ঢাকা ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকায় ১,৪০০টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিভাগীয় কমিশনার নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন র‍্যাবের মহাপরিচালক। যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কি নতুন ইতিহাস রচনা করতে পারবেন শাবানা মাহমুদ? মুরাদনগরে অর্থ বিতরণের অভিযোগে জামায়াতের এক নেতা আটক হয়েছেন। ভোটের প্রচারণা গাড়িতে জনমত বাক্সে উঠে আসছে মানুষের ভাবনা ক্ষমতা গ্রহণের একেবারে দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমান ভোটের গোপন কক্ষে ছবি তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ইসি সচিব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে নেতা কর্মীদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ফজরের নামাজ আদায়ের আহ্বান জানালেন তারেক রহমান নির্বাচনকে ঘিরে কোনো হুমকি নেই, এই শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক: ডিএমপি কমিশনার ময়মনসিংহে বিদ্রোহীদের প্রভাব বাড়ছে, চাপের মুখে দলীয় প্রার্থী

নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন র‍্যাবের মহাপরিচালক।

আনোয়ার হোসেন আন্নু বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:০০:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
68

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান। তবে যারা নির্বাচনকে ব্যাহত করতে চাইবে, তাদের জন্য ঝুঁকি আছে।

র‍্যাবের মহাপরিচালক বলেন, ‘ঝুঁকি অবশ্যই আছে, তবে সেই ঝুঁকি তাদের জন্য, যারা নির্বাচনকে ব্যাহত করতে চায়; যারা জাল ভোট দিতে চায়, ব্যালট বাক্স ছিনতাই করতে চায় কিংবা সহিংসতা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে আমরা সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব এবং এখানে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না। আমরা আইন অনুযায়ী কাজ করছি এবং আইন অনুযায়ীই কাজ করে যাব।’

আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে রাজধানী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনে ঝুঁকি আছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে র‍্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান এ কথা বলেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন ও দেশব্যাপী র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে জানাতে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় বহিরাগতদের অবস্থানের বিষয়ে র‍্যাবের মহাপরিচালক বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া কোনো বহিরাগত ব্যক্তি ভোটকেন্দ্র এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না। কোনো সন্দেহজনক উপস্থিতি বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি নজরে এলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে র‍্যাবের প্রধান শহিদুর রহমান বলেন, ‘আমরা এটিকে ঝুঁকিপূর্ণ না বলে বরং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময় হিসেবে বিবেচনা করছি। সে কারণে গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ—উভয় ধরনের ভোটকেন্দ্রে স্ট্যাটিক ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা যারা স্ট্রাইকিং বা মোবাইল টিম হিসেবে কাজ করছি—র‍্যাব, সেনাবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, আনসার ও পুলিশ—সবাই সমন্বিতভাবে মাঠে কাজ করছে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সুতরাং ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি বলে আমরা কোনো বড় আশঙ্কা করছি না। এবার সর্বাধিকসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি।’

নির্বাচনকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করে র‍্যাব কাজ করছে জানিয়ে শহিদুর রহমান বলেন, ‘তিনটি পর্যায় হলো—নির্বাচন–পূর্ব সময়, নির্বাচনের দিন ও নির্বাচন–পরবর্তী সময়। নির্বাচন–পূর্ব সময় আমরা খুব ভালোভাবেই সম্পন্ন করেছি, ছোটখাটো কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া বড় কোনো সমস্যা হয়নি। এখন আমাদের লক্ষ্য হলো, নির্বাচনের আগের এই শেষ সময়টুকু সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই উপলক্ষে আমাদের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছে। এবার আমরা স্ট্রাইকিং ও মোবাইল টিম হিসেবে দায়িত্ব পালন করব।’

সারা দেশের ৬৪টি জেলা ও আটটি মেট্রোপলিটন এলাকায় র‍্যাবের টিম মোতায়েন করা হয়েছে। আগামীকালের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে, এমন আশা প্রকাশ করে র‍্যাবের মহাপরিচালক শহিদুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচন–পরবর্তী সময়েও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আমাদের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন র‍্যাবের মহাপরিচালক।

আপডেট সময় : ১২:০০:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
68

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান। তবে যারা নির্বাচনকে ব্যাহত করতে চাইবে, তাদের জন্য ঝুঁকি আছে।

র‍্যাবের মহাপরিচালক বলেন, ‘ঝুঁকি অবশ্যই আছে, তবে সেই ঝুঁকি তাদের জন্য, যারা নির্বাচনকে ব্যাহত করতে চায়; যারা জাল ভোট দিতে চায়, ব্যালট বাক্স ছিনতাই করতে চায় কিংবা সহিংসতা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে আমরা সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব এবং এখানে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না। আমরা আইন অনুযায়ী কাজ করছি এবং আইন অনুযায়ীই কাজ করে যাব।’

আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে রাজধানী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনে ঝুঁকি আছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে র‍্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান এ কথা বলেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন ও দেশব্যাপী র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে জানাতে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় বহিরাগতদের অবস্থানের বিষয়ে র‍্যাবের মহাপরিচালক বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া কোনো বহিরাগত ব্যক্তি ভোটকেন্দ্র এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না। কোনো সন্দেহজনক উপস্থিতি বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি নজরে এলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে র‍্যাবের প্রধান শহিদুর রহমান বলেন, ‘আমরা এটিকে ঝুঁকিপূর্ণ না বলে বরং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময় হিসেবে বিবেচনা করছি। সে কারণে গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ—উভয় ধরনের ভোটকেন্দ্রে স্ট্যাটিক ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা যারা স্ট্রাইকিং বা মোবাইল টিম হিসেবে কাজ করছি—র‍্যাব, সেনাবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, আনসার ও পুলিশ—সবাই সমন্বিতভাবে মাঠে কাজ করছে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সুতরাং ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি বলে আমরা কোনো বড় আশঙ্কা করছি না। এবার সর্বাধিকসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি।’

নির্বাচনকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করে র‍্যাব কাজ করছে জানিয়ে শহিদুর রহমান বলেন, ‘তিনটি পর্যায় হলো—নির্বাচন–পূর্ব সময়, নির্বাচনের দিন ও নির্বাচন–পরবর্তী সময়। নির্বাচন–পূর্ব সময় আমরা খুব ভালোভাবেই সম্পন্ন করেছি, ছোটখাটো কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া বড় কোনো সমস্যা হয়নি। এখন আমাদের লক্ষ্য হলো, নির্বাচনের আগের এই শেষ সময়টুকু সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই উপলক্ষে আমাদের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছে। এবার আমরা স্ট্রাইকিং ও মোবাইল টিম হিসেবে দায়িত্ব পালন করব।’

সারা দেশের ৬৪টি জেলা ও আটটি মেট্রোপলিটন এলাকায় র‍্যাবের টিম মোতায়েন করা হয়েছে। আগামীকালের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে, এমন আশা প্রকাশ করে র‍্যাবের মহাপরিচালক শহিদুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচন–পরবর্তী সময়েও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আমাদের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে।