ঢাকা ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অসুস্থ পিতার ঋণ পরিশোধ ও সুস্থতা কামনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, প্রশংসায় ভাসছেন যুবক রাজশাহীতে মোটর শ্রমিকদের মানববন্ধন: দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি বাঘায় সালিশি সিদ্ধান্ত অমান্য ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী বাবর আলীর মানববন্ধন উলিপুরে সাপ্তাহিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন দুই মাসের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও জনসেবায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা হবে: আরএমপি কমিশনার ধামরাইয়ে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ আহত হয়েছে অনেক গবেষণায় সাফল্য অর্জনকারীদের স্বর্ণপদক ও পদোন্নতিতে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, দুদকের মামলা থাকা সত্ত্বেও পদে বহাল আরডিএ প্রকৌশলী শেখ কামরুজ্জামান উলিপুরে কৃষি কংগ্রেস ২০২৬ অনুষ্ঠিত আধুনিক কৃষির প্রসারে গুরুত্বারোপ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীবান্ধব বেঞ্চ স্থাপন, খুশি শিক্ষার্থীরা

বাঘায় সালিশি সিদ্ধান্ত অমান্য ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী বাবর আলীর মানববন্ধন

আবুল হাশেম রাজশাহী ব্যুরোঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৫০:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
8 / 100 SEO Score
10

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিরামপুর গ্রামে সালিশি বৈঠক ও দলিলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে জোরপূর্বক জমি দখল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও প্রিন্ট মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভুক্তভোগী বাবর আলী ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে শনিবার সকাল ১০টায় হরিরামপুর গ্রামের বিতর্কিত জমির পাশের রাস্তায় এ মানবন্ধন হয়। এতে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যসহ অর্ধশতাধিক স্থায়ী বাসিন্দা অংশ নেন। মানবন্ধনে বাবর আলী অভিযোগ করে বলেন, তার পিতা ১৯৭৫ সালে রাজশাহী সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের ২৯৫০ নম্বর দলিল মূলে জায়েদা খাতুন ও দুংখিনী খাতুনের কাছ থেকে দুই দাগে জমি ক্রয় করেন। নামজারি সম্পন্ন হলেও প্রতিপক্ষ মো. আলাম উদ্দিন গত ৫০ বছর ধরে তা অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন। তিনি জানান, গত ৯ মে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশি বৈঠকে কাগজপত্র দেখে উভয় পক্ষের সম্মতিতে তাকে জমির সীমানা নির্ধারণ ও দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। সীমানা খুঁটি স্থাপনের পর আলাম উদ্দিন ও তার লোকজন তা বলপ্রয়োগ করে তুলে ফেলে দেন। বর্তমানে আলাম উদ্দিন সালিশনামা গোপন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তার ও সালিশকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন বাবর আলী। বাবর আলী বলেন, ইমান উদ্দিনের ২০.৫০ শতক জমি মকবুল ও নাতনী চেনু বেগমের দখলে এবং চাহার উদ্দিনের ২০.৫ শতক জমি আলাম ও কালামের দখলে রয়েছে। তারা রাস্তার পাশে জমি পেলে এসএ ও আরএস রেকর্ডীয় প্রজা হিসেবে তিনি কেন রাস্তার সাথে জমি পাবেন না। সার্ভেয়ারের মাধ্যমে নির্ধারিত সীমানায় পূর্ব পাশের পিলার থেকে ২৫ ফুট ও পশ্চিম পাশের পিলার থেকে ১৭ ফুট দূরে তাদের বাড়ি রয়েছে, তাই বাড়ি ভাঙার আশঙ্কা ভিত্তিহীন। ৩ নম্বর পাকুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অমল থান্ডার বলেন, সালিশে উভয় পক্ষের সম্মতিতেই জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আলাম উদ্দিন সালিশকারীদের বিরুদ্ধে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা মিথ্যা ও বানোয়াট। এটি উপস্থিত সম্মানিত ব্যক্তিদের মান ক্ষুণ্ণ করেছে। সালিশে উপস্থিত সাবেক ইউপি সদস্য ছিয়ার উদ্দিন জানান, উভয় পক্ষের উপস্থিতেই সুষ্ঠু বিচার করা হয়েছিল। আলাম উদ্দিনের দেওয়া তথ্য বিভ্রান্তিকর। মানবন্ধন থেকে বাঘা উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বাবর আলীকে তার ন্যায্য জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাঘায় সালিশি সিদ্ধান্ত অমান্য ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী বাবর আলীর মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১০:৫০:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
8 / 100 SEO Score
10

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিরামপুর গ্রামে সালিশি বৈঠক ও দলিলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে জোরপূর্বক জমি দখল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও প্রিন্ট মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভুক্তভোগী বাবর আলী ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে শনিবার সকাল ১০টায় হরিরামপুর গ্রামের বিতর্কিত জমির পাশের রাস্তায় এ মানবন্ধন হয়। এতে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যসহ অর্ধশতাধিক স্থায়ী বাসিন্দা অংশ নেন। মানবন্ধনে বাবর আলী অভিযোগ করে বলেন, তার পিতা ১৯৭৫ সালে রাজশাহী সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের ২৯৫০ নম্বর দলিল মূলে জায়েদা খাতুন ও দুংখিনী খাতুনের কাছ থেকে দুই দাগে জমি ক্রয় করেন। নামজারি সম্পন্ন হলেও প্রতিপক্ষ মো. আলাম উদ্দিন গত ৫০ বছর ধরে তা অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন। তিনি জানান, গত ৯ মে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশি বৈঠকে কাগজপত্র দেখে উভয় পক্ষের সম্মতিতে তাকে জমির সীমানা নির্ধারণ ও দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। সীমানা খুঁটি স্থাপনের পর আলাম উদ্দিন ও তার লোকজন তা বলপ্রয়োগ করে তুলে ফেলে দেন। বর্তমানে আলাম উদ্দিন সালিশনামা গোপন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তার ও সালিশকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন বাবর আলী। বাবর আলী বলেন, ইমান উদ্দিনের ২০.৫০ শতক জমি মকবুল ও নাতনী চেনু বেগমের দখলে এবং চাহার উদ্দিনের ২০.৫ শতক জমি আলাম ও কালামের দখলে রয়েছে। তারা রাস্তার পাশে জমি পেলে এসএ ও আরএস রেকর্ডীয় প্রজা হিসেবে তিনি কেন রাস্তার সাথে জমি পাবেন না। সার্ভেয়ারের মাধ্যমে নির্ধারিত সীমানায় পূর্ব পাশের পিলার থেকে ২৫ ফুট ও পশ্চিম পাশের পিলার থেকে ১৭ ফুট দূরে তাদের বাড়ি রয়েছে, তাই বাড়ি ভাঙার আশঙ্কা ভিত্তিহীন। ৩ নম্বর পাকুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অমল থান্ডার বলেন, সালিশে উভয় পক্ষের সম্মতিতেই জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আলাম উদ্দিন সালিশকারীদের বিরুদ্ধে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা মিথ্যা ও বানোয়াট। এটি উপস্থিত সম্মানিত ব্যক্তিদের মান ক্ষুণ্ণ করেছে। সালিশে উপস্থিত সাবেক ইউপি সদস্য ছিয়ার উদ্দিন জানান, উভয় পক্ষের উপস্থিতেই সুষ্ঠু বিচার করা হয়েছিল। আলাম উদ্দিনের দেওয়া তথ্য বিভ্রান্তিকর। মানবন্ধন থেকে বাঘা উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বাবর আলীকে তার ন্যায্য জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়।