ঢাকা ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ছাতক সদর ইউপি জামায়াতের সেলাই মেশিন উপহার প্রদান সাংবাদিকদের ঐক্য ও সম্প্রীতিতে বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল যানবাহনে প্রয়োজনে জ্বালানি তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দিলো সরকার কিশোরগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন মহিপুর ও আলিপুর বাজারে অবৈধ দখলদারদের হীরক ব্যবসা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও খাস জমি বিক্রি ও বহুতল ভবন নির্মাণ উলিপুরবাসী আমাকে ভোট দিয়েছেন এমপি আমি একা নই আমরা সবাই সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী উলিপুরে গাঁজা সেবনের দায়ে যুবকের ৪ মাসের কারাদণ্ড উলিপুরকে সবফুলের মিশ্রণে ফুটন্ত বাগান হিসেবে দেখতে চাই এমপি ব্যারিস্টার সালেহী নওগাঁয় পরিবেশ আইনে মোবাইল কোর্ট, অবৈধ ইটভাটায় জরিমানা বাঘায় পৃথক অভিযানে দুই মামলার আসামি গ্রেপ্তার

যানবাহনে প্রয়োজনে জ্বালানি তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দিলো সরকার

আনোয়ার হোসেন আন্নু বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ ৬২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
102

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) শুক্রবার (৬ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করে।

রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের সামনে গতকাল অন্য দিনের তুলনায় অনেক দীর্ঘ গাড়ির সারি দেখা গেছে। সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় ভোক্তারা বাড়তি জ্বালানি তেল—অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল—কিনতে ছুটছেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে ১০ লিটার, এসইউভি, জিপ বা মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কার্ভাড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার জ্বালানি নেওয়া যাবে।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটের কারণে আমদানি প্রক্রিয়ায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটায় বাজারে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হয়েছে। তাই সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত জ্বালানি চালান দেশে আনা হচ্ছে এবং ডিপোগুলোতে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জ্বালানি তেল সংগ্রহের সময় ক্রয় রশিদ প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। অতিরিক্ত মজুত ও বেশি দামে বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার নির্ধারিত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যানবাহনে প্রয়োজনে জ্বালানি তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দিলো সরকার

আপডেট সময় : ০৬:৩১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
102

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) শুক্রবার (৬ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করে।

রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের সামনে গতকাল অন্য দিনের তুলনায় অনেক দীর্ঘ গাড়ির সারি দেখা গেছে। সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় ভোক্তারা বাড়তি জ্বালানি তেল—অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল—কিনতে ছুটছেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে ১০ লিটার, এসইউভি, জিপ বা মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কার্ভাড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার জ্বালানি নেওয়া যাবে।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটের কারণে আমদানি প্রক্রিয়ায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটায় বাজারে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হয়েছে। তাই সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত জ্বালানি চালান দেশে আনা হচ্ছে এবং ডিপোগুলোতে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জ্বালানি তেল সংগ্রহের সময় ক্রয় রশিদ প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। অতিরিক্ত মজুত ও বেশি দামে বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার নির্ধারিত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।