ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার ও আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামিদের দেখামাত্র গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন সালাউদ্দিন বাবু এমপি সাভারের পুলিশ ক্যাম্প থেকে আসামি পলানোর ঘটনায় দুই জন পুলিশকে ক্লোজড ব্র্যাকের উদ্যোগে বাঘায় ১৫ জন স্বপ্নসারথি কিশোরীকে প্রশিক্ষণ শেষে মুরগির বাচ্চা ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান চকরাজাপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী জগলু শিকদারের মাজার জিয়ারত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত উলিপুরে ফুল শিক্ষাবৃত্তি প্রদান ৪৯ শিক্ষার্থী পেল সনদ ও নগদ অর্থ রাজশাহীতে ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ বাঘায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামের রাজারহাটে গলায় ওড়না পেঁ/চিয়ে শিক্ষার্থীর আ/ত্মহ/ত্যা সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান অবাঞ্ছিত ঘোষণা

কুয়াকাটায় ফিস ফ্রাই রাস্তা নির্মাণে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ সরকারি বালু ব্যবহারে চাঞ্চল্য ঠিকাদারের মালমা দেয়ার হুমকিতে আতঙ্কে সাধারণ মানুষ।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
170

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভায় ফিস ফ্রাই রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে দায়সারা ও নিম্নমানের কাজের মাধ্যমে প্রকল্পটি দ্রুত শেষ করার অপচেষ্টা চলছে, যা জনস্বার্থকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

প্রায় ৭২১ ফুট দৈর্ঘ্যের এই রাস্তা নির্মাণ কাজের দায়িত্বে রয়েছে মেসার্স মামুন এন্ড তালুকদার জেডি। তবে কাজ শুরুর পর থেকেই নানা অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে এবং যথাযথ প্রকৌশল মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে না, ফলে রাস্তার স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক অভিযোগ হলো, পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তা ও ডিসি পার্ক সংলগ্ন পুকুর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে তা নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে একদিকে সরকারি সম্পদের অপচয় ঘটছে, অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ছে।

এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার নিজেকে পটুয়াখালী জেলার প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, “এর চেয়েও নিম্নমানের কাজ করা সম্ভব, কেউ কিছু করতে পারবে না।

এমনকি প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সচেতন মহলের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতা ও তদারকির অভাবেই এমন অনিয়ম দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

তারা অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সন্তোষজনক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

একইভাবে অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষ দ্রুত স্বচ্ছ তদন্ত, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং এ ধরনের অনিয়মের স্থায়ী অবসান প্রত্যাশা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কুয়াকাটায় ফিস ফ্রাই রাস্তা নির্মাণে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ সরকারি বালু ব্যবহারে চাঞ্চল্য ঠিকাদারের মালমা দেয়ার হুমকিতে আতঙ্কে সাধারণ মানুষ।

আপডেট সময় : ১১:৪৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
170

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভায় ফিস ফ্রাই রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে দায়সারা ও নিম্নমানের কাজের মাধ্যমে প্রকল্পটি দ্রুত শেষ করার অপচেষ্টা চলছে, যা জনস্বার্থকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

প্রায় ৭২১ ফুট দৈর্ঘ্যের এই রাস্তা নির্মাণ কাজের দায়িত্বে রয়েছে মেসার্স মামুন এন্ড তালুকদার জেডি। তবে কাজ শুরুর পর থেকেই নানা অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে এবং যথাযথ প্রকৌশল মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে না, ফলে রাস্তার স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক অভিযোগ হলো, পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তা ও ডিসি পার্ক সংলগ্ন পুকুর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে তা নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে একদিকে সরকারি সম্পদের অপচয় ঘটছে, অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ছে।

এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার নিজেকে পটুয়াখালী জেলার প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, “এর চেয়েও নিম্নমানের কাজ করা সম্ভব, কেউ কিছু করতে পারবে না।

এমনকি প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সচেতন মহলের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতা ও তদারকির অভাবেই এমন অনিয়ম দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

তারা অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সন্তোষজনক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

একইভাবে অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষ দ্রুত স্বচ্ছ তদন্ত, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং এ ধরনের অনিয়মের স্থায়ী অবসান প্রত্যাশা করছেন।