বাঘায় তেল পাম্পে ভুগান্তীতে মানুষ খুচরা ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য
- আপডেট সময় : ০৩:১৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহীর বাঘায় জ্বালানি তেলের সংকট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। উপজেলায় একটি মাত্র পেট্রোল পাম্প থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও মিলছে না প্রয়োজনীয় জ্বালানি। অভিযোগ উঠেছে, কিছু সংখ্যক মোটরসাইকেল চালক একবার তেল নেয়ার পরে পুনরায় পেছনে গিয়ে দ্বিতীয়বার লাইনে দাড়াচ্ছেন।
এতে করে বিড়ম্বনায় পড়ছেন পাম্প মালিক। তবে লোকজন বলছেন, পাম্পে ঝুলানো নির্দেশনা বাস্তবায়ন করলে এই অনিয়ম প্রতিহত করা সম্ভব । স্থানীয়রা বলছেন, বাঘায় একটিমাত্র পেট্রোল পাম্প হওয়ায় তেল আসার খবর পেলে মানুষ ১০ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন।
এই দীর্ঘ অপেক্ষার পর একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুইশত টাকার পেট্রোল পাচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, কিছু মোটরসাইকেল চালক একাধিকবার লাইনে দাঁড়িয়ে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
অন্যদিকে, খুচরা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে চোরাইভাবে বেশি দামে পেট্রোল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এতে করে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি কিনছেন। সম্প্রতি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দুই খুচরা বিক্রেতাকে জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তার। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, পেট্রোল ক্রয়ের ক্ষেত্রে যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র ও হেলমেট থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত লিফলেট পাম্পে টানানো রয়েছে। তবে বাস্তবে এসব নির্দেশনা কার্যকর হচ্ছে না বলে বৈধ যান চালকদের অভিযোগ ।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতে , কঠোরভাবে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হলে পেট্রোল ক্রেতার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং অবৈধ বেচাকেনা ও সিন্ডিকেট কার্যক্রম অনেকাংশে বন্ধ করা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী আক্তার বলেন, বাঘা পেট্রোল পাম্পে আমাদের সককারী কমিশনার (ভুমি) সাবিহা সুলতানা ডলিকে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আশা করি এখন থেকে আর কোন অনিয়ম হবেনা। যদি কেউ অনিয়ম করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। একই সাথে পাম্পে যে লিফলেট ঝুলানো আছে, সেটিও কার্যকর করা হবে।




















