ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিটি কর্পোরেশনের খেলার মাঠের সুব্যবস্থাকরণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত সাভারের বহুতল ভবন থেকে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু বাঘা পৌরসভার কাশেম-ফকির মাজারে টিউবওয়েল স্থাপন করলেন শামীম সরকার সাভারের খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় সাভারের বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় মৎস্য উদযাপিত করা হয় সাভারের মোফাজ্জল মোমেনা চাকলাদার মহিলা ডিগ্রি কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত বাঘার চকরাজাপুরে ২০০ পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ সাভারে নারী মাদক সিন্ডিকেটে আঘাত: ৫০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ও ফেনসিডিলসহ দুই নারী কারবারি গ্রেপ্তার নান্দাইলে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি পুনর্গঠন সভাপতির দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী আসন্ন বাঘা পৌর নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী মো কামাল হোসেন

রাজশাহীতে ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ দম্পতিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:২৪:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ১১৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
114

ব্যবসা ও ফ্ল্যাট বিক্রির নামে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা গ্রহণ করে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পণ্য বা ফ্ল্যাট বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদনপুর ইউনিয়নের একবরপুর গ্রামের আবুল হাসান (সুজন), তার স্ত্রী মোসা. খাদিজা খুশি এবং আবুল হায়াত শাহীনের বিরুদ্ধে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর একাধিক ভুক্তভোগী তাদের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগ এনে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। অভিযোগ, বিভিন্ন কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পর পাওনা টাকা চাইতে গেলে উল্টো ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মিথ্যা মামলার হুমকি দেওয়া হয়।

মামলার অভিযোগে ভুক্তভোগী রবিউল ইসলাম উল্লেখ করেন, ভারত থেকে বাস, ট্রাক ও মাইক্রোবাসের যন্ত্রাংশ এলসির মাধ্যমে আমদানি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অভিযুক্তরা তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করেন।

কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও যন্ত্রাংশ সরবরাহ করা হয়নি এবং টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি। অভিযোগে আরও বলা হয়, রাজশাহীতে ফ্ল্যাট বিক্রির আশ্বাস দিয়ে যথাযথ এগ্রিমেন্ট ছাড়াই বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়।

পরে টাকা ফেরতের জন্য দেওয়া চেক ব্যাংকে জমা দিলে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সেগুলো ডিজঅনার হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। আরেক ভুক্তভোগী এমদাদ অভিযোগ করেন, রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার বারো রাস্তার মোড়ে অবস্থিত মদিনা টাওয়ার প্রকল্পের ডেভেলপার পরিচয়ে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হলেও প্রতিশ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়নি এবং তাদের অর্থও ফেরত দেওয়া হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসা, ফ্ল্যাট ও বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে বহু মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরত না পেয়ে তারা আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অভিযুক্তদের অবস্থান জানতে পেরে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করার হুমকি দেওয়া হয়। পরে তারা আইনগত সহায়তার জন্য পুলিশের শরণাপন্ন হন। তবে প্রশাসন অভিযোগ তদন্তে এগোলে অভিযুক্তরা ৯৯৯-এ কল করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তদন্তকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

এছাড়া অভিযোগকারীদের দাবি, রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধেও আদালতে ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও সংবাদ প্রচারের মাধ্যমেও জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজশাহীতে ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ দম্পতিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০৬:২৪:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
114

ব্যবসা ও ফ্ল্যাট বিক্রির নামে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা গ্রহণ করে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পণ্য বা ফ্ল্যাট বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদনপুর ইউনিয়নের একবরপুর গ্রামের আবুল হাসান (সুজন), তার স্ত্রী মোসা. খাদিজা খুশি এবং আবুল হায়াত শাহীনের বিরুদ্ধে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর একাধিক ভুক্তভোগী তাদের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগ এনে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। অভিযোগ, বিভিন্ন কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পর পাওনা টাকা চাইতে গেলে উল্টো ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মিথ্যা মামলার হুমকি দেওয়া হয়।

মামলার অভিযোগে ভুক্তভোগী রবিউল ইসলাম উল্লেখ করেন, ভারত থেকে বাস, ট্রাক ও মাইক্রোবাসের যন্ত্রাংশ এলসির মাধ্যমে আমদানি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অভিযুক্তরা তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করেন।

কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও যন্ত্রাংশ সরবরাহ করা হয়নি এবং টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি। অভিযোগে আরও বলা হয়, রাজশাহীতে ফ্ল্যাট বিক্রির আশ্বাস দিয়ে যথাযথ এগ্রিমেন্ট ছাড়াই বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়।

পরে টাকা ফেরতের জন্য দেওয়া চেক ব্যাংকে জমা দিলে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সেগুলো ডিজঅনার হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। আরেক ভুক্তভোগী এমদাদ অভিযোগ করেন, রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার বারো রাস্তার মোড়ে অবস্থিত মদিনা টাওয়ার প্রকল্পের ডেভেলপার পরিচয়ে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হলেও প্রতিশ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়নি এবং তাদের অর্থও ফেরত দেওয়া হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসা, ফ্ল্যাট ও বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে বহু মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরত না পেয়ে তারা আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অভিযুক্তদের অবস্থান জানতে পেরে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করার হুমকি দেওয়া হয়। পরে তারা আইনগত সহায়তার জন্য পুলিশের শরণাপন্ন হন। তবে প্রশাসন অভিযোগ তদন্তে এগোলে অভিযুক্তরা ৯৯৯-এ কল করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তদন্তকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

এছাড়া অভিযোগকারীদের দাবি, রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধেও আদালতে ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও সংবাদ প্রচারের মাধ্যমেও জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।