ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শেষ ম্যাচে ওমানকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে স্বস্তির জয় পেল অস্ট্রেলিয়া একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন আব্বু আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী ও নিবেদিতপ্রাণ মানুষ বলেছেন জাইমা রহমান ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে যাবেন জামায়াতের আমির। সমতার ভিত্তিতে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন শামা ওবায়েদ। বর্তমানে যে পরিমাণ খাদ্যপণ্য মজুত রয়েছে তা দিয়ে বাজারদর স্থিতিশীল রাখা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। বাঘায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী ও মাদকসহ গ্রেপ্তার ২ মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের তথ্য দিন পরিচয় গোপন রাখা হবে ঢাকা ১৯ আসনের এমপি সালাউদ্দিন বাবু রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে সাভার ও আশুলিয়াতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু সড়কে পরিবহন খাতে যেটাকে চাঁদা বলা হয়, আমি সেটিকে সেভাবে চাঁদা হিসেবে দেখি না: সড়কমন্ত্রী

শেষ ম্যাচে ওমানকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে স্বস্তির জয় পেল অস্ট্রেলিয়া

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
8

এতে কি অস্ট্রেলিয়ানদের মনখারাপ কিছুটা কমবে? হয়তো কমতে পারে। মাত্র ৯.৪ ওভারে ১০৮ রান তুলে ৯ উইকেটের দাপুটে জয় যে কোনো দলের জন্যই স্বস্তির।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া প্রথমে ওমানকে আটকে দেয় ১০৫ রানে। এরপর মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেডদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে খুব সহজেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে তারা।

এই জয়টি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যৌথভাবে দ্রুততম রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডের সমান। এর আগে ২০২৪ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৯.৪ ওভারে লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছিল ইংল্যান্ডও।

যদিও আগেই গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া, তবু জয়টি আরও বড় হতে পারত। ১০ উইকেটের জয় হাতছানি দিচ্ছিল। কিন্তু লক্ষ্য থেকে ১৩ রান দূরে থাকতে ওপেনার হেড ১৯ বলে ৩২ রান করে আউট হলে সেই সম্ভাবনা আর থাকেনি। এক প্রান্তে অধিনায়ক মার্শ ৩৩ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন। তিন নম্বরে নেমে জশ ইংলিস ৬ বলে ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দেন বোলাররাই। বিশেষ করে লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। তিনি ২১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন।

টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়া অস্ট্রেলিয়া শুরু থেকেই ওমানকে চাপে রাখে। ইনিংসের প্রথম বলেই জাভিয়ের বার্টলেট ওমানের ওপেনার আমির কালিমকে বোল্ড করেন। কিছুক্ষণ পর ফেরান আরেক ওপেনার যতিন্দর সিংকেও। ওমানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন ওয়াসিম আলী।

বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে জয় দিয়ে, তবে হতাশা কাটেনি। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মার্শ স্বীকার করেন, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে তারা নিজেদের সেরা খেলাটা দেখাতে পারেননি। জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের কথাও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, ড্রেসিংরুমে এখন গভীর হতাশা।

ম্যাচসেরা জাম্পাও বলেন, কয়েকটা দিন খুব কঠিন গেছে। বিশ্বকাপ থেকে এত দ্রুত বিদায় নেওয়া সত্যিই কষ্টের, আর ড্রেসিংরুমে এখন এক ধরনের নীরবতা কাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শেষ ম্যাচে ওমানকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে স্বস্তির জয় পেল অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
8

এতে কি অস্ট্রেলিয়ানদের মনখারাপ কিছুটা কমবে? হয়তো কমতে পারে। মাত্র ৯.৪ ওভারে ১০৮ রান তুলে ৯ উইকেটের দাপুটে জয় যে কোনো দলের জন্যই স্বস্তির।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া প্রথমে ওমানকে আটকে দেয় ১০৫ রানে। এরপর মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেডদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে খুব সহজেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে তারা।

এই জয়টি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যৌথভাবে দ্রুততম রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডের সমান। এর আগে ২০২৪ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৯.৪ ওভারে লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছিল ইংল্যান্ডও।

যদিও আগেই গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া, তবু জয়টি আরও বড় হতে পারত। ১০ উইকেটের জয় হাতছানি দিচ্ছিল। কিন্তু লক্ষ্য থেকে ১৩ রান দূরে থাকতে ওপেনার হেড ১৯ বলে ৩২ রান করে আউট হলে সেই সম্ভাবনা আর থাকেনি। এক প্রান্তে অধিনায়ক মার্শ ৩৩ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন। তিন নম্বরে নেমে জশ ইংলিস ৬ বলে ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দেন বোলাররাই। বিশেষ করে লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। তিনি ২১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন।

টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়া অস্ট্রেলিয়া শুরু থেকেই ওমানকে চাপে রাখে। ইনিংসের প্রথম বলেই জাভিয়ের বার্টলেট ওমানের ওপেনার আমির কালিমকে বোল্ড করেন। কিছুক্ষণ পর ফেরান আরেক ওপেনার যতিন্দর সিংকেও। ওমানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন ওয়াসিম আলী।

বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে জয় দিয়ে, তবে হতাশা কাটেনি। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মার্শ স্বীকার করেন, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে তারা নিজেদের সেরা খেলাটা দেখাতে পারেননি। জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের কথাও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, ড্রেসিংরুমে এখন গভীর হতাশা।

ম্যাচসেরা জাম্পাও বলেন, কয়েকটা দিন খুব কঠিন গেছে। বিশ্বকাপ থেকে এত দ্রুত বিদায় নেওয়া সত্যিই কষ্টের, আর ড্রেসিংরুমে এখন এক ধরনের নীরবতা কাজ করছে।