ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৩১ বার তোপধ্বনিতে বাঘায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন হোসেনপুরে পাপমুক্তির আশায় ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমী স্নানে লাখো পূণ্যার্থীর ঢল ‎ সাভার ও আশুলিয়া ও ধামরাই জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে  উলিপুরে গণহত্যা দিবস পালন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, ইতিহাস স্মরণে আলোচনা সভা বাঘায় জ্বালানি সংকট  মুহুর্তে পাম্পে তালা ডিপোতে রাতের আঁধারে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে মিজান চৌধুরী আগামী ৭৫ দিনের মধ্যে পরিবর্তনশীল উলিপুর গড়ার প্রতিশ্রুতি ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী যুক্তরাষ্ট্রের একটি তেল শোধনাগারে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সাভারের আলোচিত সিরিয়াল কিলার সম্রাট মারা গেছে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে পুত্রের হাতে পিতা খুন

আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলা সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৮ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

আনোয়ার হোসেন আন্নু বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:১০:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
131

চব্বিশের জুলাই–আগস্ট আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আশুলিয়ায় ছয়টি লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১৬ জন আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। রায়ে সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলামসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এদিন দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে মামলায় গ্রেপ্তার থাকা আট আসামিকে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত রায় পাঠ করেন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন—ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, ডিবির তৎকালীন পরিদর্শক আরাফাত হোসেন, এসআই মালেক, এসআই আরাফাত উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান, এসআই শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল।

পলাতক আট আসামি হলেন ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার তৎকালীন ওসি এএফএম সায়েদ রনি, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রনি ভূঁইয়া।

এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য ৫ ফেব্রুয়ারির দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যানের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল।

এই ঘটনায় সাতজন শহীদ হন। তারা হলেন সাজ্জাদ হোসেন সজল, আস সাবুর, তানজিল মাহমুদ সুজয়, বায়োজিদ বোস্তামী, আবুল হোসেন, ওমর ফারুক ও মোহাম্মদ শাহাবুল ইসলাম।

গত বছরের ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। সে সময় আদালতে উপস্থিত আট আসামির মধ্যে সাতজন নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তবে এসআই শেখ আবজালুল হক দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন।

এর আগে একই বছরের ২ জুলাই প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত। অভিযোগপত্রের সঙ্গে তথ্যসূত্র হিসেবে ৩১৩ পৃষ্ঠার নথি, ১৬৮ পৃষ্ঠার দালিলিক প্রমাণ এবং দুটি পেনড্রাইভ সংযুক্ত করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলা সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৮ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১১:১০:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
131

চব্বিশের জুলাই–আগস্ট আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আশুলিয়ায় ছয়টি লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১৬ জন আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। রায়ে সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলামসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এদিন দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে মামলায় গ্রেপ্তার থাকা আট আসামিকে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত রায় পাঠ করেন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন—ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, ডিবির তৎকালীন পরিদর্শক আরাফাত হোসেন, এসআই মালেক, এসআই আরাফাত উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান, এসআই শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল।

পলাতক আট আসামি হলেন ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার তৎকালীন ওসি এএফএম সায়েদ রনি, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রনি ভূঁইয়া।

এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য ৫ ফেব্রুয়ারির দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যানের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল।

এই ঘটনায় সাতজন শহীদ হন। তারা হলেন সাজ্জাদ হোসেন সজল, আস সাবুর, তানজিল মাহমুদ সুজয়, বায়োজিদ বোস্তামী, আবুল হোসেন, ওমর ফারুক ও মোহাম্মদ শাহাবুল ইসলাম।

গত বছরের ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। সে সময় আদালতে উপস্থিত আট আসামির মধ্যে সাতজন নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তবে এসআই শেখ আবজালুল হক দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন।

এর আগে একই বছরের ২ জুলাই প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত। অভিযোগপত্রের সঙ্গে তথ্যসূত্র হিসেবে ৩১৩ পৃষ্ঠার নথি, ১৬৮ পৃষ্ঠার দালিলিক প্রমাণ এবং দুটি পেনড্রাইভ সংযুক্ত করা হয়।