ঢাকা ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংগ্রামী মায়ের পাশে জেলা প্রশাসন, গণশুনানিতে মানবিক দৃষ্টান্ত সাভারের লিঙ্গ বৈচিত্র্য জনগোষ্ঠীর উদ্যোক্তা ও চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয় বাঘায় একই বিছানায় স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ নান্দাইলের গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে ডিজিটাল পরিকল্পনার উদ্যোগ সেবা সহজ করতে অনলাইনে গণশুনানির আয়োজন কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনে’র প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তা চাওয়ার পরদিনই গোদাগাড়ীর শীর্ষ ব্যবসায়ী আজাদ আটক শাপলার হাসি বাঘায় পদ্মার শাখা নদীতে ডুবে যুবকের মৃত্যু মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে স্টুডেন্ট ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশনের বিবৃতি বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আবেগঘন বার্তা, শৈশবের ছবি শেয়ার করলেন লামিনে ইয়ামাল

রাসিকের উন্নয়নে প্রশাসনিক দায়িত্ব চান রিটন

আবুল হাশেম রাজশাহী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩৫৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
418

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক হিসেবে নিজের নাম আলোচনায় আসার বিষয়ে মুখ খুলেছেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে রাজশাহীবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করতে এবং নগরীর উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে তিনি প্রস্তুত।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী মহানগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের দারুন নাজাত হাফিজিয়া কওমিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাসিক প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আগ্রহ প্রকাশ করে মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “বিগত সময়ে মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ও মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল যুবদল থেকে অল্প বয়সে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমিও যুবদল থেকে বিএনপিতে এসেছি।

প্রশাসনিক দায়িত্ব পেলে রাজশাহীর উন্নয়ন করা সম্ভব। আমি রাজশাহীর মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।” তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর পরিকল্পিতভাবে নগরীর উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রিমা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রুমন শরিফ।

বক্তারা জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আপসহীন নেত্রী হিসেবে গণতন্ত্রের সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ক্রীড়াঙ্গনে আরাফাত রহমান কোকোর অবদানও স্মরণ করা হয়।

বক্তারা মিজানুর রহমান মিনুকে মন্ত্রী করায় তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান এবং বর্তমান সরকারের কৃষক ও ইমামদের ভাতার পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

চন্দ্রিমা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রুমন শরিফের আয়োজনে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম রঞ্জু, সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম জনি, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ডাবলু, চন্দ্রিমা থানা বিএনপির সদস্য জনি আহমেদ, মতিহার থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলামিন বাবু এবং শাহ মখদুম থানা বিএনপির সদস্য সচিব নাসিম খান।

এছাড়াও বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। মোনাজাতের মাধ্যমে জিয়া পরিবারের কল্যাণ ও দেশের শান্তি কামনা করে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাসিকের উন্নয়নে প্রশাসনিক দায়িত্ব চান রিটন

আপডেট সময় : ১১:০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
418

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক হিসেবে নিজের নাম আলোচনায় আসার বিষয়ে মুখ খুলেছেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে রাজশাহীবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করতে এবং নগরীর উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে তিনি প্রস্তুত।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী মহানগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের দারুন নাজাত হাফিজিয়া কওমিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাসিক প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আগ্রহ প্রকাশ করে মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “বিগত সময়ে মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ও মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল যুবদল থেকে অল্প বয়সে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমিও যুবদল থেকে বিএনপিতে এসেছি।

প্রশাসনিক দায়িত্ব পেলে রাজশাহীর উন্নয়ন করা সম্ভব। আমি রাজশাহীর মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।” তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর পরিকল্পিতভাবে নগরীর উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রিমা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রুমন শরিফ।

বক্তারা জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আপসহীন নেত্রী হিসেবে গণতন্ত্রের সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ক্রীড়াঙ্গনে আরাফাত রহমান কোকোর অবদানও স্মরণ করা হয়।

বক্তারা মিজানুর রহমান মিনুকে মন্ত্রী করায় তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান এবং বর্তমান সরকারের কৃষক ও ইমামদের ভাতার পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

চন্দ্রিমা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রুমন শরিফের আয়োজনে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম রঞ্জু, সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম জনি, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ডাবলু, চন্দ্রিমা থানা বিএনপির সদস্য জনি আহমেদ, মতিহার থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলামিন বাবু এবং শাহ মখদুম থানা বিএনপির সদস্য সচিব নাসিম খান।

এছাড়াও বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। মোনাজাতের মাধ্যমে জিয়া পরিবারের কল্যাণ ও দেশের শান্তি কামনা করে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।