ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তানোরে ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ মুক্তা কম্পিউটার এর মালিক ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে সাভারে চাঁদাবাজির অভিযোগে তিন কথিত সাংবাদিক গ্রেপ্তার করে পুলিশ দুদকের জালে অভিযুক্তদের পাল্টা চাল: রেলের ভাবমূর্তি বিনষ্টে মিডিয়া বিভ্রান্তির নতুন খেলা সিটি কর্পোরেশনের খেলার মাঠের সুব্যবস্থাকরণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত সাভারের বহুতল ভবন থেকে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু বাঘা পৌরসভার কাশেম-ফকির মাজারে টিউবওয়েল স্থাপন করলেন শামীম সরকার সাভারের খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় সাভারের বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় মৎস্য উদযাপিত করা হয় সাভারের মোফাজ্জল মোমেনা চাকলাদার মহিলা ডিগ্রি কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত বাঘার চকরাজাপুরে ২০০ পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ

তানোরে ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ মুক্তা কম্পিউটার এর মালিক ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
  • আপডেট সময় : ০৭:২১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
19

রাজশাহীর তানোরে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীদের সরকারি অর্থ জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে একটি কম্পিউটার সেবাকেন্দ্রের মালিক ও এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। ​

বুধবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় ভুক্তভোগীদের পক্ষে আনসার আলী নামে এক ব্যক্তি রাজশাহীর জেলা প্রশাসক বরাবর এ লিখিত অভিযোগ জমা দেন। ​অভিযুক্তরা হলেন—তানোর উপজেলা ডাকবাংলো মাঠসংলগ্ন ‘মুক্তা কম্পিউটার’-এর মালিক মো. আসাদুজ্জামান মুক্তা (৪০) এবং প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারী পলাশ কুমার।

​জালিয়াতির কৌশল ও অভিযোগ লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ভাতার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে আসা অসহায় মানুষের প্রকৃত মোবাইল নম্বরের পরিবর্তে সার্ভারে নিজেদের নিয়ন্ত্রিত নম্বর যুক্ত করে দিতেন অভিযুক্তরা।

পরবর্তীতে ভাতা অনুমোদন হলে প্রথম কিস্তিতে জমা হওয়া এককালীন টাকা—যা অনেক ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা বা তার বেশি—নিয়ন্ত্রিত ওই নম্বরগুলোর মাধ্যমে গোপনে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হতো। ​ঘটনা উন্মোচন দীর্ঘদিন ভাতার টাকা না পেয়ে ভুক্তভোগীরা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করলে জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

পরবর্তীতে ঘটনা জানাজানি হলে ধরা পড়ার ভয়ে অভিযুক্তরা পোর্টালে মোবাইল নম্বর সংশোধন করে দিলেও হাতিয়ে নেওয়া প্রথম কিস্তির টাকা আর ফেরত দেননি। ​ভুক্তভোগীদের দাবি, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। একই কৌশলে অসংখ্য বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধীর লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই চক্রটি। ​

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অসহায় ভাতাভোগীদের আত্মসাৎ হওয়া অর্থ উদ্ধারে জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। কথা বললে আসাদুজ্জামান হিরা বলেন, অভিযোগ স্বীকার করে বলেন ভুলবশত এটা হয়ে গেছে। আমি টাকা ফেরত দিতে চেয়েছি তারা আসেনি। আমি আপোষ মিমাংসায় বিশ্বাসী। তারা বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিয়ে বেড়াচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তানোরে ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ মুক্তা কম্পিউটার এর মালিক ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০৭:২১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
19

রাজশাহীর তানোরে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীদের সরকারি অর্থ জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে একটি কম্পিউটার সেবাকেন্দ্রের মালিক ও এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। ​

বুধবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় ভুক্তভোগীদের পক্ষে আনসার আলী নামে এক ব্যক্তি রাজশাহীর জেলা প্রশাসক বরাবর এ লিখিত অভিযোগ জমা দেন। ​অভিযুক্তরা হলেন—তানোর উপজেলা ডাকবাংলো মাঠসংলগ্ন ‘মুক্তা কম্পিউটার’-এর মালিক মো. আসাদুজ্জামান মুক্তা (৪০) এবং প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারী পলাশ কুমার।

​জালিয়াতির কৌশল ও অভিযোগ লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ভাতার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে আসা অসহায় মানুষের প্রকৃত মোবাইল নম্বরের পরিবর্তে সার্ভারে নিজেদের নিয়ন্ত্রিত নম্বর যুক্ত করে দিতেন অভিযুক্তরা।

পরবর্তীতে ভাতা অনুমোদন হলে প্রথম কিস্তিতে জমা হওয়া এককালীন টাকা—যা অনেক ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা বা তার বেশি—নিয়ন্ত্রিত ওই নম্বরগুলোর মাধ্যমে গোপনে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হতো। ​ঘটনা উন্মোচন দীর্ঘদিন ভাতার টাকা না পেয়ে ভুক্তভোগীরা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করলে জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

পরবর্তীতে ঘটনা জানাজানি হলে ধরা পড়ার ভয়ে অভিযুক্তরা পোর্টালে মোবাইল নম্বর সংশোধন করে দিলেও হাতিয়ে নেওয়া প্রথম কিস্তির টাকা আর ফেরত দেননি। ​ভুক্তভোগীদের দাবি, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। একই কৌশলে অসংখ্য বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধীর লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই চক্রটি। ​

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অসহায় ভাতাভোগীদের আত্মসাৎ হওয়া অর্থ উদ্ধারে জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। কথা বললে আসাদুজ্জামান হিরা বলেন, অভিযোগ স্বীকার করে বলেন ভুলবশত এটা হয়ে গেছে। আমি টাকা ফেরত দিতে চেয়েছি তারা আসেনি। আমি আপোষ মিমাংসায় বিশ্বাসী। তারা বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিয়ে বেড়াচ্ছেন।