ঢাকা ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংগ্রামী মায়ের পাশে জেলা প্রশাসন, গণশুনানিতে মানবিক দৃষ্টান্ত সাভারের লিঙ্গ বৈচিত্র্য জনগোষ্ঠীর উদ্যোক্তা ও চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয় বাঘায় একই বিছানায় স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ নান্দাইলের গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে ডিজিটাল পরিকল্পনার উদ্যোগ সেবা সহজ করতে অনলাইনে গণশুনানির আয়োজন কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনে’র প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তা চাওয়ার পরদিনই গোদাগাড়ীর শীর্ষ ব্যবসায়ী আজাদ আটক শাপলার হাসি বাঘায় পদ্মার শাখা নদীতে ডুবে যুবকের মৃত্যু মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে স্টুডেন্ট ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশনের বিবৃতি বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আবেগঘন বার্তা, শৈশবের ছবি শেয়ার করলেন লামিনে ইয়ামাল

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে, দেশে ভরিপ্রতি কত কমলো

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:১৩:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬ ১০৫ বার পড়া হয়েছে

দেশে স্বর্ণের দামে ফের বড় লাফ, আজ থেকে বিক্রি হবে নতুন দামে

অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
128

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এতে করে স্বর্ণের বাজারে কিছুটা মন্দা দেখা গেছে।

সোমবার (১ জুন) বাংলাদেশ সময় বেলা ১টা ১৮ মিনিটে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্সে ০ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৫০৫ দশমিক ৮৭ ডলারে দাঁড়ায়। আর আগস্ট মাসে সরবরাহযোগ্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৩৫ দশমিক ৯০ ডলারে নেমে আসে।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি এবং মার্কিন-ইরান চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা—এই দুটি বিষয় সপ্তাহের শুরুতে স্বর্ণের বাজারকে ভারসাম্যের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার তেলের দাম ৩ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে, যা মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি এবং সুদের হার আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। স্বর্ণ বরাবরই মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষার মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হলেও সুদের হার বাড়লে এটি তুলনামূলকভাবে আকর্ষণ হারায়। কারণ স্বর্ণ কোনো সুদ বা আয় প্রদান করে না।

টিম ওয়াটেরার আরও বলেন, ‘অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৫০০ ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে তেলের দাম কমে গেলে, ডলারের মান দুর্বল হলে এবং ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বজায় থাকলে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।’

এ ছাড়া স্পট সিলভারের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৫ দশমিক ৮০ ডলার, প্লাটিনামের দাম ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৯৩৫ দশমিক ৬৫ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩৬০ দশমিক ৯৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে দেশের বাজারে এখন প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে, দেশে ভরিপ্রতি কত কমলো

আপডেট সময় : ০৬:১৩:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
128

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এতে করে স্বর্ণের বাজারে কিছুটা মন্দা দেখা গেছে।

সোমবার (১ জুন) বাংলাদেশ সময় বেলা ১টা ১৮ মিনিটে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্সে ০ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৫০৫ দশমিক ৮৭ ডলারে দাঁড়ায়। আর আগস্ট মাসে সরবরাহযোগ্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৩৫ দশমিক ৯০ ডলারে নেমে আসে।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি এবং মার্কিন-ইরান চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা—এই দুটি বিষয় সপ্তাহের শুরুতে স্বর্ণের বাজারকে ভারসাম্যের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার তেলের দাম ৩ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে, যা মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি এবং সুদের হার আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। স্বর্ণ বরাবরই মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষার মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হলেও সুদের হার বাড়লে এটি তুলনামূলকভাবে আকর্ষণ হারায়। কারণ স্বর্ণ কোনো সুদ বা আয় প্রদান করে না।

টিম ওয়াটেরার আরও বলেন, ‘অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৫০০ ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে তেলের দাম কমে গেলে, ডলারের মান দুর্বল হলে এবং ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বজায় থাকলে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।’

এ ছাড়া স্পট সিলভারের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৫ দশমিক ৮০ ডলার, প্লাটিনামের দাম ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৯৩৫ দশমিক ৬৫ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩৬০ দশমিক ৯৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে দেশের বাজারে এখন প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।