ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মেধা ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলবে বিএনপি: সালাহউদ্দিন কসবায় বাবার হয়ে ভোটের প্রচারণায় সক্রিয় মেয়ে মুনিয়া দেশকে যুবসমাজের হাতে তুলে দিতে চাই এটা শুধু মুখের কথা নয়, হৃদয়ের গভীর থেকে বলা অঙ্গীকার গণিত সত্যের চর্চা শেখায়, সত্যের ভিত্তিতে দাঁড়াতে সাহায্য করে রাজশাহীতে জামায়াত প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বানের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতাকে মারধর দাঁড়িপাল্লার এক পাশে আমেরিকা, অন্য পাশে ভারত চরমোনাই পীর ধানের শীষ হাতে মিছিল করে কেন্দ্রে যাবে, কিন্তু ভোট দেবে দাঁড়িপাল্লায় : হাসনাত আব্দুল্লাহ শুক্রবারের সংঘর্ষে ১৬ জন পুলিশ সদস্য আহত হন ডিএমপি কমিশনার সাভার পৌরসভা ২নং ওয়ার্ডে বিএনপির সভাপতি আবু মোল্লা নেতৃত্বে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ করে

রাজশাহীতে জামায়াত প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বানের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতাকে মারধর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীর বাগমারায় জামায়াতের প্রার্থীকে ভোট দিতে দলের কর্মীদের উৎসাহিত করার অভিযোগে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মারধর এবং তাঁর মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় তাঁর ভাতিজাও হামলার শিকার হন। তাঁদের আহত অবস্থায় তাহেরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের সাদোপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত আওয়ামী লীগের নেতার নাম মুহিদুল ইসলাম (৪৮)। তিনি শ্রীপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাদোপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় তিনি একজন পল্লিচিকিৎসক।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল সন্ধ্যায় মুহিদুল ইসলাম মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সাদোপাড়া ডাকঘরের সামনে এলে একই গ্রামের বিএনপির কর্মী মোজাম্মেল হক, আরিফুল ইসলামসহ চার থেকে পাঁচজন মুহিদুল ইসলামের পথ আটকান। বিএনপির কর্মীরা তাঁর বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগ তোলেন এবং কেন তিনি আওয়ামী লীগের লোকজনকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন, তা জানতে চান। মুহিদুল অভিযোগ অস্বীকার করেন। তখন বিএনপির কর্মীরা ক্ষুব্ধ হন এবং একপর্যায়ে লাঠি ও রড নিয়ে তাঁর ওপর আক্রমণ করেন। চিৎকার শুনে তাঁর দুই ভাতিজা খায়রুল ইসলাম (২৩) ও রাতুল ইসলাম (১৭) ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এই সময় তাঁদেরও মারধর করা হয়। পরে হামলাকারীরা মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে চলে যান। স্বজনেরা ঘটনাস্থলে এসে ওই তিনজনকে উদ্ধার করে তাহেরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসার পর তাঁরা বাড়ি ফিরে আসেন। আহত খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘বাম হাতে আঘাত পেয়েছি, ভেঙে গেছে। মামলা করলে আরও সমস্যা হবে, তাই মামলা করব না।আহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা অভিযোগ করে বলেন, শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সালাম পারভেজের নির্দেশে হামলা চালানো হয়েছে। তাঁরা মামলা করতে ভয় পাচ্ছেন। তবে বিএনপির সেই ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালাম পারভেজ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ওই নেতাকে সামান্য চড়থাপ্পড় দেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালে আমি চেয়ারম্যানের ভোট করার সময় আমাকে বিরক্ত করা হয়েছিল। তবে এটি বড় কোনো ঘটনা নয়, আমি এলাকা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করছি। বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, পুলিশ ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত। থানায় কোনো মামলা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজশাহীতে জামায়াত প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বানের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতাকে মারধর

আপডেট সময় : ১০:৫৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজশাহীর বাগমারায় জামায়াতের প্রার্থীকে ভোট দিতে দলের কর্মীদের উৎসাহিত করার অভিযোগে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মারধর এবং তাঁর মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় তাঁর ভাতিজাও হামলার শিকার হন। তাঁদের আহত অবস্থায় তাহেরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের সাদোপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত আওয়ামী লীগের নেতার নাম মুহিদুল ইসলাম (৪৮)। তিনি শ্রীপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাদোপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় তিনি একজন পল্লিচিকিৎসক।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল সন্ধ্যায় মুহিদুল ইসলাম মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সাদোপাড়া ডাকঘরের সামনে এলে একই গ্রামের বিএনপির কর্মী মোজাম্মেল হক, আরিফুল ইসলামসহ চার থেকে পাঁচজন মুহিদুল ইসলামের পথ আটকান। বিএনপির কর্মীরা তাঁর বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগ তোলেন এবং কেন তিনি আওয়ামী লীগের লোকজনকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন, তা জানতে চান। মুহিদুল অভিযোগ অস্বীকার করেন। তখন বিএনপির কর্মীরা ক্ষুব্ধ হন এবং একপর্যায়ে লাঠি ও রড নিয়ে তাঁর ওপর আক্রমণ করেন। চিৎকার শুনে তাঁর দুই ভাতিজা খায়রুল ইসলাম (২৩) ও রাতুল ইসলাম (১৭) ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এই সময় তাঁদেরও মারধর করা হয়। পরে হামলাকারীরা মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে চলে যান। স্বজনেরা ঘটনাস্থলে এসে ওই তিনজনকে উদ্ধার করে তাহেরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসার পর তাঁরা বাড়ি ফিরে আসেন। আহত খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘বাম হাতে আঘাত পেয়েছি, ভেঙে গেছে। মামলা করলে আরও সমস্যা হবে, তাই মামলা করব না।আহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা অভিযোগ করে বলেন, শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সালাম পারভেজের নির্দেশে হামলা চালানো হয়েছে। তাঁরা মামলা করতে ভয় পাচ্ছেন। তবে বিএনপির সেই ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালাম পারভেজ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ওই নেতাকে সামান্য চড়থাপ্পড় দেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালে আমি চেয়ারম্যানের ভোট করার সময় আমাকে বিরক্ত করা হয়েছিল। তবে এটি বড় কোনো ঘটনা নয়, আমি এলাকা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করছি। বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, পুলিশ ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত। থানায় কোনো মামলা হয়নি।