ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শরীয়তপুর থেকে কুয়াকাটা ঘুরতে এসে বাইক দুর্ঘটনায় কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু পবিত্র ঈদুল আজহার চতুর্থ দিনেও কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল, প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে নির্যাতনের শিকার সাংবাদিক, গাজীপুরে গ্রেপ্তার ৫ উলিপুরে রক্তাক্ত সংঘর্ষ: ছুরিকাঘাতে ৫ জন আহত, দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ময়মনসিংহে পিকআপ-অটোরিকশা সংঘর্ষে বাবা ছেলের মৃত্যু হাজারো পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ উলিপুরে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের উদ্যোগে মাংস বিতরণ উলিপুরের দুর্গম চরাঞ্চলে আনসারী দম্পতির সহায়তায় ফিরল ঈদের আনন্দ নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ঈদ উদযাপনে পাশে আছে আরএমপি পুলিশ কমিশনার চকরাজাপুরে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগ আইনশৃঙ্খলা জোরদারের আশায় এলাকাবাসী

অসহায় আবিদা বেগমের পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা প্রশাসন

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:১৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
162

আবিদা বেগম—নামটি হয়তো খুব সাধারণ, কিন্তু তার ভেতরে লুকিয়ে আছে অসাধারণ এক মায়ার গল্প। তার চোখে যেন অপার মমতার ছায়া লেগে থাকে। দূর থেকেই তাকে দেখলে মনে হয়, সেই মায়া ডেকে নিচ্ছে আপন করে।

কেউ কাছে গেলেই তিনি মৃদু স্বরে বলেন, “বাবা, তোমার জন্য একটু পানি নিয়ে আসি?”—সাধারণ এই কথার মাঝেই প্রকাশ পায় তার অগাধ আন্তরিকতা ও ভালোবাসা। জীবনের কঠিন বাস্তবতায় জর্জরিত আবিদা বেগম কখনো সরাসরি নিজের প্রয়োজনের কথা তুলে ধরেন না।

তবুও তার চোখের ভাষা যেন সবকিছু বলে দেয়। সেই দৃষ্টিতে থাকে এক নীরব আবেদন, অজানা কষ্টের গল্প। তার হাসিমাখা মুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকে সংগ্রামের দীর্ঘ ইতিহাস। এমনই এক অসহায় ও মানবিক হৃদয়ের মানুষ আবিদা বেগমের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে উলিপুর উপজেলা প্রশাসন।

স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে তার খোঁজখবর নেওয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। প্রশাসনের এই মানবিক পদক্ষেপ এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সমাজের অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের দায়িত্ব।

আবিদা বেগমের মতো মানুষদের সহযোগিতা করা শুধু দায়িত্ব নয়, এটি মানবিকতারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্থানীয়রা জানান, আবিদা বেগম অত্যন্ত সাদাসিধে ও পরোপকারী মানুষ। নিজের কষ্টের কথা না বললেও অন্যের খোঁজখবর নিতে তিনি সবসময় আগ্রহী থাকেন।

তার এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও মানবিকতা সবাইকে মুগ্ধ করে। তার মুখে আরেকটু হাসি ফোটানোর এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে একটি মানবিক উদাহরণ হয়ে থাকবে। সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মহলও যদি এগিয়ে আসে, তবে আবিদা বেগমের মতো অনেক অসহায় মানুষের জীবন বদলে যেতে পারে। শেষে একটাই প্রার্থনা—সৃষ্টিকর্তা আবিদা বেগমদের ভালো রাখুন, যারা শব্দের চেয়ে অনুভূতির ভাষায় কথা বলতে জানে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অসহায় আবিদা বেগমের পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা প্রশাসন

আপডেট সময় : ০৩:১৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
162

আবিদা বেগম—নামটি হয়তো খুব সাধারণ, কিন্তু তার ভেতরে লুকিয়ে আছে অসাধারণ এক মায়ার গল্প। তার চোখে যেন অপার মমতার ছায়া লেগে থাকে। দূর থেকেই তাকে দেখলে মনে হয়, সেই মায়া ডেকে নিচ্ছে আপন করে।

কেউ কাছে গেলেই তিনি মৃদু স্বরে বলেন, “বাবা, তোমার জন্য একটু পানি নিয়ে আসি?”—সাধারণ এই কথার মাঝেই প্রকাশ পায় তার অগাধ আন্তরিকতা ও ভালোবাসা। জীবনের কঠিন বাস্তবতায় জর্জরিত আবিদা বেগম কখনো সরাসরি নিজের প্রয়োজনের কথা তুলে ধরেন না।

তবুও তার চোখের ভাষা যেন সবকিছু বলে দেয়। সেই দৃষ্টিতে থাকে এক নীরব আবেদন, অজানা কষ্টের গল্প। তার হাসিমাখা মুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকে সংগ্রামের দীর্ঘ ইতিহাস। এমনই এক অসহায় ও মানবিক হৃদয়ের মানুষ আবিদা বেগমের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে উলিপুর উপজেলা প্রশাসন।

স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে তার খোঁজখবর নেওয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। প্রশাসনের এই মানবিক পদক্ষেপ এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সমাজের অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের দায়িত্ব।

আবিদা বেগমের মতো মানুষদের সহযোগিতা করা শুধু দায়িত্ব নয়, এটি মানবিকতারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্থানীয়রা জানান, আবিদা বেগম অত্যন্ত সাদাসিধে ও পরোপকারী মানুষ। নিজের কষ্টের কথা না বললেও অন্যের খোঁজখবর নিতে তিনি সবসময় আগ্রহী থাকেন।

তার এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও মানবিকতা সবাইকে মুগ্ধ করে। তার মুখে আরেকটু হাসি ফোটানোর এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে একটি মানবিক উদাহরণ হয়ে থাকবে। সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মহলও যদি এগিয়ে আসে, তবে আবিদা বেগমের মতো অনেক অসহায় মানুষের জীবন বদলে যেতে পারে। শেষে একটাই প্রার্থনা—সৃষ্টিকর্তা আবিদা বেগমদের ভালো রাখুন, যারা শব্দের চেয়ে অনুভূতির ভাষায় কথা বলতে জানে।