ঢাকা ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কলাপাড়ায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা বাঘায় রাতভর অভিযান: চুরি মামলার পলাতক আসামি মিশন গ্রেফতার, উদ্ধার চোরাই অটোভ্যান বিয়ের পর বরের গাড়ি থামিয়ে নববধূকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ, হোসেনপুরে চাঞ্চল্য সাভার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড বক্তারপুর এলাকায় ঋণের টাকা ফেরত চেয়ে নিজের পুরুষাঙ্গ হারালেন স্বপন সাভারের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয় বাঘায় মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে ৬ জন আটক চরাঞ্চলে রাতভর অভিযান রাজশাহীতে ২১ পিস ইয়াবাসহ কথিত সাংবাদিক ও বহিষ্কৃত যুবদল নেতা মিশাল আটক সাভারের ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো ছাত্রলীগ নেতা রাজু ফের গ্রেপ্তার করে পুলিশ সাভারের ক্যান্সার আক্রান্ত আশরাফের চিকিৎসায় অনুদান সংগ্রহে চ্যারিটি কনসার্ট অনুষ্টিত হয় আড়ানীতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে দুই দলকে জার্সি উপহার দিলেন শামীম সরকার

লামিনে ইয়ামাল আবেগঘন পোস্ট

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আবেগঘন বার্তা, শৈশবের ছবি শেয়ার করলেন লামিনে ইয়ামাল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৪:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ১৫৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে আবেগঘন এক পোস্ট করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। নিজের শৈশবের একটি স্মৃতি ভাগ করে নিয়ে তিনি আবারও প্রমাণ করেছেন, সাফল্যের সর্বোচ্চ মঞ্চে পৌঁছেও তিনি নিজের শিকড়কে ভুলে যাননি।

নিজের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শৈশবের একটি ছবি প্রকাশ করেন ১৯ বছর বয়সী এই উইঙ্গার। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘For you and for the streets’। সংক্ষিপ্ত হলেও এই বার্তাটি গভীর তাৎপর্য বহন করে। এর মাধ্যমে ইয়ামাল তার বেড়ে ওঠার এলাকা রোকাফোন্দার মানুষ এবং সেই পরিবেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। তার এই পোস্ট মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

স্পেনের কাতালোনিয়ার মাতারো শহরের রোকাফোন্দা এলাকাতেই ইয়ামালের শৈশব কেটেছে। ফুটবলের প্রতি তার ভালোবাসা এবং স্বপ্নের পথচলার সূচনা হয়েছিল এই এলাকাতেই। ছোটবেলা থেকেই স্থানীয় মাঠে অনুশীলন করে ধীরে ধীরে নিজেকে গড়ে তুলেছেন তিনি। আজ বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় তারকায় পরিণত হলেও নিজের সেই শুরুর গল্প কখনো ভুলে যাননি।

নিজের শিকড়ের প্রতি ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে ইয়ামাল নিয়মিত যে হেডব্যান্ড ব্যবহার করেন, সেখানে রোকাফোন্দার নাম লেখা থাকে। এটি শুধু একটি ফ্যাশন নয়, বরং তার পরিচয়, আত্মপরিচয়ের গর্ব এবং নিজের মানুষের প্রতি সম্মানের প্রতীক। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই এই হেডব্যান্ড পরে মাঠে নামেন তিনি।

ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত ছবিতে ছোট্ট ইয়ামালকে তার ফুটবল ক্যারিয়ারের প্রথম ক্লাব লা তোরেতা–র জার্সি পরা অবস্থায় দেখা যায়। সেই ছবির সঙ্গে তিনি স্প্যানিশ র‌্যাপার মোরাদ–এর একটি জনপ্রিয় গানও যুক্ত করেন। মোরাদও রোকাফোন্দা এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় এই গান নির্বাচনকে অনেকেই ইয়ামালের শিকড়ের প্রতি আরও একটি আবেগঘন শ্রদ্ধা হিসেবে দেখছেন।

ফুটবল ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নিজের জন্মস্থান, পরিবার এবং বেড়ে ওঠার পরিবেশ নিয়ে গর্ব করতে দেখা গেছে ইয়ামালকে। বড় কোনো টুর্নামেন্ট বা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে তিনি প্রায়ই এমন বার্তার মাধ্যমে নিজের অনুপ্রেরণার উৎসের কথা স্মরণ করেন। বিশ্বকাপের মতো সবচেয়ে বড় আসরের ফাইনালের আগে তার এই পোস্টও ব্যতিক্রম নয়।

