পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় ১২ তলা অত্যাধুনিক জানা হোটেল নির্মাণ এয়ারলাইন্স চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামানের উদ্যোগে দ্রুতগতিতে কাজ চলমান
- আপডেট সময় : ০৯:৪৪:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় ‘জানা’ নামে ১২ তলা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের একটি বিলাসবহুল হোটেল নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। দেশের একটি স্বনামধন্য এয়ারলাইন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান জনাব আসাদুজ্জামানের উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন এই বৃহৎ প্রকল্প ইতোমধ্যেই কুয়াকাটার পর্যটন খাতে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন মনোরম পরিবেশে আধুনিক স্থাপত্যশৈলী ও উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে এই হোটেলটি। নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে ‘জানা’ হোটেলটি কুয়াকাটার অন্যতম দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক আবাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

জানা গেছে, হোটেলটিতে থাকবে আন্তর্জাতিক মানের বিলাসবহুল কক্ষ, আধুনিক রেস্টুরেন্ট, সুসজ্জিত কনফারেন্স হল, আকর্ষণীয় সুইমিং পুল, পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধা এবং দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের আধুনিক সেবা ও সুযোগ-সুবিধা। অত্যাধুনিক নকশায় এমনভাবে হোটেলটি নির্মাণ করা হচ্ছে যাতে পর্যটকরা কক্ষ থেকেই সহজে উপভোগ করতে পারেন সমুদ্রের অপার সৌন্দর্য।
এয়ারলাইন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান জনাব আসাদুজ্জামান বলেন, কুয়াকাটা বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে দিন দিন আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। তাই পর্যটকদের উন্নত সেবা ও আন্তর্জাতিক মানের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে এই অত্যাধুনিক হোটেল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘জানা’ হোটেলটি সম্পন্ন হলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য আধুনিক ও মানসম্মত আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে এবং কুয়াকাটার পর্যটন শিল্পে নতুন এক দিগন্তের সূচনা ঘটবে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহলের মতে, কুয়াকাটায় এমন একটি আন্তর্জাতিক মানের হোটেল নির্মাণ পর্যটন শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এর ফলে পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে। এছাড়াও এই বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকার বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা স্থানীয় উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অত্যাধুনিক এই ‘জানা’ হোটেলের নির্মাণ কাজে উন্নতমানের নির্মাণ সামগ্রী ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে এটি আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে পারে। একই সঙ্গে পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী প্রায় ৫ বছরের মধ্যে হোটেলটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে গ্রাহক ও পর্যটকদের জন্য হ্যান্ডওভার করা হবে।
উল্লেখ্য, পর্যটন নগরী কুয়াকাটা বাংলাদেশের একমাত্র সমুদ্র সৈকত যেখানে একই স্থান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ করা যায়। এই অনন্য বৈশিষ্ট্যের কারণে প্রতিবছর দেশ-বিদেশ থেকে হাজার হাজার পর্যটক এখানে ভিড় জমায়।
স্থানীয়দের মতে জানা হোটেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কুয়াকাটা শুধু দেশের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেই নয়, আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রেও আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে। কুয়াকাটাবাসী এখন আশাবাদী—এয়ারলাইন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান জনাব আসাদুজ্জামানের এই মহৎ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কুয়াকাটা পর্যটন শিল্পে সূচিত হবে নতুন এক আধুনিক ও সম্ভাবনাময় অধ্যায়।



















