পাকিস্তানি আইডলে বশীর আহমেদের গানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে অনুষ্ঠানে অতিথি বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হোমায়রা ও রাজা
- আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
পাকিস্তানের জিও টিভিতে প্রচারিত হচ্ছে ‘পাকিস্তানি আইডল’। সংগীতবিষয়ক রিয়েলিটি শোটির ‘ভালোবাসা এবং বন্ধুত্ব’ শিরোনামের একটি পর্বে অতিথি বিচারক হিসেবে বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রিত হয়েছেন বাংলাদেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী দম্পতি বশীর আহমেদ–মীনা বশীরের দুই সংগীতশিল্পী সন্তান হোমায়রা বশীর ও রাজা বশীর।
হোমায়রা বশীর মেসেঞ্জারে জানান, গত ২৮ জানুয়ারি করাচির ফিল্ম ফ্যাক্টরি স্টুডিওতে গভীর রাত পর্যন্ত তাঁদের পর্বটির দৃশ্য ধারণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বিচারকের তালিকায় আরও ছিলেন আলমগীর হক, রাহাত ফতেহ আলী খান, জেব বাঙ্গাশ ও বিলাল মাকসুদ। ফাওয়াদ খানও এ আয়োজনের একজন বিচারক, কিন্তু এদিন তিনি থাকতে পারেননি।
অনুষ্ঠানে বাবা বশীর আহমদের সুর ও সংগীতে করা কয়েকটি বাংলা ও উর্দু গান গেয়ে শোনান হোমায়রা বশীর ও রাজা বশীর। শুরুতেই বাবা ও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁরা গেয়েছেন মোস্তফা মেহমুদ পরিচালিত ‘মনের মানুষ’ সিনেমায় বশীর আহমেদ ও মীনা বশীরের গাওয়া ‘ওগো প্রিয়তমা’। এরপর পাকিস্তানের উর্দু ছবিতে বশীর আহমেদের গাওয়া জনপ্রিয় গান ‘হাম চালে চক্কর’, ‘ইয়ে সামা প্যায়ারা প্যায়ারা’, ‘তুমজো মিলে প্যায়ার মিলা’ ও ‘ইয়ে মৌসুম ইয়ে মাস্তে নাজারে’ গানগুলোর মেডলি পরিবেশন করেন।

পাকিস্তানি আইডলে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে হোমায়রা বশীর বলেন, ‘সেটে ঢোকার সময় ওপর থেকে ফুলের পাপড়ি ফেলে আমাদের অভিবাদন জানানো হয়। রাহাত ফতেহ আলী খান “ওয়েলকাম টু বশীর আহমেদ মিউজিক ইন্ডাস্টি” বলে স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানের পুরো সময়টাতে আব্বুর প্রতি যে সম্মান ও ভালোবাসা ওরা দেখিয়েছে, সন্তান হিসেবে আমৃত্যু তা মনে থাকবে।’ বশীর আহমেদ ১৯৩৯ সালের ১৯ নভেম্বর কলকাতার খিদিরপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৪ সালে তিনি সপরিবার ঢাকায় আসেন। ঢাকায় আসার আগেই উর্দু চলচ্চিত্রে গান গাওয়া শুরু করেন বশীর আহমেদ। ‘তালাশ’ সিনেমায় বিখ্যাত শিল্পী তালাত মাহমুদের সঙ্গে কাজ করেন।

রাজা বশীর বলেন, ‘আব্বার বানানো এবং গাওয়া বাংলা ও উর্দু গানগুলো এখনো কী পরিমাণ জনপ্রিয়, নিজ চোখে তা দেখে এলাম। আব্বার যে গানই গেয়েছি, অন্যদের আন্তরিক সাড়া দেখে আবেগে আপ্লুত হয়েছি। এ–ও দেখলাম, আব্বার সব গানই তাঁদের জানা, শুধু বয়স্করাই নন, জেন–জিরাও জানে।’
অনুষ্ঠানের দৃশ্যধারণ শেষে ১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ফিরেছেন হোমায়রা বশীর ও রাজা বশীর। জানা গেছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে পাকিস্তানের জিও টিভিতে পাকিস্তানি আইডলের এই পর্ব প্রচারিত হবে।

















