ঢাকা ০৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভারের মোফাজ্জল মোমেনা চাকলাদার মহিলা ডিগ্রি কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত বাঘার চকরাজাপুরে ২০০ পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ সাভারে নারী মাদক সিন্ডিকেটে আঘাত: ৫০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ও ফেনসিডিলসহ দুই নারী কারবারি গ্রেপ্তার নান্দাইলে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি পুনর্গঠন সভাপতির দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী আসন্ন বাঘা পৌর নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী মো কামাল হোসেন বাঘায় ফ্রি ফায়ার গেম ঘিরে সংঘর্ষে কুপিয়ে জখম ১ গ্রেপ্তার ফরিদ রাজশাহীতে দুই সাংবাদিকের ওপর নৃশংস হামলা সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি সাভার পৌরসভা ২ নং ওয়ার্ডে ঢাকা জেলা যুবদলের উদ্যোগে বংশী নদীতে মৎস্য অবমুক্তকরণ করে নান্দাইলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রথমবার এক টেবিলে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা জুলাই শহীদ জুবাইদের পরিবারের পাশে ছাত্রদল, পৌঁছে দিল তারেক রহমানের উপহার

যানবাহনে প্রয়োজনে জ্বালানি তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দিলো সরকার

আনোয়ার হোসেন আন্নু বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ ৩০৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
375

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) শুক্রবার (৬ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করে।

রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের সামনে গতকাল অন্য দিনের তুলনায় অনেক দীর্ঘ গাড়ির সারি দেখা গেছে। সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় ভোক্তারা বাড়তি জ্বালানি তেল—অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল—কিনতে ছুটছেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে ১০ লিটার, এসইউভি, জিপ বা মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কার্ভাড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার জ্বালানি নেওয়া যাবে।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটের কারণে আমদানি প্রক্রিয়ায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটায় বাজারে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হয়েছে। তাই সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত জ্বালানি চালান দেশে আনা হচ্ছে এবং ডিপোগুলোতে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জ্বালানি তেল সংগ্রহের সময় ক্রয় রশিদ প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। অতিরিক্ত মজুত ও বেশি দামে বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার নির্ধারিত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যানবাহনে প্রয়োজনে জ্বালানি তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দিলো সরকার

আপডেট সময় : ০৬:৩১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
375

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) শুক্রবার (৬ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করে।

রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের সামনে গতকাল অন্য দিনের তুলনায় অনেক দীর্ঘ গাড়ির সারি দেখা গেছে। সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় ভোক্তারা বাড়তি জ্বালানি তেল—অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল—কিনতে ছুটছেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে ১০ লিটার, এসইউভি, জিপ বা মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কার্ভাড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার জ্বালানি নেওয়া যাবে।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটের কারণে আমদানি প্রক্রিয়ায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটায় বাজারে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হয়েছে। তাই সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত জ্বালানি চালান দেশে আনা হচ্ছে এবং ডিপোগুলোতে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জ্বালানি তেল সংগ্রহের সময় ক্রয় রশিদ প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। অতিরিক্ত মজুত ও বেশি দামে বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার নির্ধারিত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।