ঢাকা ০৪:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভারের মোফাজ্জল মোমেনা চাকলাদার মহিলা ডিগ্রি কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত বাঘার চকরাজাপুরে ২০০ পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ সাভারে নারী মাদক সিন্ডিকেটে আঘাত: ৫০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ও ফেনসিডিলসহ দুই নারী কারবারি গ্রেপ্তার নান্দাইলে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি পুনর্গঠন সভাপতির দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী আসন্ন বাঘা পৌর নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী মো কামাল হোসেন বাঘায় ফ্রি ফায়ার গেম ঘিরে সংঘর্ষে কুপিয়ে জখম ১ গ্রেপ্তার ফরিদ রাজশাহীতে দুই সাংবাদিকের ওপর নৃশংস হামলা সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি সাভার পৌরসভা ২ নং ওয়ার্ডে ঢাকা জেলা যুবদলের উদ্যোগে বংশী নদীতে মৎস্য অবমুক্তকরণ করে নান্দাইলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রথমবার এক টেবিলে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা জুলাই শহীদ জুবাইদের পরিবারের পাশে ছাত্রদল, পৌঁছে দিল তারেক রহমানের উপহার

অনিশ্চয়তা কাটিয়ে হাসিমুখে পরীক্ষার টেবিলে ৩৩ শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৪৪:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
164

পরীক্ষার আর মাত্র ৩ দিন বাকি। যেখানে সহপাঠীরা শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, সেখানে ৩৩ জন শিক্ষার্থীর চোখে ছিল অন্ধকার। ফরম পূরণ না হওয়ায় ঝুলে গিয়েছিল তাদের শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর। তবে সব শঙ্কা কাটিয়ে অবশেষে হাতে পেয়েছে বহুকাঙ্ক্ষিত প্রবেশপত্র (অ্যাডমিট কার্ড)। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের সেই ৩৩ জন শিক্ষার্থী। জানা গেছে, আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে।

গত কয়েকদিন আগে শিক্ষার্থীরা আকস্মিকভাবে জানতে পারেন যে, বিদ্যালয়ের মোট ৩৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজনের ফরম পূরণ হয়েছে, বাকি ৩৩ জনের নাম তালিকায় নেই। এই খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

টনক নড়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় দ্রুত এগিয়ে আসে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও বোর্ড চেয়ারম্যানের বিশেষ হস্তক্ষেপে জরুরি ভিত্তিতে রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) অনলাইন থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান বলেন: ঠিক কীভাবে এই ৩৩ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ থেকে বাদ পড়েছিল, তা আমরা প্রথমে বুঝতে পারিনি।

বিষয়টি জানার পর বোর্ড চেয়ারম্যান ও স্কুল পরিদর্শক স্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। আজ তাদের হাতে অ্যাডমিট কার্ড তুলে দিতে পেরে আমরা স্বস্তিবোধ করছি। প্রবেশপত্র হাতে পেয়ে কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরীক্ষার্থীদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।

সরাসরি স্কুল পরিদর্শনে গেলে পরীক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের জানায়, আমরা আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। এখন পরীক্ষা দিতে পারব ভেবে খুব আনন্দ হচ্ছে। আমাদের এই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য শিক্ষক ও শিক্ষা বোর্ডকে ধন্যবাদ। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান জানান, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনের কথা বিবেচনা করে বোর্ডের চেয়ারম্যানের নির্দেশে বিশেষ ব্যবস্থায় তাদের পরীক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অনিশ্চয়তা কাটিয়ে হাসিমুখে পরীক্ষার টেবিলে ৩৩ শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ১১:৪৪:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
164

পরীক্ষার আর মাত্র ৩ দিন বাকি। যেখানে সহপাঠীরা শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, সেখানে ৩৩ জন শিক্ষার্থীর চোখে ছিল অন্ধকার। ফরম পূরণ না হওয়ায় ঝুলে গিয়েছিল তাদের শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর। তবে সব শঙ্কা কাটিয়ে অবশেষে হাতে পেয়েছে বহুকাঙ্ক্ষিত প্রবেশপত্র (অ্যাডমিট কার্ড)। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের সেই ৩৩ জন শিক্ষার্থী। জানা গেছে, আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে।

গত কয়েকদিন আগে শিক্ষার্থীরা আকস্মিকভাবে জানতে পারেন যে, বিদ্যালয়ের মোট ৩৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজনের ফরম পূরণ হয়েছে, বাকি ৩৩ জনের নাম তালিকায় নেই। এই খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

টনক নড়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় দ্রুত এগিয়ে আসে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও বোর্ড চেয়ারম্যানের বিশেষ হস্তক্ষেপে জরুরি ভিত্তিতে রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) অনলাইন থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান বলেন: ঠিক কীভাবে এই ৩৩ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ থেকে বাদ পড়েছিল, তা আমরা প্রথমে বুঝতে পারিনি।

বিষয়টি জানার পর বোর্ড চেয়ারম্যান ও স্কুল পরিদর্শক স্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। আজ তাদের হাতে অ্যাডমিট কার্ড তুলে দিতে পেরে আমরা স্বস্তিবোধ করছি। প্রবেশপত্র হাতে পেয়ে কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরীক্ষার্থীদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।

সরাসরি স্কুল পরিদর্শনে গেলে পরীক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের জানায়, আমরা আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। এখন পরীক্ষা দিতে পারব ভেবে খুব আনন্দ হচ্ছে। আমাদের এই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য শিক্ষক ও শিক্ষা বোর্ডকে ধন্যবাদ। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান জানান, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনের কথা বিবেচনা করে বোর্ডের চেয়ারম্যানের নির্দেশে বিশেষ ব্যবস্থায় তাদের পরীক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে।