ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, দুদকের মামলা থাকা সত্ত্বেও পদে বহাল আরডিএ প্রকৌশলী শেখ কামরুজ্জামান উলিপুরে কৃষি কংগ্রেস ২০২৬ অনুষ্ঠিত আধুনিক কৃষির প্রসারে গুরুত্বারোপ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীবান্ধব বেঞ্চ স্থাপন, খুশি শিক্ষার্থীরা ঈশ্বরদীতে ক্লাস চলাকালীন প্লাস্টিকের ডোপ থেকে ছড়ানো গন্ধে শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ, এলাকায় চাঞ্চল্য রাজশাহীকে ঢেলে সাজাতে চাই বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে রাসিক প্রশাসক জেন্ডার পরিবর্তন করে আসা নৃত্যশিল্পীকে ধর্ষণ ও প্রতারণার অভিযোগে প্রেমিক গ্রেফতার পটুয়াখালী জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কর্তৃক কুয়াকাটা হতে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক বাঘায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে এমপি চাঁদের নগদ অর্থ প্রদান ও সরকারি সহায়তার আশ্বাস হারানো বিজ্ঞাপ্তি বাঘায় নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন গৃহহীন আছান আলীর হাতে নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর

আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, দুদকের মামলা থাকা সত্ত্বেও পদে বহাল আরডিএ প্রকৌশলী শেখ কামরুজ্জামান

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
  • আপডেট সময় : ১১:৫৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
10 / 100 SEO Score
23

রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আরডিএ’র সহকারী প্রকৌশলী শেখ কামরুজ্জামানের সঙ্গে এক নারীর আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজনদের মাঝে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা।

দুদকের দুটি মামলায় অভিযুক্ত এবং দুর্নীতি ও ম্যানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে কারাগারে যাওয়া এই প্রকৌশলী কীভাবে এখনো আরডিএতে স্বপদে বহাল আছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর আরডিএ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

সূত্র জানায়, ২০০৪ সালে আরডিএর সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শেখ কামরুজ্জামান লিখিত পরীক্ষায় ২৪ নম্বর পেয়ে অকৃতকার্য হন। ন্যূনতম পাস নম্বর ছিল ৩। তারপরও তৎকালীন চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাকে নিয়োগ দেন।

২০১ সালে নিয়োগবঞ্চিতরা দুদকে অভিযোগ করলে তদন্ত শেষে ২০১৮ সালে রাজশাহী বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। মামলায় আরডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আব্দুর রব জোয়ার্দারকেও অভিযুক্ত করা হয়।

২০২৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ম্যানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে শেখ কামরুজ্জামান ও তার স্ত্রী নিশাত তামান্নাকে কারাগারে পাঠান আদালত। তখন তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের কয়েকজন নেতার প্রভাব খাটিয়ে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করিয়ে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

কামরুজ্জামানের দাবি, হাইকোর্ট থেকে দুদকের মামলায় ৬ মাসের স্টে অর্ডার ছিল। সেই সময় চাকরিতে যোগ দিয়ে দেড় বছর ধরে স্টে অর্ডার না নিয়েই তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগ রয়েছে, সহকারী প্রকৌশলী পদে থেকেও তিনি নামে-বেনামে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন।

দুদকের মামলা, নারী কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও বিএনপি-আওয়ামী লীগ উভয় সরকারের আমলে অদৃশ্য শক্তির বলে তিনি দাপটের সঙ্গে চাকরি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, দুদকের মামলা থাকা সত্ত্বেও পদে বহাল আরডিএ প্রকৌশলী শেখ কামরুজ্জামান

আপডেট সময় : ১১:৫৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
10 / 100 SEO Score
23

রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আরডিএ’র সহকারী প্রকৌশলী শেখ কামরুজ্জামানের সঙ্গে এক নারীর আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজনদের মাঝে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা।

দুদকের দুটি মামলায় অভিযুক্ত এবং দুর্নীতি ও ম্যানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে কারাগারে যাওয়া এই প্রকৌশলী কীভাবে এখনো আরডিএতে স্বপদে বহাল আছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর আরডিএ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

সূত্র জানায়, ২০০৪ সালে আরডিএর সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শেখ কামরুজ্জামান লিখিত পরীক্ষায় ২৪ নম্বর পেয়ে অকৃতকার্য হন। ন্যূনতম পাস নম্বর ছিল ৩। তারপরও তৎকালীন চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাকে নিয়োগ দেন।

২০১ সালে নিয়োগবঞ্চিতরা দুদকে অভিযোগ করলে তদন্ত শেষে ২০১৮ সালে রাজশাহী বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। মামলায় আরডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আব্দুর রব জোয়ার্দারকেও অভিযুক্ত করা হয়।

২০২৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ম্যানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে শেখ কামরুজ্জামান ও তার স্ত্রী নিশাত তামান্নাকে কারাগারে পাঠান আদালত। তখন তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের কয়েকজন নেতার প্রভাব খাটিয়ে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করিয়ে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

কামরুজ্জামানের দাবি, হাইকোর্ট থেকে দুদকের মামলায় ৬ মাসের স্টে অর্ডার ছিল। সেই সময় চাকরিতে যোগ দিয়ে দেড় বছর ধরে স্টে অর্ডার না নিয়েই তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগ রয়েছে, সহকারী প্রকৌশলী পদে থেকেও তিনি নামে-বেনামে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন।

দুদকের মামলা, নারী কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও বিএনপি-আওয়ামী লীগ উভয় সরকারের আমলে অদৃশ্য শক্তির বলে তিনি দাপটের সঙ্গে চাকরি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।