ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত উলিপুরে ফুল শিক্ষাবৃত্তি প্রদান ৪৯ শিক্ষার্থী পেল সনদ ও নগদ অর্থ রাজশাহীতে ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ বাঘায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামের রাজারহাটে গলায় ওড়না পেঁ/চিয়ে শিক্ষার্থীর আ/ত্মহ/ত্যা সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান অবাঞ্ছিত ঘোষণা উলিপুরে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার উলিপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান সরকারের দাফন সম্পন্ন বাঘায় ৭ম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী নিখোঁজ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ রাজশাহীতে ২ রেস্তোরাঁয় হামলা ককটেল বিস্ফোরণ পুলিশ আহত প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

ভিজিএফ কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে ছাড় দেওয়া হবে না এমপি ব্যারিস্টার সালেহী

উলিপুর কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬ ১৪১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
164

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় উলিপুর উপজেলার অতিদরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্যশস্য বিতরণকে কেন্দ্র করে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ১০টায় উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী। সভায় সভাপতিত্ব করেন উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান। এ সময় জামায়াত, বিএনপি, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, উলিপুরে ভিজিএফ কার্ড বিতরণে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। কোন ইউনিয়নের কোন ওয়ার্ডে কতটি কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা স্থানীয় জনগণকে জানাতে হবে এবং বিষয়টি গণমাধ্যমেও প্রকাশ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ভিজিএফ কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ব্যত্যয় হলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে উদ্দেশ করে বলেন, কোনো ইউনিয়ন পরিষদে অনিয়মের ঘটনা ঘটলে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষ এই সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্য যেন সঠিকভাবে প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার উলিপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে মোট ৮৩ হাজার ৩৭০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ভিজিএফ কার্ড বিতরণ করা হবে। কার্ডপ্রতি ১০ কেজি করে মোট ৮৩৩ দশমিক ৭০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া উলিপুর পৌরসভার ৪ হাজার ৬২৫টি কার্ডের বিপরীতে মোট ৪৬ দশমিক ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা পৌরসভার উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাসকারী এবং নিয়মিত খাদ্যসংকটে ভোগা পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভিজিএফ কার্ড বিতরণ করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে—ভিটাবাড়ি ছাড়া অন্য কোনো জমি নেই এমন পরিবার, দিনমজুরের আয়ের ওপর নির্ভরশীল পরিবার, মহিলা শ্রমিক বা ভিক্ষাবৃত্তির আয়ে চলা পরিবার, উপার্জনক্ষম পূর্ণবয়স্ক পুরুষবিহীন অসচ্ছল পরিবার, স্কুলগামী শিশুকে উপার্জনের জন্য কাজ করতে হয় এমন পরিবার,

উপার্জনশীল ব্যক্তি নেই এমন পরিবার, স্বামী পরিত্যক্তা বা তালাকপ্রাপ্ত অসচ্ছল নারীর পরিবার, অসচ্ছল ও অক্ষম প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পরিবার, ক্ষুদ্রঋণ সুবিধাবঞ্চিত পরিবার এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে খাদ্য ও অর্থসংকটে পড়া পরিবার। এছাড়া যেসব পরিবারের সদস্যরা বছরের অধিকাংশ সময় দুবেলা খাবার জোগাড় করতে পারেন না, সেসব পরিবারকেও এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভিজিএফ কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে ছাড় দেওয়া হবে না এমপি ব্যারিস্টার সালেহী

আপডেট সময় : ০১:০৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
164

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় উলিপুর উপজেলার অতিদরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্যশস্য বিতরণকে কেন্দ্র করে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ১০টায় উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী। সভায় সভাপতিত্ব করেন উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান। এ সময় জামায়াত, বিএনপি, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, উলিপুরে ভিজিএফ কার্ড বিতরণে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। কোন ইউনিয়নের কোন ওয়ার্ডে কতটি কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা স্থানীয় জনগণকে জানাতে হবে এবং বিষয়টি গণমাধ্যমেও প্রকাশ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ভিজিএফ কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ব্যত্যয় হলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে উদ্দেশ করে বলেন, কোনো ইউনিয়ন পরিষদে অনিয়মের ঘটনা ঘটলে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষ এই সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্য যেন সঠিকভাবে প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার উলিপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে মোট ৮৩ হাজার ৩৭০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ভিজিএফ কার্ড বিতরণ করা হবে। কার্ডপ্রতি ১০ কেজি করে মোট ৮৩৩ দশমিক ৭০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া উলিপুর পৌরসভার ৪ হাজার ৬২৫টি কার্ডের বিপরীতে মোট ৪৬ দশমিক ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা পৌরসভার উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাসকারী এবং নিয়মিত খাদ্যসংকটে ভোগা পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভিজিএফ কার্ড বিতরণ করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে—ভিটাবাড়ি ছাড়া অন্য কোনো জমি নেই এমন পরিবার, দিনমজুরের আয়ের ওপর নির্ভরশীল পরিবার, মহিলা শ্রমিক বা ভিক্ষাবৃত্তির আয়ে চলা পরিবার, উপার্জনক্ষম পূর্ণবয়স্ক পুরুষবিহীন অসচ্ছল পরিবার, স্কুলগামী শিশুকে উপার্জনের জন্য কাজ করতে হয় এমন পরিবার,

উপার্জনশীল ব্যক্তি নেই এমন পরিবার, স্বামী পরিত্যক্তা বা তালাকপ্রাপ্ত অসচ্ছল নারীর পরিবার, অসচ্ছল ও অক্ষম প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পরিবার, ক্ষুদ্রঋণ সুবিধাবঞ্চিত পরিবার এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে খাদ্য ও অর্থসংকটে পড়া পরিবার। এছাড়া যেসব পরিবারের সদস্যরা বছরের অধিকাংশ সময় দুবেলা খাবার জোগাড় করতে পারেন না, সেসব পরিবারকেও এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।