ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রিল বানাতে ব্যস্ত বাবা-মা ঢেউয়ে ভেসে যাচ্ছিল শিশু শেষ মুহূর্তে প্রাণ বাঁচালেন প্রত্যক্ষদর্শী সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে ভুয়া কর্মকর্তা কবিরের দাপট সাভার থানার ওসি অসুস্থ, এনাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন সাভারের দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঝুট ছিনতাই করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সবুজায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুড়িগ্রামের ঢাকা-রৌমারী মহাসড়কে অটোরিকশা-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৫ আশুলিয়ায় ৫২ কেজি গাঁজাসহ পেশাদার মাদক কারবারী গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ বাঘায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, ২ লাখ টাকা জরিমানা সাভারে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৬৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ আশুলিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ৩, হায়েস মাইক্রোবাসসহ অস্ত্র উদ্ধার

রিল বানাতে ব্যস্ত বাবা-মা ঢেউয়ে ভেসে যাচ্ছিল শিশু শেষ মুহূর্তে প্রাণ বাঁচালেন প্রত্যক্ষদর্শী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৮:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
16

রিল তৈরিতে ব্যস্ত বাবা-মা, ঢেউয়ের ঝুঁকিতে শিশু; প্রত্যক্ষদর্শীর তৎপরতায় রক্ষা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিল তৈরির ব্যস্ততা কীভাবে মানুষের দায়িত্ববোধ ও সতর্কতাকে আড়াল করে দিতে পারে, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে সমুদ্রসৈকতের একটি ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে। ভিডিওতে দেখা যায়, বাবা-মা নিজেদের রিল তৈরিতে ব্যস্ত থাকাকালে তাঁদের শিশুসন্তান সমুদ্রের ঢেউয়ের ঝুঁকিতে পড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত এক প্রত্যক্ষদর্শীর তাৎক্ষণিক উদ্যোগে প্রাণে বেঁচে যায় শিশুটি।

গালফ নিউজের বরাতে জানা যায়, ভাইরাল ভিডিওতে এক দম্পতিকে সমুদ্রসৈকতে মোবাইল ফোন বা সেলফি স্টিক ব্যবহার করে ভিডিও ধারণ করতে দেখা যায়। এ সময় তাঁদের শিশুসন্তান সমুদ্রের পানির খুব কাছাকাছি অবস্থান করছিল। হঠাৎ শক্তিশালী ঢেউ তীরে আছড়ে পড়লে শিশুটির জন্য বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝতে পেরে কাছাকাছি থাকা এক ব্যক্তি দ্রুত শিশুটির দিকে ছুটে যান। পরে তিনি শিশুটিকে পানি থেকে নিরাপদে তুলে আনেন। ওই ব্যক্তির দ্রুত পদক্ষেপ না থাকলে শিশুটির বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারত বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অভিভাবকদের দায়িত্ববোধ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, সমুদ্রের মতো ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে শিশুকে নিয়ে যাওয়ার পরও কীভাবে বাবা-মা ভিডিও ধারণে এতটাই মগ্ন থাকতে পারেন যে সন্তানের নিরাপত্তার বিষয়টি উপেক্ষিত হয়।

সমুদ্রসৈকতে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সার্বক্ষণিক নজরদারি অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ ও পানির প্রবল স্রোত মুহূর্তের মধ্যেই বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। তাই ছবি বা ভিডিও ধারণের চেয়ে সন্তানের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সচেতন ব্যক্তিরা।

তবে ভিডিওটি ঠিক কোথায় ও কখন ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। শিশুটির বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়টিও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য কয়েক সেকেন্ডের আকর্ষণীয় ভিডিও তৈরির চেয়ে সন্তানের জীবন ও নিরাপত্তা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সামান্য অসতর্কতাও বড় বিপদের কারণ হতে পারে। তাই সমুদ্রসৈকতসহ যেকোনো ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে শিশুদের নিয়ে গেলে অভিভাবকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রিল বানাতে ব্যস্ত বাবা-মা ঢেউয়ে ভেসে যাচ্ছিল শিশু শেষ মুহূর্তে প্রাণ বাঁচালেন প্রত্যক্ষদর্শী

আপডেট সময় : ০৭:০৮:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
16

রিল তৈরিতে ব্যস্ত বাবা-মা, ঢেউয়ের ঝুঁকিতে শিশু; প্রত্যক্ষদর্শীর তৎপরতায় রক্ষা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিল তৈরির ব্যস্ততা কীভাবে মানুষের দায়িত্ববোধ ও সতর্কতাকে আড়াল করে দিতে পারে, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে সমুদ্রসৈকতের একটি ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে। ভিডিওতে দেখা যায়, বাবা-মা নিজেদের রিল তৈরিতে ব্যস্ত থাকাকালে তাঁদের শিশুসন্তান সমুদ্রের ঢেউয়ের ঝুঁকিতে পড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত এক প্রত্যক্ষদর্শীর তাৎক্ষণিক উদ্যোগে প্রাণে বেঁচে যায় শিশুটি।

গালফ নিউজের বরাতে জানা যায়, ভাইরাল ভিডিওতে এক দম্পতিকে সমুদ্রসৈকতে মোবাইল ফোন বা সেলফি স্টিক ব্যবহার করে ভিডিও ধারণ করতে দেখা যায়। এ সময় তাঁদের শিশুসন্তান সমুদ্রের পানির খুব কাছাকাছি অবস্থান করছিল। হঠাৎ শক্তিশালী ঢেউ তীরে আছড়ে পড়লে শিশুটির জন্য বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝতে পেরে কাছাকাছি থাকা এক ব্যক্তি দ্রুত শিশুটির দিকে ছুটে যান। পরে তিনি শিশুটিকে পানি থেকে নিরাপদে তুলে আনেন। ওই ব্যক্তির দ্রুত পদক্ষেপ না থাকলে শিশুটির বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারত বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অভিভাবকদের দায়িত্ববোধ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, সমুদ্রের মতো ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে শিশুকে নিয়ে যাওয়ার পরও কীভাবে বাবা-মা ভিডিও ধারণে এতটাই মগ্ন থাকতে পারেন যে সন্তানের নিরাপত্তার বিষয়টি উপেক্ষিত হয়।

সমুদ্রসৈকতে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সার্বক্ষণিক নজরদারি অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ ও পানির প্রবল স্রোত মুহূর্তের মধ্যেই বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। তাই ছবি বা ভিডিও ধারণের চেয়ে সন্তানের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সচেতন ব্যক্তিরা।

তবে ভিডিওটি ঠিক কোথায় ও কখন ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। শিশুটির বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়টিও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য কয়েক সেকেন্ডের আকর্ষণীয় ভিডিও তৈরির চেয়ে সন্তানের জীবন ও নিরাপত্তা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সামান্য অসতর্কতাও বড় বিপদের কারণ হতে পারে। তাই সমুদ্রসৈকতসহ যেকোনো ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে শিশুদের নিয়ে গেলে অভিভাবকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।