ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই বিরুলিয়ার ইউনিয়ন ফাঁড়ি ইনচার্জ আল আমীন উলিপুরে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নিজেকে আধুনিক ও আপডেটেড রেখে জনগণের সেবা করতে হবে: আইজিপি উৎসবের আমেজে বাঘায় পহেলা বৈশাখ উদযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত আদালতে ২০ মিনিট অবস্থান শেষে সিঁড়ি থেকে পড়ে যান শিরীন শারমিন রাজশাহীতে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় মিথ্যা অপবাদের অভিযোগ উলিপুর হাসপাতালে ছাদের পলেস্তারা খসে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন বাবা-মেয়ে বাঘায় মাদকসহ একজন আটক, ৪০ পিস ইয়াবা উদ্ধার মনিগ্রামে পুকুরে চা বিক্রেতার লাশ উদ্ধার, রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য ২০ বছর পলাতক থাকার পর রাজশাহীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

উলিপুর হাসপাতালে ছাদের পলেস্তারা খসে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন বাবা-মেয়ে

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:১০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
35

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন এক বাবা ও তার মেয়ে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের বামনেরহাট এলাকার সাদুল্লা সরকারপাড়ার বাসিন্দা আইরিন বেগম নামে এক রোগীকে দেখতে তার স্বামী রওশন মিয়া ও মেয়ে হাসপাতালে আসেন। তারা দ্বিতীয় তলায় ওঠার কিছুক্ষণের মধ্যেই হঠাৎ ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে। অল্পের জন্য তারা প্রাণে রক্ষা পান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় হাসপাতালে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রোগী ও স্বজনদের মধ্যে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া রওশন মিয়া বলেন, “অসুস্থ স্ত্রীকে দেখতে আমরা দ্বিতীয় তলায় উঠি। কিছুক্ষণ পরই আমাদের সামনে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে।

আর একটু সামনে এগোলেই বড় দুর্ঘটনার শিকার হতাম।” হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনের অধিকাংশ কক্ষই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং পুরো ভবনটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তানজিরুল ইসলাম বলেন, “দ্রুত ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবন নির্মাণ না করলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।” এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হারুন অর রশিদ বলেন, “ভবনটি অনেক পুরোনো হওয়ায় কক্ষগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এতে চিকিৎসক ও রোগী—উভয়েই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।” তিনি দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ বা পুনর্বাসনের জোর দাবি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উলিপুর হাসপাতালে ছাদের পলেস্তারা খসে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন বাবা-মেয়ে

আপডেট সময় : ০৫:১০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
35

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন এক বাবা ও তার মেয়ে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের বামনেরহাট এলাকার সাদুল্লা সরকারপাড়ার বাসিন্দা আইরিন বেগম নামে এক রোগীকে দেখতে তার স্বামী রওশন মিয়া ও মেয়ে হাসপাতালে আসেন। তারা দ্বিতীয় তলায় ওঠার কিছুক্ষণের মধ্যেই হঠাৎ ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে। অল্পের জন্য তারা প্রাণে রক্ষা পান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় হাসপাতালে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রোগী ও স্বজনদের মধ্যে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া রওশন মিয়া বলেন, “অসুস্থ স্ত্রীকে দেখতে আমরা দ্বিতীয় তলায় উঠি। কিছুক্ষণ পরই আমাদের সামনে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে।

আর একটু সামনে এগোলেই বড় দুর্ঘটনার শিকার হতাম।” হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনের অধিকাংশ কক্ষই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং পুরো ভবনটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তানজিরুল ইসলাম বলেন, “দ্রুত ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবন নির্মাণ না করলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।” এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হারুন অর রশিদ বলেন, “ভবনটি অনেক পুরোনো হওয়ায় কক্ষগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এতে চিকিৎসক ও রোগী—উভয়েই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।” তিনি দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ বা পুনর্বাসনের জোর দাবি জানান।