ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার পৌরসভায় মেয়র পদে প্রার্থী হতে চান খোরশেদ আলম, মানবিক ও মাদকমুক্ত পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ সাভার মডেল থানা ওসি সাইফুল সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে সড়ক দুর্ঘটনার শঙ্কা দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর প্রেমের সম্পর্কের পর ৪ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ তরুণীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ জমকালো আয়োজনে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত বাঘায় পাকুড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সিরাত মাহফিল অনুষ্ঠিত রাসুল (সা.) এর আদর্শে সমাজ গড়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সুমন সরকার রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট প্রধানমন্ত্রী গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত আহত ১ কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন

তাদের শীর্ষ নেতাদের মাধ্যমে আমি স্পষ্টভাবে বলেছি চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩৯২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজের কঠোর অবস্থান আবারও স্পষ্ট করেছেন। আজ সোমবার চট্টগ্রামে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি নাম উল্লেখ না করে একটি রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন,
“তাদের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বসে আমি সরাসরি বলেছি—চাঁদাবাজি বন্ধ করুন। অমুক আলমের সাম্রাজ্য পাহারা দেওয়া বন্ধ করুন। কিন্তু এরপরও বিভিন্ন এলাকায় দখলদারি শুরু হয়ে যায়। এই দখলদারির সংঘাতে তারা নিজেরাই নিজেদের ২৩৪ জন মানুষকে হত্যা করেছে। এরা দেশকে কী দিতে পারবে?”

আজ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় চট্টগ্রাম নগরের বন্দর স্কুল মাঠে নগর জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের আরও চারটি নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেন।

বিএনপির সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন,
“আপনাদেরই একজন গর্বিত সন্তান প্রথম প্রকাশ্যে বলেছিলেন—তিনি এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। তিনিই এখন বলেছেন, আমি আর বিএনপিতে নেই, থাকতে পারি না। কারণ এটি আর জিয়াউর রহমান বা বেগম খালেদা জিয়ার বিএনপি নয়।”

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে শফিকুর রহমান বলেন,
“আমরা সবাই নির্যাতিত ছিলাম। তারা ১৫ বছর, আর আমরা আরও বেশি সময় নির্যাতনের শিকার হয়েছি। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আমাদের ওপর তাণ্ডব শুরু হয়। লগি-বৈঠার হামলায় জিরো পয়েন্টে প্রকাশ্য দিবালোকে আমাদের ছয়জন ভাইকে হত্যা করা হয়েছিল। তারা তাদের পাওনার একটি অংশ পেয়ে গেছে। এখন বাংলাদেশ মুক্ত।”

তিনি আরও বলেন,
“যাদের মধ্যে ফ্যাসিবাদী মানসিকতা রয়েছে, তাদের চিরতরে লাল কার্ড দেখাতে হবে। দুঃখজনক হলেও সত্য, দেশের সবচেয়ে নির্যাতিত দল জামায়াতে ইসলামী ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে, দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা রেখেছে, শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে। অথচ সেই সুযোগে একটি দল চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হয়েছে।”

চট্টগ্রাম বন্দর প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন,
“চট্টগ্রাম বন্দর দেশের জনগণের সম্পদ। জনগণ যদি আমাদের দায়িত্ব দেয় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পাই, তাহলে দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি এই বন্দরকে সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতিমুক্ত করব।”

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আ ন ম শামসুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া, এলডিপির নগর শাখার সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের নগর শাখার সভাপতি খুরশিদ আলম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, চট্টগ্রাম নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম লুৎফর রহমান, এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব মাহমুদা মিতু, ডাকসুর সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিগবাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সমর্থিত প্রার্থীদের মধ্যেও বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির চট্টগ্রাম অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক মো. জুবাইরুল হাসান আরিফ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের এ কে এম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম-১০ আসনের মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী, চট্টগ্রাম-১১ আসনের মোহাম্মদ শফিউল আলম এবং খাগড়াছড়ি আসনের প্রার্থী ইয়াকুব আলী।


আপনি চাইলে এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত সংবাদ, শিরোনামসহ রিপোর্ট, বা অনলাইন পোর্টাল উপযোগী সংস্করণেও সাজিয়ে দিতে পারি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তাদের শীর্ষ নেতাদের মাধ্যমে আমি স্পষ্টভাবে বলেছি চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজের কঠোর অবস্থান আবারও স্পষ্ট করেছেন। আজ সোমবার চট্টগ্রামে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি নাম উল্লেখ না করে একটি রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন,
“তাদের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বসে আমি সরাসরি বলেছি—চাঁদাবাজি বন্ধ করুন। অমুক আলমের সাম্রাজ্য পাহারা দেওয়া বন্ধ করুন। কিন্তু এরপরও বিভিন্ন এলাকায় দখলদারি শুরু হয়ে যায়। এই দখলদারির সংঘাতে তারা নিজেরাই নিজেদের ২৩৪ জন মানুষকে হত্যা করেছে। এরা দেশকে কী দিতে পারবে?”

আজ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় চট্টগ্রাম নগরের বন্দর স্কুল মাঠে নগর জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের আরও চারটি নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেন।

বিএনপির সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন,
“আপনাদেরই একজন গর্বিত সন্তান প্রথম প্রকাশ্যে বলেছিলেন—তিনি এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। তিনিই এখন বলেছেন, আমি আর বিএনপিতে নেই, থাকতে পারি না। কারণ এটি আর জিয়াউর রহমান বা বেগম খালেদা জিয়ার বিএনপি নয়।”

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে শফিকুর রহমান বলেন,
“আমরা সবাই নির্যাতিত ছিলাম। তারা ১৫ বছর, আর আমরা আরও বেশি সময় নির্যাতনের শিকার হয়েছি। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আমাদের ওপর তাণ্ডব শুরু হয়। লগি-বৈঠার হামলায় জিরো পয়েন্টে প্রকাশ্য দিবালোকে আমাদের ছয়জন ভাইকে হত্যা করা হয়েছিল। তারা তাদের পাওনার একটি অংশ পেয়ে গেছে। এখন বাংলাদেশ মুক্ত।”

তিনি আরও বলেন,
“যাদের মধ্যে ফ্যাসিবাদী মানসিকতা রয়েছে, তাদের চিরতরে লাল কার্ড দেখাতে হবে। দুঃখজনক হলেও সত্য, দেশের সবচেয়ে নির্যাতিত দল জামায়াতে ইসলামী ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে, দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা রেখেছে, শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে। অথচ সেই সুযোগে একটি দল চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হয়েছে।”

চট্টগ্রাম বন্দর প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন,
“চট্টগ্রাম বন্দর দেশের জনগণের সম্পদ। জনগণ যদি আমাদের দায়িত্ব দেয় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পাই, তাহলে দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি এই বন্দরকে সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতিমুক্ত করব।”

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আ ন ম শামসুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া, এলডিপির নগর শাখার সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের নগর শাখার সভাপতি খুরশিদ আলম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, চট্টগ্রাম নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম লুৎফর রহমান, এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব মাহমুদা মিতু, ডাকসুর সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিগবাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সমর্থিত প্রার্থীদের মধ্যেও বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির চট্টগ্রাম অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক মো. জুবাইরুল হাসান আরিফ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের এ কে এম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম-১০ আসনের মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী, চট্টগ্রাম-১১ আসনের মোহাম্মদ শফিউল আলম এবং খাগড়াছড়ি আসনের প্রার্থী ইয়াকুব আলী।


আপনি চাইলে এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত সংবাদ, শিরোনামসহ রিপোর্ট, বা অনলাইন পোর্টাল উপযোগী সংস্করণেও সাজিয়ে দিতে পারি।