ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার পৌরসভায় মেয়র পদে প্রার্থী হতে চান খোরশেদ আলম, মানবিক ও মাদকমুক্ত পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ সাভার মডেল থানা ওসি সাইফুল সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে সড়ক দুর্ঘটনার শঙ্কা দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর প্রেমের সম্পর্কের পর ৪ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ তরুণীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ জমকালো আয়োজনে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত বাঘায় পাকুড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সিরাত মাহফিল অনুষ্ঠিত রাসুল (সা.) এর আদর্শে সমাজ গড়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সুমন সরকার রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট প্রধানমন্ত্রী গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত আহত ১ কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন

ঝিনাইদহে বিএনপির ‘দুর্গে’ জামায়াতের জয়, চারটি আসনের তিনটিতেই জয়ী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৯:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫৭৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপির ‘দুর্গ’খ্যাত ঝিনাইদহের চারটি সংসদীয় আসনের তিনটিতেই জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। শুধু ঝিনাইদহ–১ (শৈলকুপা) আসনে বিএনপি নেতা সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জয়ী হয়েছেন। ভোট গণনা শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

জামায়াতে ইসলামীর বিজয়ী তিনজন হলেন ঝিনাইদহ–২ (সদর ও হরিণাকুণ্ডু) আসনে আলী আজম মো. আবু বক্কর, ঝিনাইদহ–৩ (কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর) আসনে মতিয়ার রহমান ও ঝিনাইদহ–৪ (কালীগঞ্জ ও সদর একাংশ) আসনে মাওলানা আবু তালিব নির্বাচিত হয়েছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা বলছেন, ১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সব কটি আসন বিএনপির দখলে ছিল। শুধু ঝিনাইদহ–১ আসনে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল হাই ৩৩৫ ভোটে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল ওহাবকে পরাজিত করে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ঝিনাইদহ–১ আসনে মো. আসাদুজ্জামান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৮১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শৈলকুপা উপজেলা জামায়াতের আমির আবু সালেহ মো. মতিউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ৫৭ হাজার ৫৫ ভোট পেয়েছেন।

ঝিনাইদহ–২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আলী আজম মো. আবু বক্কর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৮৪ ভোট পেয়েছেন।

ঝিনাইদহ–৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. আবু তালিব দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ৭৭ হাজার ১০৪ ভোট পেয়েছেন। গণ অধিকার পরিষদ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খাঁন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৫৬ হাজার ২২৪ ভোট পেয়েছেন।

ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হোসেন বলেন, খুবই উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোনো সমস্যা দেখা দেয়নি। ভোটাররা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঝিনাইদহে বিএনপির ‘দুর্গে’ জামায়াতের জয়, চারটি আসনের তিনটিতেই জয়ী

আপডেট সময় : ১২:৩৯:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির ‘দুর্গ’খ্যাত ঝিনাইদহের চারটি সংসদীয় আসনের তিনটিতেই জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। শুধু ঝিনাইদহ–১ (শৈলকুপা) আসনে বিএনপি নেতা সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জয়ী হয়েছেন। ভোট গণনা শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

জামায়াতে ইসলামীর বিজয়ী তিনজন হলেন ঝিনাইদহ–২ (সদর ও হরিণাকুণ্ডু) আসনে আলী আজম মো. আবু বক্কর, ঝিনাইদহ–৩ (কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর) আসনে মতিয়ার রহমান ও ঝিনাইদহ–৪ (কালীগঞ্জ ও সদর একাংশ) আসনে মাওলানা আবু তালিব নির্বাচিত হয়েছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা বলছেন, ১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সব কটি আসন বিএনপির দখলে ছিল। শুধু ঝিনাইদহ–১ আসনে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল হাই ৩৩৫ ভোটে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল ওহাবকে পরাজিত করে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ঝিনাইদহ–১ আসনে মো. আসাদুজ্জামান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৮১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শৈলকুপা উপজেলা জামায়াতের আমির আবু সালেহ মো. মতিউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ৫৭ হাজার ৫৫ ভোট পেয়েছেন।

ঝিনাইদহ–২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আলী আজম মো. আবু বক্কর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৮৪ ভোট পেয়েছেন।

ঝিনাইদহ–৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. আবু তালিব দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ৭৭ হাজার ১০৪ ভোট পেয়েছেন। গণ অধিকার পরিষদ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খাঁন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৫৬ হাজার ২২৪ ভোট পেয়েছেন।

ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হোসেন বলেন, খুবই উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোনো সমস্যা দেখা দেয়নি। ভোটাররা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন।