ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ ও তুরস্ক কৌশলগত অংশীদারত্ব ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে একমত হয়েছে। নেইমারকে ছাড়াই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে রওনা দিল ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এর ওপর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এর যৌথ হামলার অভিযোগ ২০৩৪ সালের মধ্যে ভারতের চিপ শিল্পের বাজারমূল্য পৌঁছাবে ২০৫ বিলিয়ন ডলারে। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে, দেশে ভরিপ্রতি কত কমলো শাকিব-বুবলীর ঘরে এলো কন্যাসন্তান নাম শারলিন খান নান্দাইলে জমি নিয়ে দুই পক্ষের উত্তেজনা ঠেকাতে- প্রশাসনের ১৪৪ ধারা জারি পুঠিয়ায় আম বাগান কেটে হচ্ছে পুকুর সংস্কারের নামে যাচ্ছে মাটি ইটভাটায় সেমিফাইনালে নান্দাইল, শুভেচ্ছা জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী উলিপুরে দৈনিক মতপ্রকাশ পত্রিকার ১৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে, দেশে ভরিপ্রতি কত কমলো

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:১৩:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

দেশে স্বর্ণের দামে ফের বড় লাফ, আজ থেকে বিক্রি হবে নতুন দামে

অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
22

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এতে করে স্বর্ণের বাজারে কিছুটা মন্দা দেখা গেছে।

সোমবার (১ জুন) বাংলাদেশ সময় বেলা ১টা ১৮ মিনিটে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্সে ০ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৫০৫ দশমিক ৮৭ ডলারে দাঁড়ায়। আর আগস্ট মাসে সরবরাহযোগ্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৩৫ দশমিক ৯০ ডলারে নেমে আসে।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি এবং মার্কিন-ইরান চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা—এই দুটি বিষয় সপ্তাহের শুরুতে স্বর্ণের বাজারকে ভারসাম্যের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার তেলের দাম ৩ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে, যা মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি এবং সুদের হার আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। স্বর্ণ বরাবরই মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষার মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হলেও সুদের হার বাড়লে এটি তুলনামূলকভাবে আকর্ষণ হারায়। কারণ স্বর্ণ কোনো সুদ বা আয় প্রদান করে না।

টিম ওয়াটেরার আরও বলেন, ‘অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৫০০ ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে তেলের দাম কমে গেলে, ডলারের মান দুর্বল হলে এবং ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বজায় থাকলে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।’

এ ছাড়া স্পট সিলভারের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৫ দশমিক ৮০ ডলার, প্লাটিনামের দাম ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৯৩৫ দশমিক ৬৫ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩৬০ দশমিক ৯৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে দেশের বাজারে এখন প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে, দেশে ভরিপ্রতি কত কমলো

আপডেট সময় : ০৬:১৩:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
22

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এতে করে স্বর্ণের বাজারে কিছুটা মন্দা দেখা গেছে।

সোমবার (১ জুন) বাংলাদেশ সময় বেলা ১টা ১৮ মিনিটে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্সে ০ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৫০৫ দশমিক ৮৭ ডলারে দাঁড়ায়। আর আগস্ট মাসে সরবরাহযোগ্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৩৫ দশমিক ৯০ ডলারে নেমে আসে।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি এবং মার্কিন-ইরান চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা—এই দুটি বিষয় সপ্তাহের শুরুতে স্বর্ণের বাজারকে ভারসাম্যের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার তেলের দাম ৩ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে, যা মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি এবং সুদের হার আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। স্বর্ণ বরাবরই মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষার মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হলেও সুদের হার বাড়লে এটি তুলনামূলকভাবে আকর্ষণ হারায়। কারণ স্বর্ণ কোনো সুদ বা আয় প্রদান করে না।

টিম ওয়াটেরার আরও বলেন, ‘অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৫০০ ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে তেলের দাম কমে গেলে, ডলারের মান দুর্বল হলে এবং ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বজায় থাকলে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।’

এ ছাড়া স্পট সিলভারের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৫ দশমিক ৮০ ডলার, প্লাটিনামের দাম ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৯৩৫ দশমিক ৬৫ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩৬০ দশমিক ৯৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে দেশের বাজারে এখন প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।