কুড়িগ্রামে করলা চুরির অভিযোগে স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল
- আপডেট সময় : ০৬:১৪:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় করলা চুরির অভিযোগে এক নারীকে গাছে বেঁধে লাঠিপেটার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন এর বংশিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বংশিপাড়া এলাকার কৃষক ফরহাদ হোসেনের জমি থেকে করলা তোলার সময় ছালেহা বেগম (৪০) নামে এক নারীকে হাতেনাতে আটক করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তার কাছ থেকে একটি বস্তাভর্তি করলা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি তার পরিবারের সদস্যদের জানানো হলে সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তার স্বামী বদিয়া মিয়া ঘটনাস্থলে আসেন। এরপর সবার সামনেই স্ত্রীকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এসময় উপস্থিত লোকজন কেউ তাকে বাধা দেননি। বরং ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা পরবর্তীতে ভাইরাল হয়ে পড়ে। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে চুরির শাস্তি হিসেবে দেখলেও অধিকাংশই একে অমানবিক ও আইনবহির্ভূত নির্যাতন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। জমির মালিক ফরহাদ হোসেন বলেন, “আমার জমি থেকে প্রায়ই করলা চুরি হচ্ছিল। তাই আগে থেকেই নজর রাখছিলাম। সকালে তাকে এক বস্তা করলাসহ ধরে ফেলি। পরে তার স্বামীকে খবর দিলে তিনি এসে মারধর করেন।” এ বিষয়ে দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবুল হোসেন জানান, “এক নারীকে করলাসহ আটক করা হয়েছিল। পরে তার স্বামী এসে শাসন করে বাড়িতে নিয়ে যান। তবে মারধরের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।” রৌমারী থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওছার আলী বলেন, “ঘটনার ভিডিও দেখেছি। এভাবে কাউকে গাছে বেঁধে মারধর করা ঠিক হয়নি। কেউ অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


















