রাজশাহীতে জামায়াত প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বানের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতাকে মারধর
- আপডেট সময় : ১০:৫৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহীর বাগমারায় জামায়াতের প্রার্থীকে ভোট দিতে দলের কর্মীদের উৎসাহিত করার অভিযোগে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মারধর এবং তাঁর মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় তাঁর ভাতিজাও হামলার শিকার হন। তাঁদের আহত অবস্থায় তাহেরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের সাদোপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত আওয়ামী লীগের নেতার নাম মুহিদুল ইসলাম (৪৮)। তিনি শ্রীপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাদোপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় তিনি একজন পল্লিচিকিৎসক।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল সন্ধ্যায় মুহিদুল ইসলাম মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সাদোপাড়া ডাকঘরের সামনে এলে একই গ্রামের বিএনপির কর্মী মোজাম্মেল হক, আরিফুল ইসলামসহ চার থেকে পাঁচজন মুহিদুল ইসলামের পথ আটকান। বিএনপির কর্মীরা তাঁর বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগ তোলেন এবং কেন তিনি আওয়ামী লীগের লোকজনকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন, তা জানতে চান। মুহিদুল অভিযোগ অস্বীকার করেন। তখন বিএনপির কর্মীরা ক্ষুব্ধ হন এবং একপর্যায়ে লাঠি ও রড নিয়ে তাঁর ওপর আক্রমণ করেন। চিৎকার শুনে তাঁর দুই ভাতিজা খায়রুল ইসলাম (২৩) ও রাতুল ইসলাম (১৭) ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এই সময় তাঁদেরও মারধর করা হয়। পরে হামলাকারীরা মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে চলে যান। স্বজনেরা ঘটনাস্থলে এসে ওই তিনজনকে উদ্ধার করে তাহেরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসার পর তাঁরা বাড়ি ফিরে আসেন। আহত খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘বাম হাতে আঘাত পেয়েছি, ভেঙে গেছে। মামলা করলে আরও সমস্যা হবে, তাই মামলা করব না।আহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা অভিযোগ করে বলেন, শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সালাম পারভেজের নির্দেশে হামলা চালানো হয়েছে। তাঁরা মামলা করতে ভয় পাচ্ছেন। তবে বিএনপির সেই ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালাম পারভেজ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ওই নেতাকে সামান্য চড়থাপ্পড় দেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালে আমি চেয়ারম্যানের ভোট করার সময় আমাকে বিরক্ত করা হয়েছিল। তবে এটি বড় কোনো ঘটনা নয়, আমি এলাকা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করছি। বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, পুলিশ ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত। থানায় কোনো মামলা হয়নি।


















