ্বালানি নেওয়া যাবে।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটের কারণে আমদানি প্রক্রিয়ায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটায় বাজারে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হয়েছে। তাই সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত জ্বালানি চালান দেশে আনা হচ্ছে এবং ডিপোগুলোতে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জ্বালানি তেল সংগ্রহের সময় ক্রয় রশিদ প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। অতিরিক্ত মজুত ও বেশি দামে বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার নির্ধারিত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যানবাহনে প্রয়োজনে জ্বালানি তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দিলো সরকার

আপডেট সময় : ০৬:৩১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) শুক্রবার (৬ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করে।

রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের সামনে গতকাল অন্য দিনের তুলনায় অনেক দীর্ঘ গাড়ির সারি দেখা গেছে। সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় ভোক্তারা বাড়তি জ্বালানি তেল—অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল—কিনতে ছুটছেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে ১০ লিটার, এসইউভি, জিপ বা মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কার্ভাড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার জ্বালানি নেওয়া যাবে।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটের কারণে আমদানি প্রক্রিয়ায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটায় বাজারে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হয়েছে। তাই সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত জ্বালানি চালান দেশে আনা হচ্ছে এবং ডিপোগুলোতে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জ্বালানি তেল সংগ্রহের সময় ক্রয় রশিদ প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। অতিরিক্ত মজুত ও বেশি দামে বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার নির্ধারিত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।