ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মনিগ্রামে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ ৪৭তম বিসিএসে তথ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত বাঘার মেয়ে সাদিয়া আফরিন ৪৭তম বিসিএসে স্বাস্থ্য ক্যাডারে ২৩তম স্থান অর্জন করলেন বাঘার রুমা সুলতানা লক্ষীনগরে বিবাহিত-অবিবাহিত প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট, জয়ী অবিবাহিত একাদশ সাভারের শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল কালিদাসখালী স্কুল মাঠে পাগলী মায়ের ওরশ মুবারক উপলক্ষে দোয়া মাহফিল পদ্মা ভাঙন থেকে রক্ষা পাচ্ছে চকরাজাপুর স্কুল ও বাজার বাঘায় ২৫ পিস ইয়াবা ও গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শুকুরজান জিন্নত আলী আদর্শ স্কুলের নবগঠিত কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে মোঃ হাসিবুল হোসেন জিসানকে অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে সাভারে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল বের করে

৪৭তম বিসিএসে তথ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত বাঘার মেয়ে সাদিয়া আফরিন

আবুল হাশেম রাজশাহী ব্যুরোঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
24

৪৭তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষায় তথ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার নতুনপাড়া গ্রামের মেয়ে মোসা. সাদিয়া আফরিন পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এলাকাবাসীর মুখ উজ্জ্বল করেছেন।

সম্প্রতি প্রকাশিত ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। সাদিয়ার বাবা গিয়াস উদ্দিন আহমেদ সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং মা হাসিনা আহমেদ। মধ্যবিত্ত পরিবারের সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রের সেবায় কাজ করার স্বপ্ন পূরণের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেছেন।

তিনি ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে বাঘা উপজেলার মোজাহার হোসেন মহিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই তিনি মেধাবী ও পরিশ্রমী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতির পর দেশের অন্যতম প্রতিযোগিতামূলক এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তথ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।

সাদিয়ার এই সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছে মোজাহার হোসেন মহিলা ডিগ্রি কলেজ কর্তৃপক্ষ। কলেজের অধ্যক্ষ মো. নছিম উদ্দিন তাকে অভিনন্দন জানিয়ে কর্মজীবনের সর্বাঙ্গীণ সফলতা ও কল্যাণ কামনা করেছেন।

আবেগাপ্লুত বাবা গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সাদিয়া ছোটবেলা থেকেই পরিশ্রমী ও লক্ষ্যনিষ্ঠ ছিল। আমরা সবসময় তাকে সততা, নিষ্ঠা ও মানুষের সেবার শিক্ষা দিয়েছি। আজ তার এই অর্জন শুধু আমাদের পরিবারের নয়, পুরো এলাকার গর্ব।

আমি বিশ্বাস করি, সে একজন সৎ, দক্ষ ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে দেশের সেবা করবে।” স্থানীয়দের মতে, নতুনপাড়া গ্রামের এই মেধাবী তরুণীর সাফল্য প্রমাণ করে—অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রম থাকলে মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরাও বড় স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারে। তার এই অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

৪৭তম বিসিএসে তথ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত বাঘার মেয়ে সাদিয়া আফরিন

আপডেট সময় : ১২:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
24

৪৭তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষায় তথ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার নতুনপাড়া গ্রামের মেয়ে মোসা. সাদিয়া আফরিন পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এলাকাবাসীর মুখ উজ্জ্বল করেছেন।

সম্প্রতি প্রকাশিত ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। সাদিয়ার বাবা গিয়াস উদ্দিন আহমেদ সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং মা হাসিনা আহমেদ। মধ্যবিত্ত পরিবারের সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রের সেবায় কাজ করার স্বপ্ন পূরণের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেছেন।

তিনি ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে বাঘা উপজেলার মোজাহার হোসেন মহিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই তিনি মেধাবী ও পরিশ্রমী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতির পর দেশের অন্যতম প্রতিযোগিতামূলক এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তথ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।

সাদিয়ার এই সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছে মোজাহার হোসেন মহিলা ডিগ্রি কলেজ কর্তৃপক্ষ। কলেজের অধ্যক্ষ মো. নছিম উদ্দিন তাকে অভিনন্দন জানিয়ে কর্মজীবনের সর্বাঙ্গীণ সফলতা ও কল্যাণ কামনা করেছেন।

আবেগাপ্লুত বাবা গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সাদিয়া ছোটবেলা থেকেই পরিশ্রমী ও লক্ষ্যনিষ্ঠ ছিল। আমরা সবসময় তাকে সততা, নিষ্ঠা ও মানুষের সেবার শিক্ষা দিয়েছি। আজ তার এই অর্জন শুধু আমাদের পরিবারের নয়, পুরো এলাকার গর্ব।

আমি বিশ্বাস করি, সে একজন সৎ, দক্ষ ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে দেশের সেবা করবে।” স্থানীয়দের মতে, নতুনপাড়া গ্রামের এই মেধাবী তরুণীর সাফল্য প্রমাণ করে—অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রম থাকলে মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরাও বড় স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারে। তার এই অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।