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ইয়ামালের এই আবেগময় বার্তা ভক্তদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। অনেকেই মনে করছেন, এটি শুধু একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট নয়; বরং নিজের স্বপ্ন, সংগ্রাম এবং শিকড়ের প্রতি অটুট ভালোবাসার প্রকাশ। কোটি কোটি দর্শকের সামনে বিশ্বকাপের শিরোপার লড়াইয়ে নামার আগে নিজের শুরুর দিনগুলোর কথা স্মরণ করে ইয়ামাল যেন আরেকবার জানিয়ে দিলেন—যত বড় তারকাই হওয়া যাক না কেন, নিজের শিকড়ই একজন মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য

লামিনে ইয়ামাল আবেগঘন পোস্ট

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আবেগঘন বার্তা, শৈশবের ছবি শেয়ার করলেন লামিনে ইয়ামাল

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে আবেগঘন এক পোস্ট করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। নিজের শৈশবের একটি স্মৃতি ভাগ করে নিয়ে তিনি আবারও প্রমাণ করেছেন, সাফল্যের সর্বোচ্চ মঞ্চে পৌঁছেও তিনি নিজের শিকড়কে ভুলে যাননি।

নিজের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শৈশবের একটি ছবি প্রকাশ করেন ১৯ বছর বয়সী এই উইঙ্গার। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘For you and for the streets’। সংক্ষিপ্ত হলেও এই বার্তাটি গভীর তাৎপর্য বহন করে। এর মাধ্যমে ইয়ামাল তার বেড়ে ওঠার এলাকা রোকাফোন্দার মানুষ এবং সেই পরিবেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। তার এই পোস্ট মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

স্পেনের কাতালোনিয়ার মাতারো শহরের রোকাফোন্দা এলাকাতেই ইয়ামালের শৈশব কেটেছে। ফুটবলের প্রতি তার ভালোবাসা এবং স্বপ্নের পথচলার সূচনা হয়েছিল এই এলাকাতেই। ছোটবেলা থেকেই স্থানীয় মাঠে অনুশীলন করে ধীরে ধীরে নিজেকে গড়ে তুলেছেন তিনি। আজ বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় তারকায় পরিণত হলেও নিজের সেই শুরুর গল্প কখনো ভুলে যাননি।

নিজের শিকড়ের প্রতি ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে ইয়ামাল নিয়মিত যে হেডব্যান্ড ব্যবহার করেন, সেখানে রোকাফোন্দার নাম লেখা থাকে। এটি শুধু একটি ফ্যাশন নয়, বরং তার পরিচয়, আত্মপরিচয়ের গর্ব এবং নিজের মানুষের প্রতি সম্মানের প্রতীক। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই এই হেডব্যান্ড পরে মাঠে নামেন তিনি।

ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত ছবিতে ছোট্ট ইয়ামালকে তার ফুটবল ক্যারিয়ারের প্রথম ক্লাব লা তোরেতা–র জার্সি পরা অবস্থায় দেখা যায়। সেই ছবির সঙ্গে তিনি স্প্যানিশ র‌্যাপার মোরাদ–এর একটি জনপ্রিয় গানও যুক্ত করেন। মোরাদও রোকাফোন্দা এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় এই গান নির্বাচনকে অনেকেই ইয়ামালের শিকড়ের প্রতি আরও একটি আবেগঘন শ্রদ্ধা হিসেবে দেখছেন।

ফুটবল ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নিজের জন্মস্থান, পরিবার এবং বেড়ে ওঠার পরিবেশ নিয়ে গর্ব করতে দেখা গেছে ইয়ামালকে। বড় কোনো টুর্নামেন্ট বা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে তিনি প্রায়ই এমন বার্তার মাধ্যমে নিজের অনুপ্রেরণার উৎসের কথা স্মরণ করেন। বিশ্বকাপের মতো সবচেয়ে বড় আসরের ফাইনালের আগে তার এই পোস্টও ব্যতিক্রম নয়।

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ইয়ামালের এই আবেগময় বার্তা ভক্তদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। অনেকেই মনে করছেন, এটি শুধু একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট নয়; বরং নিজের স্বপ্ন, সংগ্রাম এবং শিকড়ের প্রতি অটুট ভালোবাসার প্রকাশ। কোটি কোটি দর্শকের সামনে বিশ্বকাপের শিরোপার লড়াইয়ে নামার আগে নিজের শুরুর দিনগুলোর কথা স্মরণ করে ইয়ামাল যেন আরেকবার জানিয়ে দিলেন—যত বড় তারকাই হওয়া যাক না কেন, নিজের শিকড়ই একজন মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি।