ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত উলিপুরে ফুল শিক্ষাবৃত্তি প্রদান ৪৯ শিক্ষার্থী পেল সনদ ও নগদ অর্থ রাজশাহীতে ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ বাঘায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামের রাজারহাটে গলায় ওড়না পেঁ/চিয়ে শিক্ষার্থীর আ/ত্মহ/ত্যা সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান অবাঞ্ছিত ঘোষণা উলিপুরে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার উলিপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান সরকারের দাফন সম্পন্ন বাঘায় ৭ম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী নিখোঁজ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ রাজশাহীতে ২ রেস্তোরাঁয় হামলা ককটেল বিস্ফোরণ পুলিশ আহত প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

শেষ ম্যাচে ওমানকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে স্বস্তির জয় পেল অস্ট্রেলিয়া

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩১৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
370

এতে কি অস্ট্রেলিয়ানদের মনখারাপ কিছুটা কমবে? হয়তো কমতে পারে। মাত্র ৯.৪ ওভারে ১০৮ রান তুলে ৯ উইকেটের দাপুটে জয় যে কোনো দলের জন্যই স্বস্তির।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া প্রথমে ওমানকে আটকে দেয় ১০৫ রানে। এরপর মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেডদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে খুব সহজেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে তারা।

এই জয়টি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যৌথভাবে দ্রুততম রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডের সমান। এর আগে ২০২৪ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৯.৪ ওভারে লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছিল ইংল্যান্ডও।

যদিও আগেই গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া, তবু জয়টি আরও বড় হতে পারত। ১০ উইকেটের জয় হাতছানি দিচ্ছিল। কিন্তু লক্ষ্য থেকে ১৩ রান দূরে থাকতে ওপেনার হেড ১৯ বলে ৩২ রান করে আউট হলে সেই সম্ভাবনা আর থাকেনি। এক প্রান্তে অধিনায়ক মার্শ ৩৩ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন। তিন নম্বরে নেমে জশ ইংলিস ৬ বলে ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দেন বোলাররাই। বিশেষ করে লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। তিনি ২১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন।

টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়া অস্ট্রেলিয়া শুরু থেকেই ওমানকে চাপে রাখে। ইনিংসের প্রথম বলেই জাভিয়ের বার্টলেট ওমানের ওপেনার আমির কালিমকে বোল্ড করেন। কিছুক্ষণ পর ফেরান আরেক ওপেনার যতিন্দর সিংকেও। ওমানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন ওয়াসিম আলী।

বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে জয় দিয়ে, তবে হতাশা কাটেনি। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মার্শ স্বীকার করেন, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে তারা নিজেদের সেরা খেলাটা দেখাতে পারেননি। জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের কথাও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, ড্রেসিংরুমে এখন গভীর হতাশা।

ম্যাচসেরা জাম্পাও বলেন, কয়েকটা দিন খুব কঠিন গেছে। বিশ্বকাপ থেকে এত দ্রুত বিদায় নেওয়া সত্যিই কষ্টের, আর ড্রেসিংরুমে এখন এক ধরনের নীরবতা কাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শেষ ম্যাচে ওমানকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে স্বস্তির জয় পেল অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
370

এতে কি অস্ট্রেলিয়ানদের মনখারাপ কিছুটা কমবে? হয়তো কমতে পারে। মাত্র ৯.৪ ওভারে ১০৮ রান তুলে ৯ উইকেটের দাপুটে জয় যে কোনো দলের জন্যই স্বস্তির।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া প্রথমে ওমানকে আটকে দেয় ১০৫ রানে। এরপর মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেডদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে খুব সহজেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে তারা।

এই জয়টি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যৌথভাবে দ্রুততম রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডের সমান। এর আগে ২০২৪ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৯.৪ ওভারে লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছিল ইংল্যান্ডও।

যদিও আগেই গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া, তবু জয়টি আরও বড় হতে পারত। ১০ উইকেটের জয় হাতছানি দিচ্ছিল। কিন্তু লক্ষ্য থেকে ১৩ রান দূরে থাকতে ওপেনার হেড ১৯ বলে ৩২ রান করে আউট হলে সেই সম্ভাবনা আর থাকেনি। এক প্রান্তে অধিনায়ক মার্শ ৩৩ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন। তিন নম্বরে নেমে জশ ইংলিস ৬ বলে ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দেন বোলাররাই। বিশেষ করে লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। তিনি ২১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন।

টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়া অস্ট্রেলিয়া শুরু থেকেই ওমানকে চাপে রাখে। ইনিংসের প্রথম বলেই জাভিয়ের বার্টলেট ওমানের ওপেনার আমির কালিমকে বোল্ড করেন। কিছুক্ষণ পর ফেরান আরেক ওপেনার যতিন্দর সিংকেও। ওমানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন ওয়াসিম আলী।

বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে জয় দিয়ে, তবে হতাশা কাটেনি। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মার্শ স্বীকার করেন, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে তারা নিজেদের সেরা খেলাটা দেখাতে পারেননি। জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের কথাও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, ড্রেসিংরুমে এখন গভীর হতাশা।

ম্যাচসেরা জাম্পাও বলেন, কয়েকটা দিন খুব কঠিন গেছে। বিশ্বকাপ থেকে এত দ্রুত বিদায় নেওয়া সত্যিই কষ্টের, আর ড্রেসিংরুমে এখন এক ধরনের নীরবতা কাজ করছে।