ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আরও ১ হাজার ৭১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হচ্ছে যে দেশে বিশ্বাসের অভাব, সে দেশ কীভাবে উন্নতি করবে মির্জা ফখরুল সাভার পৌরসভা ১নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আক্তার বেপারী নেতৃত্বে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলা সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৮ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঢাকা ১৯ আসনে ধানের শীষ বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে মোঃ খোরশেদ আলম আশুলিয়ায় যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর মন্ডলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ এ সময় তাঁদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান। আশা নেবে জুনিয়র লোন অফিসার, পদ ১,৪৫৫ ও বেতন শুরু ২৩,৯০৯ টাকা এক বছরে গ্রামীণফোনের মুনাফা কমেছে ৬৭৩ কোটি টাকা। পাকিস্তানি আইডলে বশীর আহমেদের গানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে অনুষ্ঠানে অতিথি বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হোমায়রা ও রাজা

আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলা সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৮ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

আনোয়ার হোসেন আন্নু বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:১০:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চব্বিশের জুলাই–আগস্ট আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আশুলিয়ায় ছয়টি লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১৬ জন আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। রায়ে সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলামসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এদিন দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে মামলায় গ্রেপ্তার থাকা আট আসামিকে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত রায় পাঠ করেন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন—ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, ডিবির তৎকালীন পরিদর্শক আরাফাত হোসেন, এসআই মালেক, এসআই আরাফাত উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান, এসআই শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল।

পলাতক আট আসামি হলেন ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার তৎকালীন ওসি এএফএম সায়েদ রনি, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রনি ভূঁইয়া।

এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য ৫ ফেব্রুয়ারির দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যানের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল।

এই ঘটনায় সাতজন শহীদ হন। তারা হলেন সাজ্জাদ হোসেন সজল, আস সাবুর, তানজিল মাহমুদ সুজয়, বায়োজিদ বোস্তামী, আবুল হোসেন, ওমর ফারুক ও মোহাম্মদ শাহাবুল ইসলাম।

গত বছরের ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। সে সময় আদালতে উপস্থিত আট আসামির মধ্যে সাতজন নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তবে এসআই শেখ আবজালুল হক দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন।

এর আগে একই বছরের ২ জুলাই প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত। অভিযোগপত্রের সঙ্গে তথ্যসূত্র হিসেবে ৩১৩ পৃষ্ঠার নথি, ১৬৮ পৃষ্ঠার দালিলিক প্রমাণ এবং দুটি পেনড্রাইভ সংযুক্ত করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলা সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৮ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১১:১০:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চব্বিশের জুলাই–আগস্ট আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আশুলিয়ায় ছয়টি লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১৬ জন আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। রায়ে সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলামসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এদিন দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে মামলায় গ্রেপ্তার থাকা আট আসামিকে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত রায় পাঠ করেন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন—ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, ডিবির তৎকালীন পরিদর্শক আরাফাত হোসেন, এসআই মালেক, এসআই আরাফাত উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান, এসআই শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল।

পলাতক আট আসামি হলেন ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার তৎকালীন ওসি এএফএম সায়েদ রনি, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রনি ভূঁইয়া।

এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য ৫ ফেব্রুয়ারির দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যানের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল।

এই ঘটনায় সাতজন শহীদ হন। তারা হলেন সাজ্জাদ হোসেন সজল, আস সাবুর, তানজিল মাহমুদ সুজয়, বায়োজিদ বোস্তামী, আবুল হোসেন, ওমর ফারুক ও মোহাম্মদ শাহাবুল ইসলাম।

গত বছরের ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। সে সময় আদালতে উপস্থিত আট আসামির মধ্যে সাতজন নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তবে এসআই শেখ আবজালুল হক দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন।

এর আগে একই বছরের ২ জুলাই প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত। অভিযোগপত্রের সঙ্গে তথ্যসূত্র হিসেবে ৩১৩ পৃষ্ঠার নথি, ১৬৮ পৃষ্ঠার দালিলিক প্রমাণ এবং দুটি পেনড্রাইভ সংযুক্ত করা হয়।