Warning: Constant PPSP_ALLOWED_DOMAIN already defined in /home/bdnewsin/public_html/wp-content/plugins/bdnews24info/post-printshare.php on line 43

Warning: Constant PPSP_VALID_LICENSE_KEY already defined in /home/bdnewsin/public_html/wp-content/plugins/bdnews24info/post-printshare.php on line 44
| BD NEWS 24
ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জমকালো আয়োজনে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত বাঘায় পাকুড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সিরাত মাহফিল অনুষ্ঠিত রাসুল (সা.) এর আদর্শে সমাজ গড়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সুমন সরকার রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট প্রধানমন্ত্রী গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত আহত ১ কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন বেন্টুর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে সড়কের জায়গা দখলচেষ্টার অভিযোগ আদর্শ চকরাজাপুর গড়ার প্রত্যয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হলেন মুলা খামারু সাভার থানা জিয়া পরিষদের সভাপতি হলেন মোঃ মনিরুল হক সাভারের পুলিশ হত্যার প্রধান জহিরুলকে গ্রেপ্তার করে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৪০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
264

নেপালের পোখারায় আক্ষেপের গল্প লিখল বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল দল। যে নেপাল বরাবরই বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য ‘পয়মন্ত’ হিসেবে পরিচিত, সেই নেপালেই আজ ধরাশায়ী হতে হলো লাল-সবুজের মেয়েদের। সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করে শিরোপা জিতেছে ভরত।

কয়েক মাস ধরে ভারত-বাংলাদেশ ফুটবল লড়াইয়ে একক আধিপত্য ছিল বাংলাদেশের। নভেম্বরে পুরুষ ফুটবল এবং গত মাসে নারী ফুটসালে জয়ের পর এই সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ ফুটবলের লিগ পর্বেও জয় এসেছিল। কিন্তু ফাইনালের মঞ্চে এসে ফল পাল্টে দিয়েছে ভারতের মেয়েরা।

পোখারার এবড়োখেবড়ো মাঠে রক্ষণ ও গোলকিপারের ভুলই বাংলাদেশের হারের বড় কারণ। লিগ পর্বে ভারতকে ২-০ গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থাকা বাংলাদেশ ফাইনালে ছিল নিজেদের ছায়া হয়ে। ম্যাচে আধিপত্য ধরে রাখা দূরের কথা, রক্ষণের মারাত্মক সব ভুলে গোল হজম করতে হয়েছে একের পর এক। ম্যাচের অনেকটা নিয়ন্ত্রণ ভারতের হাতে চলে যায় প্রথমার্ধেই।

৪০ মিনিটে বাঁ দিক থেকে আসা একটি ক্রসে বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা পজিশন হারিয়ে ফেললে অরক্ষিত অবস্থায় বল পান ভারতের এক ফরোয়ার্ড। তিনি আলতো করে বল ঠেলেন অধিনায়ক জুলান নংমাইথেমকে। খুব কাছ থেকে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি মনিপুরের মেয়ে।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর বদলে ৬০ মিনিটে পিছিয়ে থাকার ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। বক্সে ভারতের ফরোয়ার্ড আলভা দেবী বাংলাদেশের গোলকিপার ইয়ারজান বেগম ও এক ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় পড়ে যান। ভুটানি রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজানোর পর লক্ষ্যভেদ করেন এলিজাবেদ লাকড়া।

৬৮ মিনিটে গোলকিপার ইয়ারজানের ভুলে শেষ হয়ে যায় সব আশা। বদলি খেলোয়াড় প্রতীমার ব্যাকপাস ক্লিয়ার করতে গিয়ে ভারতের পার্ল ফার্নান্দেজের গায়ে বল মারেন ইয়ারজান। ফিরতি শটে ফাঁকা জালে বল ঠেলে দিতে ভুল করেননি ফার্নান্দেজ। আগেভাগেই হেরে বসা বাংলাদেশ ৮৩ মিনিটে হজম করে চতুর্থ গোল (গোলদাতা অন্বিতা রঘুরামন)।

সাফ অনূর্ধ্ব-১৮, ১৯ ও ২০—এই তিন বিভাগের সর্বশেষ ৬টি আসরের ৫টিতেই চ্যাম্পিয়ন ছিল বাংলাদেশ। অনূর্ধ্ব-১৯ বিভাগে হওয়া ২০২৪ আসরে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ছিল বাংলাদেশ ও ভারত। এবার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে টুর্নামেন্ট শুরু করা বাংলাদেশের মেয়েরা ফাইনালের আগপর্যন্ত ছিল অপ্রতিরোধ্য। ফাইনালের আগে পিটার বাটলারের মেয়েরা তিন ম্যাচে ১৮ গোল করে কোনো গোল হজম করেনি। ভারত তিন ম্যাচে করে ৯ গোল, হজম করেছিল ২ গোল।

এই টুর্নামেন্টটি মূলত আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এএফসি নারী এশিয়ান কাপের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছিলেন কোচ পিটার বাটলার। যদিও সিনিয়র ফুটবলাররা নেই এই দলে। তবে ফাইনালের এমন হার কোচ এবং খেলোয়াড়দের জন্য বড় এক সতর্কবার্তা হয়েই থাকল।
টুর্নামেন্টে দুটি হ্যাটট্রিকসহ  ৭টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা বাংলাদেশের আলপি আক্তার। মুনকি আক্তার করেছেন ৪টি গোল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আপডেট সময় : ১২:৪০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
264

নেপালের পোখারায় আক্ষেপের গল্প লিখল বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল দল। যে নেপাল বরাবরই বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য ‘পয়মন্ত’ হিসেবে পরিচিত, সেই নেপালেই আজ ধরাশায়ী হতে হলো লাল-সবুজের মেয়েদের। সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করে শিরোপা জিতেছে ভরত।

কয়েক মাস ধরে ভারত-বাংলাদেশ ফুটবল লড়াইয়ে একক আধিপত্য ছিল বাংলাদেশের। নভেম্বরে পুরুষ ফুটবল এবং গত মাসে নারী ফুটসালে জয়ের পর এই সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ ফুটবলের লিগ পর্বেও জয় এসেছিল। কিন্তু ফাইনালের মঞ্চে এসে ফল পাল্টে দিয়েছে ভারতের মেয়েরা।

পোখারার এবড়োখেবড়ো মাঠে রক্ষণ ও গোলকিপারের ভুলই বাংলাদেশের হারের বড় কারণ। লিগ পর্বে ভারতকে ২-০ গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থাকা বাংলাদেশ ফাইনালে ছিল নিজেদের ছায়া হয়ে। ম্যাচে আধিপত্য ধরে রাখা দূরের কথা, রক্ষণের মারাত্মক সব ভুলে গোল হজম করতে হয়েছে একের পর এক। ম্যাচের অনেকটা নিয়ন্ত্রণ ভারতের হাতে চলে যায় প্রথমার্ধেই।

৪০ মিনিটে বাঁ দিক থেকে আসা একটি ক্রসে বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা পজিশন হারিয়ে ফেললে অরক্ষিত অবস্থায় বল পান ভারতের এক ফরোয়ার্ড। তিনি আলতো করে বল ঠেলেন অধিনায়ক জুলান নংমাইথেমকে। খুব কাছ থেকে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি মনিপুরের মেয়ে।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর বদলে ৬০ মিনিটে পিছিয়ে থাকার ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। বক্সে ভারতের ফরোয়ার্ড আলভা দেবী বাংলাদেশের গোলকিপার ইয়ারজান বেগম ও এক ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় পড়ে যান। ভুটানি রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজানোর পর লক্ষ্যভেদ করেন এলিজাবেদ লাকড়া।

৬৮ মিনিটে গোলকিপার ইয়ারজানের ভুলে শেষ হয়ে যায় সব আশা। বদলি খেলোয়াড় প্রতীমার ব্যাকপাস ক্লিয়ার করতে গিয়ে ভারতের পার্ল ফার্নান্দেজের গায়ে বল মারেন ইয়ারজান। ফিরতি শটে ফাঁকা জালে বল ঠেলে দিতে ভুল করেননি ফার্নান্দেজ। আগেভাগেই হেরে বসা বাংলাদেশ ৮৩ মিনিটে হজম করে চতুর্থ গোল (গোলদাতা অন্বিতা রঘুরামন)।

সাফ অনূর্ধ্ব-১৮, ১৯ ও ২০—এই তিন বিভাগের সর্বশেষ ৬টি আসরের ৫টিতেই চ্যাম্পিয়ন ছিল বাংলাদেশ। অনূর্ধ্ব-১৯ বিভাগে হওয়া ২০২৪ আসরে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ছিল বাংলাদেশ ও ভারত। এবার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে টুর্নামেন্ট শুরু করা বাংলাদেশের মেয়েরা ফাইনালের আগপর্যন্ত ছিল অপ্রতিরোধ্য। ফাইনালের আগে পিটার বাটলারের মেয়েরা তিন ম্যাচে ১৮ গোল করে কোনো গোল হজম করেনি। ভারত তিন ম্যাচে করে ৯ গোল, হজম করেছিল ২ গোল।

এই টুর্নামেন্টটি মূলত আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এএফসি নারী এশিয়ান কাপের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছিলেন কোচ পিটার বাটলার। যদিও সিনিয়র ফুটবলাররা নেই এই দলে। তবে ফাইনালের এমন হার কোচ এবং খেলোয়াড়দের জন্য বড় এক সতর্কবার্তা হয়েই থাকল।
টুর্নামেন্টে দুটি হ্যাটট্রিকসহ  ৭টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা বাংলাদেশের আলপি আক্তার। মুনকি আক্তার করেছেন ৪টি গোল।